নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর যানজট নিরসনে শনিবার (৩০ আগস্ট) থেকে চালু হয়েছে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন সিস্টেমের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম। প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুই সিটির সাতটি ইন্টারসেকশনে চালু করা হয়। দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি অটোমেশন সিস্টেমে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা।
জানা গেছে, ২০০১-০২ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ঢাকা আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পের আওতায় ৭০টি ইন্টারসেকশনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বছর না পেরোতেই পুরো সিস্টেম বিকল হয়ে পড়ে। এরপর ২০১২-১৩ অর্থবছরে ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ২৯টি ইন্টারসেকশনে বসানো হয় সিগন্যাল বাতি, সেবার বিশ্বব্যাংক বরাদ্দ দিয়েছিল ১১২ কোটি টাকা। সবশেষ ২০১৬ সালে ঢাকার চারটি ইন্টারসেকশনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিস্টেম বসানোর উদ্যোগ নিয়েছিল ডিটিসিএ।
নগরবাসীকে তীব্র যানজট থেকে মুক্তি দেয়ার পাশাপাশি যানজটে হারানো কর্মঘণ্টা বাঁচাতে অটোমেটিক ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে অন্তবর্তী সরকার। শুরুতেই হাইকোর্ট থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত সাতটি চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ২২টি ইন্টার সেকশনে এই সিস্টেম চালু করা হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশীজন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।
ডিটিসি এর নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আক্তার জানান, পরীক্ষামূলক পাইলটিংয়ের লক্ষ্য সচেতনতা বৃদ্ধি। আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর আগে সচেতনতা সক্ষমতা যাচাই ও ত্রুটি শনাক্তের জন্য দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় নেবে পরীক্ষামূলক এই প্রকল্প।