Dhaka বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কর্মঘণ্টায় ফেসবুক ব্যবহার নিয়ে প্রধান বিচারপতির কড়া হুঁশিয়ারি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৪ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অধস্তন আদালতের বিচারকদের ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কর্মঘণ্টার মধ্যে কোনো বিচারক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমন প্রমাণ পেলে সেটি তার বিচারিক জীবনের জন্য গুরুতর প্রভাব ফেলবে।

সম্প্রতি দেশের সব জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি এই হুঁশিয়ারি দেন। সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই অভিভাষণে তিনি আদালতের পরিবেশ রক্ষা, দ্রুততম সময়ে রায় প্রদান, সততা বজায় রাখা এবং বহিরাগতদের কোর্টে প্রবেশ নিষিদ্ধের নির্দেশ দেন।

প্রধান বিচারপতি অভিভাষণে বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা হবে। বিচারক হিসেবে আপনাদের সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতিকে আশ্রয় দেওয়া যাবে না। বিচার বিভাগের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত অনিয়ম বা দুর্নীতির ক্ষেত্রে কড়াভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিচারকরা তিন-সাত দিনের মধ্যে রায় প্রদান করবেন। রায় প্রদানে বিলম্ব হলে পুনরায় নথি পর্যালোচনা করতে হবে, যা সময়ের অপচয় এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে। সেজন্য আদালতের কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি আদালত প্রাঙ্গণের পরিবেশ এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশও দেন। তিনি বলেন, কেবল আইনজীবী ও মামলার পক্ষগণ এজলাস কক্ষে প্রবেশ করবে। আদালত প্রাঙ্গণ হকার বা বিক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত নয়। আইনজীবীদের ড্রেসকোড মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

অধস্তন আদালতের অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে খাবার ও নামাজের বিরতির সময়ও নির্ধারিত রয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বৃথা গেল শামীম ঝড়, ওমরজাইয়ের নৈপুণ্যে ঢাকাকে হারালো সিলেট

কর্মঘণ্টায় ফেসবুক ব্যবহার নিয়ে প্রধান বিচারপতির কড়া হুঁশিয়ারি

প্রকাশের সময় : ০১:৩৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অধস্তন আদালতের বিচারকদের ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কর্মঘণ্টার মধ্যে কোনো বিচারক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমন প্রমাণ পেলে সেটি তার বিচারিক জীবনের জন্য গুরুতর প্রভাব ফেলবে।

সম্প্রতি দেশের সব জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি এই হুঁশিয়ারি দেন। সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই অভিভাষণে তিনি আদালতের পরিবেশ রক্ষা, দ্রুততম সময়ে রায় প্রদান, সততা বজায় রাখা এবং বহিরাগতদের কোর্টে প্রবেশ নিষিদ্ধের নির্দেশ দেন।

প্রধান বিচারপতি অভিভাষণে বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা হবে। বিচারক হিসেবে আপনাদের সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতিকে আশ্রয় দেওয়া যাবে না। বিচার বিভাগের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত অনিয়ম বা দুর্নীতির ক্ষেত্রে কড়াভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিচারকরা তিন-সাত দিনের মধ্যে রায় প্রদান করবেন। রায় প্রদানে বিলম্ব হলে পুনরায় নথি পর্যালোচনা করতে হবে, যা সময়ের অপচয় এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে। সেজন্য আদালতের কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি আদালত প্রাঙ্গণের পরিবেশ এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশও দেন। তিনি বলেন, কেবল আইনজীবী ও মামলার পক্ষগণ এজলাস কক্ষে প্রবেশ করবে। আদালত প্রাঙ্গণ হকার বা বিক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত নয়। আইনজীবীদের ড্রেসকোড মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

অধস্তন আদালতের অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে খাবার ও নামাজের বিরতির সময়ও নির্ধারিত রয়েছে।