Dhaka সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবারের নির্বাচন হবে ১৯৯১ সালের মতো : নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম বলেন, আগের মতো পাতানো নির্বাচন হতে দেবো না। এবার ভোট হবে ১৯৯১ সালের মতো।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনও ধরণের সংশয় দেখছি না। কারও পক্ষ থেকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংযের কোনও পরিকল্পনা থাকলে প্রতিহত করা হবে। আমরা মনে করি, এবারের নির্বাচন ২০০৮ এর মতো নয়, ৯১ সালের মতো হবে।

নাহিদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে গত ২-৩ দিনের ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যা আগামী নির্বাচনের পরিবেশ ও সমসাময়িক বিষয়গুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যেহেতু তিনি বলে এসেছেন, এবার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দিতে চান। সেই আস্থাটা তারা আমাদেরকে দিতে চেষ্টা করছেন। কিন্তু, আমরা মনে করি সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাচনের জন্য যে ধরণের পরিবেশ দরকার, নির্বাচন কমিশন সে আচরণ করছে না। বরং, তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা না রাখতে পারলে প্রয়োজনে কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। তবে আমরা মুখোমুখি অবস্থান চাইনা। তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। কিন্তু স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ইসি। তাকে নিয়ন্ত্রণ করা কি তারেক রহমানের পরিকল্পনা? এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ইসির সঙ্গে টানাপোড়েন আগে থেকে ছিল, তবে সেটা ছিল দলীয়। কিন্তু এখন এসেছে নির্বাচন। ইসি যদি সবার আস্থা অর্জন করতে না পারে, তাহলে কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করবো। তবে বিশ্বাস আছে তারা পারবে। তাদের এমন আচরণ চলতে থাকলে আমরা মাঠে নামতে বাধ্য হবো।

বিগত সময়ের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ বলেন, ১৬ বছর ধরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। কারণ নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। এবারের নির্বাচন সেটা হবে না এবং গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।

গণভোটে অন্তর্বর্তী সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারের সিদ্ধান্ত নিলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, গণভোটের প্রচারণার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব না।

পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচনের দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরে পড়বে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে নিরপেক্ষ আচরণ প্রয়োজন, তা আমরা মাঠে দেখছি না। ইসির পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে। এমন নির্বাচন হলে এর দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরে পড়বে।’

দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ইসি বিএনপির চাপে তাদের বৈধতা দিয়েছে। দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপি কোন দলের, সেটা বিষয় না; আইনের প্রয়োগ যাতে সুষ্ঠু হয়। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। ইসিকে কোনো দল বা শক্তির সামনে নতজানু না হওয়ার আহ্বান জানাই।

ইসি একটা দলের চাপে পড়েছে জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘একটা দলের চাপে পড়ে আইনের অবস্থান থেকে সরে এসে তাদের বৈধতা দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে ইসি। আইনি লড়াইয়েও বাধার চেষ্টা আছে। আমাদের অভিযোগ আমলে না নিয়ে উল্টো আমাকেই শোকজ দেওয়া হলো।

মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসিকে চাপ প্রয়োগ করা তারেক রহমানের পরিকল্পনা কি না, সে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ইসি এমন আচরণ অব্যাহত রাখলে আমরা মাঠে নামতে বাধ্য হব।
তারেক রহমানের প্ল্যান নিয়ে নাহিদ বলেন, তিনি দেশে ফিরে বলেছেন তার পরিকল্পনা আছে। গণভোটে হ্যাঁ এর বিপক্ষে বা নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ তার পরিকল্পনার অংশ কি না তা আমাদের জানা নেই। এমনটি হলে দেশের তরুণ তা মেনে নেবে না।

ঢাকা-১১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, আপনারা জানেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আমাদেন টানাপোড়েন আগে থেকেই। আমাদের দলীয় প্রতীক নিয়ে কী ধরণের আচরণ করেছে সবই আপনারা জানেন। তারপরও দলীয় বিষয় হওয়ায় আমরা তা মেনে নিয়েছি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ইসি এক পাক্ষিক আচরণ করলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে। অনিয়ম চলতে থাকলে দল ও জোটের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

একটি দলের চেয়ারম্যান দেশে আসার পর তার ছবি দিয়ে পোস্টারে ছেয়ে গেছে। এ কারণে সে নেতাকে শোকজ করা উচিত। অথচ আমরা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোয় শোকজ পেতে হচ্ছে। এনসিপির বিরুদ্ধে শোকজ তুলে নিতে হবে এবং জনগণের কাছে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

আসিফ বলেন, বিতর্কিত নির্বাচনের মতো দ্বৈত নাগরিক ও ঋণ খেলাপিদের নির্বাচন করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। মাঠ কর্মকর্তারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করছেন।

আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মতো ঋণখেলাপি আছে। দ্বৈত নাগরিকও এর কাছাকাছি। এসব বিষয় নিয়ে আমরা আবারও কমিশনের কাছে যাবো।

তিনি বলেন, এনসিপির ২ জনকে শোকজ করা হয়েছে। সেটা ছিল গণভোটের প্রচারণা। এটা আচরণবিধি ভঙ্গ করা হয় কীভাবে? উল্টো অন্য দল প্রতীক ব্যানার দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। উদ্দেশ্যমূলকভাবে এরকম শোকজ দেওয়া হচ্ছে। সংস্কার নিয়ে হ্যাঁ এর পক্ষে আমাদের অবস্থান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আইনি সহায়তা বিষয়ক উপকমিটির প্রধান অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

