Dhaka রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২৮৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাবির বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় সম্বলিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দেড় বছরে ঢাবি কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন প্রকাশ করা হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সব হলের প্রভোস্ট এবং ডাকসু ও হল সংসদ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান জানান, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—আবাসন সংকটের সমাধান ও প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের আবাসন নিশ্চিতকরণ, র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০০ ধাপ উন্নতি, প্রথমবারের মতো ইউনেস্কো চেয়ার স্থাপন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে রিসোর্সের পরিমাণ বৃদ্ধি, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন বন্ধে উদ্যোগ, মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুবিধা প্রদান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ইত্যাদি

উপাচার্য বলেন, এ সময়ে আমাদের অন্যতম বড় সাফল্য সুন্দরভাবে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন। তিনি বলেন, নিয়মিত ডাকসু আয়োজনের লক্ষ্যে অচিরেই ডাকসুকে ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আমরা যতটুকু এসেছি আপনাদের সহযোগিতায় এসেছি। এটা (ঢাবি) জাতীয় প্রতিষ্ঠান। জাতি যেন এটি থেকে তাদের ন্যায্য হিস্যা বুঝে নেয়।

এ সময় ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ বছর মেয়াদি মেগা প্রকল্পের আউটলুক প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। জানা যায়, প্রকল্পের অধীনে সর্বমোট ৩১টি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ছয়টি ছাত্র হল ও চারটি ছাত্রী হলের পুরাতন ভবন ভেঙে নতুন বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়া এই প্রকল্পের অধীনে রয়েছে প্রশাসনিক ভবন আধুনিকায়ন, অটোমান ডিজাইনে কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণ করে সেটিকে কালচারাল সেন্টারে রূপদান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও ডাকসু ভবনের আধুনিকায়ন ইত্যাদি।

এ সময় শিক্ষক মূল্যায়ন চালু সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, এটি চালুর কাছাকাছি পর্যায়ে আছে। ডাকসু এটি নিয়ে কাজ করছে। এছাড়া শিক্ষক মূল্যায়নের জন্য সিন্ডিকেট থেকে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার বিষয়ে ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, নিয়োগ নিয়ে ফুল স্কেল রিভিউ কমিটি করা হয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের জন্য আলাদা দুটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও বেশি স্বচ্ছ হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারো বাড়ল সোনার দাম

২৮৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাবির বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন

প্রকাশের সময় : ১০:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় সম্বলিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দেড় বছরে ঢাবি কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন প্রকাশ করা হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সব হলের প্রভোস্ট এবং ডাকসু ও হল সংসদ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান জানান, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—আবাসন সংকটের সমাধান ও প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের আবাসন নিশ্চিতকরণ, র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০০ ধাপ উন্নতি, প্রথমবারের মতো ইউনেস্কো চেয়ার স্থাপন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে রিসোর্সের পরিমাণ বৃদ্ধি, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন বন্ধে উদ্যোগ, মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুবিধা প্রদান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ইত্যাদি

উপাচার্য বলেন, এ সময়ে আমাদের অন্যতম বড় সাফল্য সুন্দরভাবে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন। তিনি বলেন, নিয়মিত ডাকসু আয়োজনের লক্ষ্যে অচিরেই ডাকসুকে ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আমরা যতটুকু এসেছি আপনাদের সহযোগিতায় এসেছি। এটা (ঢাবি) জাতীয় প্রতিষ্ঠান। জাতি যেন এটি থেকে তাদের ন্যায্য হিস্যা বুঝে নেয়।

এ সময় ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ বছর মেয়াদি মেগা প্রকল্পের আউটলুক প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। জানা যায়, প্রকল্পের অধীনে সর্বমোট ৩১টি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ছয়টি ছাত্র হল ও চারটি ছাত্রী হলের পুরাতন ভবন ভেঙে নতুন বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়া এই প্রকল্পের অধীনে রয়েছে প্রশাসনিক ভবন আধুনিকায়ন, অটোমান ডিজাইনে কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণ করে সেটিকে কালচারাল সেন্টারে রূপদান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও ডাকসু ভবনের আধুনিকায়ন ইত্যাদি।

এ সময় শিক্ষক মূল্যায়ন চালু সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, এটি চালুর কাছাকাছি পর্যায়ে আছে। ডাকসু এটি নিয়ে কাজ করছে। এছাড়া শিক্ষক মূল্যায়নের জন্য সিন্ডিকেট থেকে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার বিষয়ে ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, নিয়োগ নিয়ে ফুল স্কেল রিভিউ কমিটি করা হয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের জন্য আলাদা দুটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও বেশি স্বচ্ছ হবে।