Dhaka বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের দাম কমলো লিটারে ২ টাকা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০০ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারে ২ টাকা করে কমানো হয়েছে।

এর আগে, বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে জানুয়ারি মাসের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্র্নিধারণ বা সমন্বয় করা হয়েছে।

সংশোধিত মূল্যের বিবরণ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসের জন্য ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০৪ টাকা থেকে ২ টাকা কমিয়ে ১০২ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১৬ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৪ টাকা পুনর্র্নিধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অকটেনের দাম প্রতি লিটার ১২৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১২২ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১২০ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৮ টাকা নির্ধারণ বা সমন্বয় করা হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। এর মধ্যে মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল দিয়ে।

ডিজেল সাধারণত কৃষি সেচ, পরিবহন খাত ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয়। বিপিসি সূত্র জানায়, অকটেন ও পেট্রল বিক্রিতে সব সময়ই প্রতিষ্ঠানটি লাভ করে। মূলত ডিজেল বিক্রির ওপরই বিপিসির লাভ-লোকসান নির্ভর করে।

জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে নিয়মিত সমন্বয় করতো বিপিসি।

বর্তমানে এসব জ্বালানির দাম প্রতি মাসে নির্ধারণ করছে বিইআরসি। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ উন্নত বিশ্বেও প্রতি মাসে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত অনুযায়ী গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি দেশে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ঘোষণা করা হয়। এই পদ্ধতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমলে দেশের বাজারেও দাম কমবে, আর বাড়লে দেশের বাজারেও তা বাড়বে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

‘আওয়ামী লীগ থেকে জামায়াতে যোগ দেন, দায়-দায়িত্ব আমাদের’

জ্বালানি তেলের দাম কমলো লিটারে ২ টাকা

প্রকাশের সময় : ১২:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারে ২ টাকা করে কমানো হয়েছে।

এর আগে, বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে জানুয়ারি মাসের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্র্নিধারণ বা সমন্বয় করা হয়েছে।

সংশোধিত মূল্যের বিবরণ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসের জন্য ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০৪ টাকা থেকে ২ টাকা কমিয়ে ১০২ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১৬ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৪ টাকা পুনর্র্নিধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অকটেনের দাম প্রতি লিটার ১২৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১২২ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১২০ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৮ টাকা নির্ধারণ বা সমন্বয় করা হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। এর মধ্যে মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল দিয়ে।

ডিজেল সাধারণত কৃষি সেচ, পরিবহন খাত ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয়। বিপিসি সূত্র জানায়, অকটেন ও পেট্রল বিক্রিতে সব সময়ই প্রতিষ্ঠানটি লাভ করে। মূলত ডিজেল বিক্রির ওপরই বিপিসির লাভ-লোকসান নির্ভর করে।

জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে নিয়মিত সমন্বয় করতো বিপিসি।

বর্তমানে এসব জ্বালানির দাম প্রতি মাসে নির্ধারণ করছে বিইআরসি। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ উন্নত বিশ্বেও প্রতি মাসে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত অনুযায়ী গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি দেশে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ঘোষণা করা হয়। এই পদ্ধতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমলে দেশের বাজারেও দাম কমবে, আর বাড়লে দেশের বাজারেও তা বাড়বে।