Dhaka শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন করবে বিএনপি : মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : 

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিএনপি সরকার গঠন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন হবে। বিএনপি সব দলকে নিয়ে পার্লামেন্টে যাবে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদে বিএনপি যে বিষয়গুলোতে সই করেছে, ধাপে ধাপে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি বিএনপির ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফাও বাস্তবায়ন করা হবে। যখন গণতন্ত্র চাপা থাকে, তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে। তারা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। দেশে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা বলেন, যখন গণতন্ত্র চাপা থাকে, তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে। তারা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। দেশে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি কখনো জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ বিএনপি সবসময় জনগণের রাজনীতি করেছে। এটাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি সরকারে ছিল, সরকার হিসেবে কাজ করেছে। বিএনপির কথাগুলো যখন গ্রহণ করেছে তখন এমন বিজয় হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবসময় কমিটমেন্টে অটুট থাকি। ফ্যাস্টিটদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছে তাদেরকে নিয়ে আমরা নির্বাচন করেছি। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সরকার গঠন করব।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট করেছে। বিএনপি তিনভাগের ২ ভাগ মেজরিটি পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু সৎ ও কল্যাণমুখী রাজনীতির মধ্য দিয়ে সমস্ত অপপ্রবণতাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে যেটুকু উত্থান হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর, সেটা আওয়ামী লীগের কারণে। তাদের দমন-পীড়নমূলক যে শাসন, বিরোধী দলকে ফাংশন করতে না দেওয়া। তাদের ইনোসিয়েট করতে না দেওয়া। তার কারণে এমন হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট করেছে। বিএনপি তিনভাগের ২ ভাগ মেজরিটি পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু, সৎ ও কল্যাণমুখি রাজনীতির মধ্য দিয়ে সমস্ত অপপ্রবণতাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি কখনো জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ বিএনপি সবসময় জনগণের রাজনীতি করেছে। এটাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি সরকারে ছিল, সরকার হিসেবে কাজ করেছে। বিএনপির কথাগুলো যখন গ্রহণ করেছে তখন এমন বিজয় হয়েছে।

নির্বাচনে বিএনপির বিশাল বিজয় প্রসঙ্গে বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখতে হবে, বিএনপি কখনোই একটা ক্যাডারভিত্তিক পলিটিক্যাল পার্টি নয়, বিএনপি একটা গণভিত্তিসম্পন্ন পলিটিক্যাল পার্টি। এ রকম একটা পার্টির যে চরিত্র থাকে সেই চরিত্র নিয়েই বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করেছে। তারা সরকারে থেকেছে। বিএনপির যে ম্যানিফেস্টো, বিএনপির যে ভিশনগুলো, বিএনপির যে রাষ্ট্র সংস্কারের কথাগুলো, যে দাবিগুলো, পয়েন্টগুলো সেগুলো জনগণ গ্রহণ করেছে বলেই আজকের এই ভূমিধস বিজয় হয়েছে। এই বিজয়কে এভাবে মূল্যায়ন করতে হবে যে বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন থেকে দলটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তখন থেকে কখনোই বিএনপি জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ হচ্ছে, বিএনপি সব সময় জনগণের সঙ্গে থেকেছে, জনগণের রাজনীতি করেছে। সেটাই বিএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সব সময় আমাদের প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে অটল থাকি। আমরা যাদের সঙ্গে বিগত দিনগুলোতে রাস্তায় যুগপৎ আন্দোলন করেছি, তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা নির্বাচন করেছি, তাদের নিয়েই আমরা সরকার গঠন করবো।’

জামায়াতে ইসলামীর উত্থানকে আপনারা কীভাবে দেখেন- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন এই উত্থানের কারণ। এটা একটা বিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দর্শন যে যখনই গণতন্ত্র চাপা থাকে, তার কণ্ঠকে রুদ্ধ করা হয়, তখন অন্য উগ্রবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আজকে জামায়াতের যে উত্থান হয়েছে সেটা আওয়ামী লীগের কারণেই ঘটেছে। তাদের যে দমন-পীড়ন, বিরোধী দলকে কাজ করতে না দেওয়া, তাদের নির্বাচন করতে না দেওয়া, যার ফলে এটা ঘটেছে।

এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ওরা যেটা করেছে, এটা খুব ভয়ংকর : মির্জা আব্বাস

