Dhaka সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাটারা থানা থেকে পুলিশ সদস্যের মোটরসাইকেল চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীর ভাটারা থানায় কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ফিরোজের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিসিটিভির (ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা) ফুটেজে দেখা যায়, মুখোশধারী দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাচ্ছেন।

থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইয়ামাহা কোম্পানির ‘এফজেডএস ভার্সন-২’ মডেলের কালো রঙের মোটরসাইকেলটি ভাটারা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ফিরোজের। মোটরসাইকেলটি থানার উত্তর গেটের ভেতরে পানির ট্যাংকের পাশে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। ভোরের দিকে দুই ব্যক্তি তালা ভেঙে মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যান।

ফুটেজে দেখা গেছে, দুই ব্যক্তি মুখোশ পরে থানার গেটের সামনে ঘোরাফেরা করছেন। একপর্যায়ে এক ব্যক্তি থানার ভেতরে ঢুকে মোটরসাইকেলের তালা ভাঙেন। আরেকজন থানার বাইরে পাহারা দেন। পরে দুজন মিলে বাইকটি ঠেলে থানা এলাকা থেকে বের করে নিয়ে যান।

এএসআই ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার রাতে তিনি মোটরসাইকেলটি থানার ভেতরে রেখে বাইরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকালে থানায় ফিরে দেখেন, যেখানে মোটরসাইকেলটি রেখেছিলেন, সেখানে নেই। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনি জানতে পারেন, মুখোশধারী দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছেন। মোটরসাইকেলের সঙ্গে রাখা তার হেলমেটটিও তারা নিয়ে যান।

ফিরোজ আরও জানান, মোটরসাইকেলে একটি জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ট্র্যাকার লাগানো ছিল। চোরেরা মোটরসাইকেলটি থানার বাইরের একটি গলিতে নিয়ে গিয়ে সেই জিপিএস ট্র্যাকার খুলে ফেলে। ফলে তিনি এখন মোটরসাইকেলটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারছেন না।

অবশ্য থানার ভেতরে চুরির বিষয়টি অস্বীকার করে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হক জানান, শনিবার (১০ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এএসআই ফিরোজের মোটরসাইকেলটি পার্কিং থেকে চুরি হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমরা আসামি গ্রেফতার ও মোটরসাইকেল উদ্ধারে তদন্ত করছি।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

মুন্সীগঞ্জে-৩ : স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিনের মনোনয়নপত্র বৈধ

ভাটারা থানা থেকে পুলিশ সদস্যের মোটরসাইকেল চুরি

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীর ভাটারা থানায় কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ফিরোজের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিসিটিভির (ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা) ফুটেজে দেখা যায়, মুখোশধারী দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাচ্ছেন।

থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইয়ামাহা কোম্পানির ‘এফজেডএস ভার্সন-২’ মডেলের কালো রঙের মোটরসাইকেলটি ভাটারা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ফিরোজের। মোটরসাইকেলটি থানার উত্তর গেটের ভেতরে পানির ট্যাংকের পাশে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। ভোরের দিকে দুই ব্যক্তি তালা ভেঙে মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যান।

ফুটেজে দেখা গেছে, দুই ব্যক্তি মুখোশ পরে থানার গেটের সামনে ঘোরাফেরা করছেন। একপর্যায়ে এক ব্যক্তি থানার ভেতরে ঢুকে মোটরসাইকেলের তালা ভাঙেন। আরেকজন থানার বাইরে পাহারা দেন। পরে দুজন মিলে বাইকটি ঠেলে থানা এলাকা থেকে বের করে নিয়ে যান।

এএসআই ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার রাতে তিনি মোটরসাইকেলটি থানার ভেতরে রেখে বাইরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকালে থানায় ফিরে দেখেন, যেখানে মোটরসাইকেলটি রেখেছিলেন, সেখানে নেই। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনি জানতে পারেন, মুখোশধারী দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছেন। মোটরসাইকেলের সঙ্গে রাখা তার হেলমেটটিও তারা নিয়ে যান।

ফিরোজ আরও জানান, মোটরসাইকেলে একটি জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ট্র্যাকার লাগানো ছিল। চোরেরা মোটরসাইকেলটি থানার বাইরের একটি গলিতে নিয়ে গিয়ে সেই জিপিএস ট্র্যাকার খুলে ফেলে। ফলে তিনি এখন মোটরসাইকেলটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারছেন না।

অবশ্য থানার ভেতরে চুরির বিষয়টি অস্বীকার করে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হক জানান, শনিবার (১০ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এএসআই ফিরোজের মোটরসাইকেলটি পার্কিং থেকে চুরি হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমরা আসামি গ্রেফতার ও মোটরসাইকেল উদ্ধারে তদন্ত করছি।