Dhaka বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াতসহ ১১ দলের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা থাকলেও তা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে (২য় তলা) এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় আসন সমঝোতার জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও এই ১১ দলের জোটে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)।

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের কিছুদিন পর জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ আটটি দল আসন সমঝোতার ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টি যুক্ত হলে জোটের মধ্যে আসন সমঝোতা জটিল হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকেই শতাধিক আসনে প্রার্থী দেওয়ার দাবি জানানোয় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়ায় জামায়াত ২৭৬টি আসনে প্রার্থী দেয়। একই দিনে ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি, এনসিপি ৪৪টি, এবি পার্টি ৫৩টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি এবং খেলাফত মজলিস ৬৮টি আসনে প্রার্থী দেয়। এতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে দ্বন্দ্ব সবচেয়ে তীব্র আকার ধারণ করে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, অন্তত ২৪০টি আসনে দুই দলের প্রার্থীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন।

নতুন দল যুক্ত করার পর ‘সন্দেহ ও অবিশ্বাস’ প্রকাশ করেন চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন এবং মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতারা। তাদের অভিযোগ, জামায়াত একতরফাভাবে নতুন দলগুলোকে জোটে যুক্ত করেছে।

জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল। তবে আলোচনার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে আসনের চাহিদা কমিয়েছে দলটি। সর্বশেষ তাদের দাবি ছিল ৫০টির বেশি আসন। তবে জামায়াত দলটিকে ৪০টি আসন ছাড় দিতে চায়। এটি নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। দলের একটা অংশ মনে করে, ৪০ থেকে ৪৫টি আসনে সমঝোতা হতে পারে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

গুরুতর অসুস্থ শবনম ফারিয়া

জামায়াতসহ ১১ দলের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা থাকলেও তা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে (২য় তলা) এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় আসন সমঝোতার জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও এই ১১ দলের জোটে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)।

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের কিছুদিন পর জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ আটটি দল আসন সমঝোতার ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টি যুক্ত হলে জোটের মধ্যে আসন সমঝোতা জটিল হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকেই শতাধিক আসনে প্রার্থী দেওয়ার দাবি জানানোয় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়ায় জামায়াত ২৭৬টি আসনে প্রার্থী দেয়। একই দিনে ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি, এনসিপি ৪৪টি, এবি পার্টি ৫৩টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি এবং খেলাফত মজলিস ৬৮টি আসনে প্রার্থী দেয়। এতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে দ্বন্দ্ব সবচেয়ে তীব্র আকার ধারণ করে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, অন্তত ২৪০টি আসনে দুই দলের প্রার্থীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন।

নতুন দল যুক্ত করার পর ‘সন্দেহ ও অবিশ্বাস’ প্রকাশ করেন চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন এবং মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতারা। তাদের অভিযোগ, জামায়াত একতরফাভাবে নতুন দলগুলোকে জোটে যুক্ত করেছে।

জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল। তবে আলোচনার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে আসনের চাহিদা কমিয়েছে দলটি। সর্বশেষ তাদের দাবি ছিল ৫০টির বেশি আসন। তবে জামায়াত দলটিকে ৪০টি আসন ছাড় দিতে চায়। এটি নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। দলের একটা অংশ মনে করে, ৪০ থেকে ৪৫টি আসনে সমঝোতা হতে পারে।