Dhaka সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আলটিমেটাম দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করলেন অটোরিকশা চালকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা মহানগর এলাকায় চিকন চাকার প্রায় ২ লাখ ৪১ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যান চলাচলের অনুমতি এবং আকিজ কোম্পানির মোটা চাকার তিন ধরনের অটোরিকশা বিক্রি বন্ধের দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন অটোরিকশাচালকরা। দাবির বিষয়ে আশ্বাস পাওয়ার পর তারা সাময়িকভাবে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়েন অটোরিকশাচালকরা। এরপর কুড়িল থেকে বাড্ডা ও রামপুরাগামী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

চালকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারও আন্দোলনে নামবেন তারা। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসন চিকন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে কোনো বাধা দেবে না—এমন আশ্বাসও পেয়েছেন বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, তারা সড়ক ছেড়ে দিলে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বন্ধ থাকা কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।

সড়ক ছাড়ার আগে আন্দোলনকারীরা বলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা দুই সিটি কর্পোরেশনকে সময়সীমা দিয়েছি। এর মধ্যে তারা ওই অটোরিকশা বিক্রি বন্ধের ব্যবস্থা করবেন। তা না হলে আমরা ১ ফেব্রুয়ারি দুই সিটি কর্পোরেশন ভবন ঘেরাও করব এবং আমাদের দাবি মানা না পর্যন্ত আমরা সেখান থেকে উঠবো না।

রাস্তা ছাড়ার বিষয়ে ডিএমপির বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসিরুল আমিন বলেন, আন্দোলনকারীরা রাস্তা ছেড়ে চলে গেছে, যান চলাচলর স্বাভাবিক হয়েছে। তারা উত্তর বাড্ডা থেকে একটি মিছিল নিয়ে রামপুরা ব্রিজে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

তারেক রহমানের সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আলটিমেটাম দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করলেন অটোরিকশা চালকরা

প্রকাশের সময় : ০২:০৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা মহানগর এলাকায় চিকন চাকার প্রায় ২ লাখ ৪১ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যান চলাচলের অনুমতি এবং আকিজ কোম্পানির মোটা চাকার তিন ধরনের অটোরিকশা বিক্রি বন্ধের দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন অটোরিকশাচালকরা। দাবির বিষয়ে আশ্বাস পাওয়ার পর তারা সাময়িকভাবে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়েন অটোরিকশাচালকরা। এরপর কুড়িল থেকে বাড্ডা ও রামপুরাগামী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

চালকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারও আন্দোলনে নামবেন তারা। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসন চিকন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে কোনো বাধা দেবে না—এমন আশ্বাসও পেয়েছেন বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, তারা সড়ক ছেড়ে দিলে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বন্ধ থাকা কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।

সড়ক ছাড়ার আগে আন্দোলনকারীরা বলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা দুই সিটি কর্পোরেশনকে সময়সীমা দিয়েছি। এর মধ্যে তারা ওই অটোরিকশা বিক্রি বন্ধের ব্যবস্থা করবেন। তা না হলে আমরা ১ ফেব্রুয়ারি দুই সিটি কর্পোরেশন ভবন ঘেরাও করব এবং আমাদের দাবি মানা না পর্যন্ত আমরা সেখান থেকে উঠবো না।

রাস্তা ছাড়ার বিষয়ে ডিএমপির বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসিরুল আমিন বলেন, আন্দোলনকারীরা রাস্তা ছেড়ে চলে গেছে, যান চলাচলর স্বাভাবিক হয়েছে। তারা উত্তর বাড্ডা থেকে একটি মিছিল নিয়ে রামপুরা ব্রিজে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করে।