এবারের নির্বাচন হবে ১৯৯১ সালের মতো : নাহিদ ইসলাম

প্রকাশের সময় : ০৮:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম বলেন, আগের মতো পাতানো নির্বাচন হতে দেবো না। এবার ভোট হবে ১৯৯১ সালের মতো।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনও ধরণের সংশয় দেখছি না। কারও পক্ষ থেকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংযের কোনও পরিকল্পনা থাকলে প্রতিহত করা হবে। আমরা মনে করি, এবারের নির্বাচন ২০০৮ এর মতো নয়, ৯১ সালের মতো হবে।

নাহিদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে গত ২-৩ দিনের ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যা আগামী নির্বাচনের পরিবেশ ও সমসাময়িক বিষয়গুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যেহেতু তিনি বলে এসেছেন, এবার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দিতে চান। সেই আস্থাটা তারা আমাদেরকে দিতে চেষ্টা করছেন। কিন্তু, আমরা মনে করি সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাচনের জন্য যে ধরণের পরিবেশ দরকার, নির্বাচন কমিশন সে আচরণ করছে না। বরং, তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা না রাখতে পারলে প্রয়োজনে কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। তবে আমরা মুখোমুখি অবস্থান চাইনা। তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। কিন্তু স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ইসি। তাকে নিয়ন্ত্রণ করা কি তারেক রহমানের পরিকল্পনা? এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ইসির সঙ্গে টানাপোড়েন আগে থেকে ছিল, তবে সেটা ছিল দলীয়। কিন্তু এখন এসেছে নির্বাচন। ইসি যদি সবার আস্থা অর্জন করতে না পারে, তাহলে কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করবো। তবে বিশ্বাস আছে তারা পারবে। তাদের এমন আচরণ চলতে থাকলে আমরা মাঠে নামতে বাধ্য হবো।

বিগত সময়ের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ বলেন, ১৬ বছর ধরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। কারণ নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। এবারের নির্বাচন সেটা হবে না এবং গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।

গণভোটে অন্তর্বর্তী সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারের সিদ্ধান্ত নিলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, গণভোটের প্রচারণার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব না।

পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচনের দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরে পড়বে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে নিরপেক্ষ আচরণ প্রয়োজন, তা আমরা মাঠে দেখছি না। ইসির পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে। এমন নির্বাচন হলে এর দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরে পড়বে।’

দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ইসি বিএনপির চাপে তাদের বৈধতা দিয়েছে। দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপি কোন দলের, সেটা বিষয় না; আইনের প্রয়োগ যাতে সুষ্ঠু হয়। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। ইসিকে কোনো দল বা শক্তির সামনে নতজানু না হওয়ার আহ্বান জানাই।

ইসি একটা দলের চাপে পড়েছে জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘একটা দলের চাপে পড়ে আইনের অবস্থান থেকে সরে এসে তাদের বৈধতা দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে ইসি। আইনি লড়াইয়েও বাধার চেষ্টা আছে। আমাদের অভিযোগ আমলে না নিয়ে উল্টো আমাকেই শোকজ দেওয়া হলো।

মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসিকে চাপ প্রয়োগ করা তারেক রহমানের পরিকল্পনা কি না, সে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ইসি এমন আচরণ অব্যাহত রাখলে আমরা মাঠে নামতে বাধ্য হব।
তারেক রহমানের প্ল্যান নিয়ে নাহিদ বলেন, তিনি দেশে ফিরে বলেছেন তার পরিকল্পনা আছে। গণভোটে হ্যাঁ এর বিপক্ষে বা নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ তার পরিকল্পনার অংশ কি না তা আমাদের জানা নেই। এমনটি হলে দেশের তরুণ তা মেনে নেবে না।

ঢাকা-১১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, আপনারা জানেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আমাদেন টানাপোড়েন আগে থেকেই। আমাদের দলীয় প্রতীক নিয়ে কী ধরণের আচরণ করেছে সবই আপনারা জানেন। তারপরও দলীয় বিষয় হওয়ায় আমরা তা মেনে নিয়েছি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ইসি এক পাক্ষিক আচরণ করলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে। অনিয়ম চলতে থাকলে দল ও জোটের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

একটি দলের চেয়ারম্যান দেশে আসার পর তার ছবি দিয়ে পোস্টারে ছেয়ে গেছে। এ কারণে সে নেতাকে শোকজ করা উচিত। অথচ আমরা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোয় শোকজ পেতে হচ্ছে। এনসিপির বিরুদ্ধে শোকজ তুলে নিতে হবে এবং জনগণের কাছে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

আসিফ বলেন, বিতর্কিত নির্বাচনের মতো দ্বৈত নাগরিক ও ঋণ খেলাপিদের নির্বাচন করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। মাঠ কর্মকর্তারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করছেন।

আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মতো ঋণখেলাপি আছে। দ্বৈত নাগরিকও এর কাছাকাছি। এসব বিষয় নিয়ে আমরা আবারও কমিশনের কাছে যাবো।

তিনি বলেন, এনসিপির ২ জনকে শোকজ করা হয়েছে। সেটা ছিল গণভোটের প্রচারণা। এটা আচরণবিধি ভঙ্গ করা হয় কীভাবে? উল্টো অন্য দল প্রতীক ব্যানার দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। উদ্দেশ্যমূলকভাবে এরকম শোকজ দেওয়া হচ্ছে। সংস্কার নিয়ে হ্যাঁ এর পক্ষে আমাদের অবস্থান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আইনি সহায়তা বিষয়ক উপকমিটির প্রধান অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা।