জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে পেছনে রেখে বাংলাদেশ বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে না : জাইমা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে পেছনে রেখে বাংলাদেশ বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেন, নিজের ছোট্ট জায়গা থেকেও দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করার আন্তরিকতা আমাদের সবার থাকা উচিত।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে (কেআইবি) ‘ঢাকা ফোরাম’ আয়োজিত ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গত ২৫ ডিসেম্বর বাবার সঙ্গে লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর এটিই জনপরিসরে বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জাইমা রহমানের প্রথম বক্তব্য।

জাইমা রহমান বলেন, আজ আমরা এখানে যারা উপস্থিত সবাই এক রকম নই। আমাদের আদর্শ, অভিজ্ঞতা, দৃষ্টিভঙ্গিও আলাদা। তারপরও আমরা একসঙ্গে বসেছি, আলোচনা করছি। কারণ আমরা সবাই দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য ভাবছি। আর এ ভিন্নতা নিয়েই একসঙ্গে কথা বলছি, একের পর এক শুনছি। এটাই গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য।

‘ভিন্ন এক অনুভূতি ও আবেগ নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এ পলিসি লেভেলে আমার প্রথম বক্তব্য এটা। আমি এমন কেউ নই যার কাছে সব প্রশ্নের উত্তর আছে বা সব সমস্যার সমাধান জানা আছে। তবু আমি বিশ্বাস করি নিজের ছোট্ট জায়গা থেকেও সমাজের জন্য, দেশের জন্য কিছু করার আন্তরিকতা আমাদের সবার মধ্যে থাকা উচিত। আজ আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে।

উন্নয়নে নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে জাইমা রহমান বলেন, জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে একপাশে রেখে বাংলাদেশ বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে না।

দেশে নারীদের উন্নয়নে দাদা জিয়াউর রহমান ও দাদি বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার কাছে সব সমাধান আছে এমন নয়। তবে নিজের সামর্থ্যে থেকে কিছু করার ইচ্ছে থেকেই এসেছি।

এ সময় আলাদা মতের হলেও একসঙ্গে আলাপ করা, কথা বলাই গণতন্ত্রের অংশ বলেও মন্তব্য করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

জাইমা রহমান বলেন, “নারীর মর্যাদা ব্যক্তিগত ও জনপরিসর—উভয় ক্ষেত্রেই স্বীকৃত হওয়া উচিত; এই বিশ্বাস আমাদের পরিবারের বাইরেও আমার দাদা-দাদির জীবন ও নেতৃত্বে প্রতিফলিত হয়েছিল। আমার দাদা, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জানতেন যে নারীদের বাদ দিয়ে উন্নয়ন কখনোই পূর্ণ হতে পারে না। তিনি নারীদের ঘরে, কর্মক্ষেত্রে ও জনপরিসরে সক্ষম অবদানকারী হিসেবে দেখতেন। এই বিশ্বাসই—একজন নেতা হিসেবে নেওয়া তার সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করেছিল। তার নেতৃত্বে পোশাক খাতের সম্প্রসারণের ফলে লাখ লাখ নারী প্রথমবারের মতো প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে প্রবেশের সুযোগ পান, অর্জন করেন স্বাধীনতা ও আয়ের ক্ষমতা।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা : শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ৩০ সেপ্টেম্বর

জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে পেছনে রেখে বাংলাদেশ বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে না : জাইমা রহমান

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে পেছনে রেখে বাংলাদেশ বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেন, নিজের ছোট্ট জায়গা থেকেও দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করার আন্তরিকতা আমাদের সবার থাকা উচিত।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে (কেআইবি) ‘ঢাকা ফোরাম’ আয়োজিত ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গত ২৫ ডিসেম্বর বাবার সঙ্গে লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর এটিই জনপরিসরে বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জাইমা রহমানের প্রথম বক্তব্য।

জাইমা রহমান বলেন, আজ আমরা এখানে যারা উপস্থিত সবাই এক রকম নই। আমাদের আদর্শ, অভিজ্ঞতা, দৃষ্টিভঙ্গিও আলাদা। তারপরও আমরা একসঙ্গে বসেছি, আলোচনা করছি। কারণ আমরা সবাই দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য ভাবছি। আর এ ভিন্নতা নিয়েই একসঙ্গে কথা বলছি, একের পর এক শুনছি। এটাই গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য।

‘ভিন্ন এক অনুভূতি ও আবেগ নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এ পলিসি লেভেলে আমার প্রথম বক্তব্য এটা। আমি এমন কেউ নই যার কাছে সব প্রশ্নের উত্তর আছে বা সব সমস্যার সমাধান জানা আছে। তবু আমি বিশ্বাস করি নিজের ছোট্ট জায়গা থেকেও সমাজের জন্য, দেশের জন্য কিছু করার আন্তরিকতা আমাদের সবার মধ্যে থাকা উচিত। আজ আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে।

উন্নয়নে নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে জাইমা রহমান বলেন, জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে একপাশে রেখে বাংলাদেশ বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে না।

দেশে নারীদের উন্নয়নে দাদা জিয়াউর রহমান ও দাদি বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার কাছে সব সমাধান আছে এমন নয়। তবে নিজের সামর্থ্যে থেকে কিছু করার ইচ্ছে থেকেই এসেছি।

এ সময় আলাদা মতের হলেও একসঙ্গে আলাপ করা, কথা বলাই গণতন্ত্রের অংশ বলেও মন্তব্য করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

জাইমা রহমান বলেন, “নারীর মর্যাদা ব্যক্তিগত ও জনপরিসর—উভয় ক্ষেত্রেই স্বীকৃত হওয়া উচিত; এই বিশ্বাস আমাদের পরিবারের বাইরেও আমার দাদা-দাদির জীবন ও নেতৃত্বে প্রতিফলিত হয়েছিল। আমার দাদা, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জানতেন যে নারীদের বাদ দিয়ে উন্নয়ন কখনোই পূর্ণ হতে পারে না। তিনি নারীদের ঘরে, কর্মক্ষেত্রে ও জনপরিসরে সক্ষম অবদানকারী হিসেবে দেখতেন। এই বিশ্বাসই—একজন নেতা হিসেবে নেওয়া তার সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করেছিল। তার নেতৃত্বে পোশাক খাতের সম্প্রসারণের ফলে লাখ লাখ নারী প্রথমবারের মতো প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে প্রবেশের সুযোগ পান, অর্জন করেন স্বাধীনতা ও আয়ের ক্ষমতা।