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন করবে বিএনপি : মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময় : ০৫:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : 

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিএনপি সরকার গঠন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন হবে। বিএনপি সব দলকে নিয়ে পার্লামেন্টে যাবে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদে বিএনপি যে বিষয়গুলোতে সই করেছে, ধাপে ধাপে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি বিএনপির ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফাও বাস্তবায়ন করা হবে। যখন গণতন্ত্র চাপা থাকে, তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে। তারা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। দেশে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা বলেন, যখন গণতন্ত্র চাপা থাকে, তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে। তারা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। দেশে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি কখনো জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ বিএনপি সবসময় জনগণের রাজনীতি করেছে। এটাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি সরকারে ছিল, সরকার হিসেবে কাজ করেছে। বিএনপির কথাগুলো যখন গ্রহণ করেছে তখন এমন বিজয় হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবসময় কমিটমেন্টে অটুট থাকি। ফ্যাস্টিটদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছে তাদেরকে নিয়ে আমরা নির্বাচন করেছি। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সরকার গঠন করব।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট করেছে। বিএনপি তিনভাগের ২ ভাগ মেজরিটি পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু সৎ ও কল্যাণমুখী রাজনীতির মধ্য দিয়ে সমস্ত অপপ্রবণতাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে যেটুকু উত্থান হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর, সেটা আওয়ামী লীগের কারণে। তাদের দমন-পীড়নমূলক যে শাসন, বিরোধী দলকে ফাংশন করতে না দেওয়া। তাদের ইনোসিয়েট করতে না দেওয়া। তার কারণে এমন হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট করেছে। বিএনপি তিনভাগের ২ ভাগ মেজরিটি পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু, সৎ ও কল্যাণমুখি রাজনীতির মধ্য দিয়ে সমস্ত অপপ্রবণতাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি কখনো জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ বিএনপি সবসময় জনগণের রাজনীতি করেছে। এটাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি সরকারে ছিল, সরকার হিসেবে কাজ করেছে। বিএনপির কথাগুলো যখন গ্রহণ করেছে তখন এমন বিজয় হয়েছে।

নির্বাচনে বিএনপির বিশাল বিজয় প্রসঙ্গে বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখতে হবে, বিএনপি কখনোই একটা ক্যাডারভিত্তিক পলিটিক্যাল পার্টি নয়, বিএনপি একটা গণভিত্তিসম্পন্ন পলিটিক্যাল পার্টি। এ রকম একটা পার্টির যে চরিত্র থাকে সেই চরিত্র নিয়েই বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করেছে। তারা সরকারে থেকেছে। বিএনপির যে ম্যানিফেস্টো, বিএনপির যে ভিশনগুলো, বিএনপির যে রাষ্ট্র সংস্কারের কথাগুলো, যে দাবিগুলো, পয়েন্টগুলো সেগুলো জনগণ গ্রহণ করেছে বলেই আজকের এই ভূমিধস বিজয় হয়েছে। এই বিজয়কে এভাবে মূল্যায়ন করতে হবে যে বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন থেকে দলটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তখন থেকে কখনোই বিএনপি জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ হচ্ছে, বিএনপি সব সময় জনগণের সঙ্গে থেকেছে, জনগণের রাজনীতি করেছে। সেটাই বিএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সব সময় আমাদের প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে অটল থাকি। আমরা যাদের সঙ্গে বিগত দিনগুলোতে রাস্তায় যুগপৎ আন্দোলন করেছি, তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা নির্বাচন করেছি, তাদের নিয়েই আমরা সরকার গঠন করবো।’

জামায়াতে ইসলামীর উত্থানকে আপনারা কীভাবে দেখেন- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন এই উত্থানের কারণ। এটা একটা বিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দর্শন যে যখনই গণতন্ত্র চাপা থাকে, তার কণ্ঠকে রুদ্ধ করা হয়, তখন অন্য উগ্রবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আজকে জামায়াতের যে উত্থান হয়েছে সেটা আওয়ামী লীগের কারণেই ঘটেছে। তাদের যে দমন-পীড়ন, বিরোধী দলকে কাজ করতে না দেওয়া, তাদের নির্বাচন করতে না দেওয়া, যার ফলে এটা ঘটেছে।

এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।