নিজস্ব প্রতিবেদক :
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে রেললাইনের পাত উপড়ে ফেলায় ‘অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানায় একটি এজাহার দেন। তবে এজাহার দাখিলের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা নেয়নি রেলওয়ে পুলিশ।
এজাহারের তথ্যমতে, গত ২৭ ডিসেম্বর বিকেলে গফরগাঁও স্টেশন এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দল ও মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে বহিরাগত কিছু লোক রেলওয়ে সীমানায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে। তারা রেলওয়ের স্তূপ করা নতুন ও পুরাতন কাঠের এবং স্টিল স্লিপারে অগ্নিসংযোগ করে। বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতকারীরা ফিশপ্লেট, ফিশবোল্ট ও ইআরসি খুলে নিয়ে যায়।
লুটপাটের রেশ ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও ও ধলা সেকশনের মাঝামাঝি এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা প্রায় ২০ ফুট রেললাইন কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রাখে। এর ফলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেন ওই স্থানে পৌঁছালে ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে প্রায় ১২০ ফুট রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, এই নাশকতায় রেলের ভৌত সম্পদের ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আয় ব্যাহত হয়েছে। হয়রানির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা।
সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে নাশকতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করা হয়েছে। ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে এটি এখনও মামলা হিসেবে নিথিভুক্ত হয়নি।
রেলওয়ে থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, এজাহারটি হাতে পেয়েছেন। খোঁজখবর নিয়ে মামলা রেকর্ড করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























