Dhaka মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ প্রধান উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে যত দ্রুত সম্ভব লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করার তাগিদ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভা শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে এ তাগিদ দেন ড. ইউনূস।

প্রেস সচিব বলেন, সভায় প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নির্বাচনের আগে বিশেষ করে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের ওপর কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেন, লুট করা অস্ত্র যে করেই হোক ইলেকশনের আগে যত দ্রুত পারা যায় এগুলোকে উদ্ধার করতে হবে।

প্রেস সচিব বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় করার অনুমোদন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ এবং ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামে দুটি প্রশাসনিক বিভাগ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিভাজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সেবা সহজ করা। কিন্তু, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মেডিক্যাল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, নার্সিং ইনস্টিটিউট ও মাতৃশিশু স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি পরিলাচনার দায়িত্ব স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের দুটি বিভাগ সৃষ্টির পরের অভিজ্ঞতায় প্রতীয়মান, এই দ্বিমুখী কাঠামো প্রত্যাশিত সুফল বয়ে আনতে পারেনি। স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই মানের যথেষ্ট অবনতি ঘটেছে।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে পুনরায় গতি ও সমন্বয় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে রুলস অফ বিজনেস মোতাবেক স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা পরিবার কল্যাণ বিভাগ দুটিকে একত্রীকরণের জন্য প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছিল, এটার নাম পরিবর্তন হয়েছে। নতুন নাম হয়েছে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়। এই প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়েছে। তবে, এটার ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকবে।

শফিকুল আলম বলেন, পরিবেশগত, বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিবেচনায় সাতক্ষীরা জেলাকে ‘বি’ ক্যাটাগরির জেলা থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরির জেলায় উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।

নতুন চারটি থানা অনুমোদন করা হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, গাজীপুর জেলায় পূর্বাচল উত্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলায় পূর্বাচল দক্ষিণ, কক্সবাজার জেলায় মাতারবাড়ী নামে তিনটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। নরসিংদী জেলার রায়পুরাকে ভেঙে আরও একটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলায় ‘ভূল্লী’ থানার নামের বানান সংশোধন করে ‘ভূল্লী’ প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।

শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে ডিএমপির অধীনে ৫০টি থানা রয়েছে, যা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এই কাজকে আরও সহজতর ও কার্যকর করতে ডিএমপিকে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ বা অন্য কোনও উপায়ে একাধিক ভাগে বিভক্ত করার প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কাজের গতি বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করাই এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।

উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে সারাদেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছে, ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে আগে থেকেই সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে।

তিনি বলেন, অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ২১ হাজার ৯৪৬টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রতিটিতে কমপক্ষে ছয়টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যেগে এবং তাদের অর্থায়নে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এ কার্যক্রম ইতোমধ্যে সব জেলায় শুরু হয়েছে এবং জোরেসোরে চলছে। কয়েকটি জেলায় শতভাগের কাছাকাছি কেন্দ্রে ক্যামেরা বসানো হয়ে গেছে।

গাজীপুর জেলার অগ্রগতির কথা তুলে ধরে উপ-প্রেস সচিব বলেন, সেখানে মোট ৯৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪৭টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বিশেষ বরাদ্দের আওতায় অধিকাংশ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতেও ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, সারাদেশে ২৯৯টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এসব কেন্দ্রে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে জেনারেটরের মাধ্যমে ভোটের দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিফ্রিংয়ে প্রধান উপদেষ্টারসিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

শেষ বলে ওকসের ছক্কায় রংপুরকে বিদায় করে কোয়ালিফায়ারে সিলেট

নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ প্রধান উপদেষ্টার

প্রকাশের সময় : ০৪:০২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে যত দ্রুত সম্ভব লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করার তাগিদ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভা শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে এ তাগিদ দেন ড. ইউনূস।

প্রেস সচিব বলেন, সভায় প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নির্বাচনের আগে বিশেষ করে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের ওপর কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেন, লুট করা অস্ত্র যে করেই হোক ইলেকশনের আগে যত দ্রুত পারা যায় এগুলোকে উদ্ধার করতে হবে।

প্রেস সচিব বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় করার অনুমোদন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ এবং ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামে দুটি প্রশাসনিক বিভাগ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিভাজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সেবা সহজ করা। কিন্তু, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মেডিক্যাল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, নার্সিং ইনস্টিটিউট ও মাতৃশিশু স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি পরিলাচনার দায়িত্ব স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের দুটি বিভাগ সৃষ্টির পরের অভিজ্ঞতায় প্রতীয়মান, এই দ্বিমুখী কাঠামো প্রত্যাশিত সুফল বয়ে আনতে পারেনি। স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই মানের যথেষ্ট অবনতি ঘটেছে।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে পুনরায় গতি ও সমন্বয় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে রুলস অফ বিজনেস মোতাবেক স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা পরিবার কল্যাণ বিভাগ দুটিকে একত্রীকরণের জন্য প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছিল, এটার নাম পরিবর্তন হয়েছে। নতুন নাম হয়েছে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়। এই প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়েছে। তবে, এটার ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকবে।

শফিকুল আলম বলেন, পরিবেশগত, বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিবেচনায় সাতক্ষীরা জেলাকে ‘বি’ ক্যাটাগরির জেলা থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরির জেলায় উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।

নতুন চারটি থানা অনুমোদন করা হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, গাজীপুর জেলায় পূর্বাচল উত্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলায় পূর্বাচল দক্ষিণ, কক্সবাজার জেলায় মাতারবাড়ী নামে তিনটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। নরসিংদী জেলার রায়পুরাকে ভেঙে আরও একটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলায় ‘ভূল্লী’ থানার নামের বানান সংশোধন করে ‘ভূল্লী’ প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।

শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে ডিএমপির অধীনে ৫০টি থানা রয়েছে, যা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এই কাজকে আরও সহজতর ও কার্যকর করতে ডিএমপিকে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ বা অন্য কোনও উপায়ে একাধিক ভাগে বিভক্ত করার প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কাজের গতি বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করাই এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।

উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে সারাদেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছে, ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে আগে থেকেই সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে।

তিনি বলেন, অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ২১ হাজার ৯৪৬টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রতিটিতে কমপক্ষে ছয়টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যেগে এবং তাদের অর্থায়নে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এ কার্যক্রম ইতোমধ্যে সব জেলায় শুরু হয়েছে এবং জোরেসোরে চলছে। কয়েকটি জেলায় শতভাগের কাছাকাছি কেন্দ্রে ক্যামেরা বসানো হয়ে গেছে।

গাজীপুর জেলার অগ্রগতির কথা তুলে ধরে উপ-প্রেস সচিব বলেন, সেখানে মোট ৯৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪৭টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বিশেষ বরাদ্দের আওতায় অধিকাংশ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতেও ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, সারাদেশে ২৯৯টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এসব কেন্দ্রে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে জেনারেটরের মাধ্যমে ভোটের দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিফ্রিংয়ে প্রধান উপদেষ্টারসিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।