Dhaka শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১২ ঘণ্টা পর রাঙামাটির সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল শুরু

রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি : 

দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাঙামাটি থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানসহ সব রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

সৌদিয়া পরিবহনের সঙ্গে টোকেন দ্বন্দ্বে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল থেকে রাঙামাটির সঙ্গে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। বিআরটিসি বাস চালানোর চেষ্টা করলে সেটিও বন্ধ করে দেয়। এতে বিপাকে পড়ে এই রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে মালিক সমিতির নেতারা সন্ধ্যা ৬টা থেকে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে সকাল ৬টা থেকে সৌদিয়া পরিবহন ও রাঙামাটি বাস মালিক সমিতির টোকেন দ্বন্দ্বে রাঙামাটির সঙ্গে সব জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি। সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। অবশেষে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ সন্ধ্যা ৬টা থেকে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত দেন।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সভা শেষে সন্ধ্যা ৬টা থেকে বাস চলাচল শুরু হয়

চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মো. সৈয়দ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসনের অনুরোধসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তীতে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবো আমরা।’

চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, সৌদিয়া পরিবহন তাদের একটি বাস রাঙামাটি-ঢাকা রুটে যাত্রী পরিবহন শুরু করে। কিন্তু চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মালিক সমিতিতে টোকেন ফি জমা দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা তারা দেয়নি। এতে বুধবার সমিতির নেতৃবৃন্দ সৌদিয়া কাউন্টার বন্ধ করে দেয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা চালু করা হয়। এর প্রতিবাদে কোনও প্রকার ঘোষণা ছাড়াই সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় মালিক সমিতি।

পূর্বঘোষণা ছাড়া হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রীরা। এ সময় যাত্রীরা মোটর মালিক সমিতির সিন্ডিকেটকে দায়ী করে এটি ভেঙে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান।

চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মো. সৈয়দ হোসেন বলেন, নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায়, প্রশাসনের অনুরোধসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তীতে প্রশাসনের সাথে আলোচনা হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ময়মনসিংহে মিনি বাস উল্টে চালকের সহকারীসহ নিহত ২

১২ ঘণ্টা পর রাঙামাটির সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল শুরু

প্রকাশের সময় : ১০:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি : 

দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাঙামাটি থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানসহ সব রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

সৌদিয়া পরিবহনের সঙ্গে টোকেন দ্বন্দ্বে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল থেকে রাঙামাটির সঙ্গে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। বিআরটিসি বাস চালানোর চেষ্টা করলে সেটিও বন্ধ করে দেয়। এতে বিপাকে পড়ে এই রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে মালিক সমিতির নেতারা সন্ধ্যা ৬টা থেকে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে সকাল ৬টা থেকে সৌদিয়া পরিবহন ও রাঙামাটি বাস মালিক সমিতির টোকেন দ্বন্দ্বে রাঙামাটির সঙ্গে সব জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি। সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। অবশেষে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ সন্ধ্যা ৬টা থেকে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত দেন।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সভা শেষে সন্ধ্যা ৬টা থেকে বাস চলাচল শুরু হয়

চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মো. সৈয়দ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসনের অনুরোধসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তীতে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবো আমরা।’

চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, সৌদিয়া পরিবহন তাদের একটি বাস রাঙামাটি-ঢাকা রুটে যাত্রী পরিবহন শুরু করে। কিন্তু চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মালিক সমিতিতে টোকেন ফি জমা দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা তারা দেয়নি। এতে বুধবার সমিতির নেতৃবৃন্দ সৌদিয়া কাউন্টার বন্ধ করে দেয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা চালু করা হয়। এর প্রতিবাদে কোনও প্রকার ঘোষণা ছাড়াই সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় মালিক সমিতি।

পূর্বঘোষণা ছাড়া হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রীরা। এ সময় যাত্রীরা মোটর মালিক সমিতির সিন্ডিকেটকে দায়ী করে এটি ভেঙে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান।

চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মো. সৈয়দ হোসেন বলেন, নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায়, প্রশাসনের অনুরোধসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তীতে প্রশাসনের সাথে আলোচনা হবে।