Dhaka শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সূর্যকুমারের সেঞ্চুরিতে হায়দরাবাদকে হারাল মুম্বাই

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪
  • ১৯৭ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে জিততে দরকার ছয় রান, বল বাকি ১৭টি! মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জয় তখন সময়ের ব্যাপার। তারপরও ম্যাচে উত্তেজনা। সূর্যকুমার যাদব সেঞ্চুরি থেকে যে ৪ রান দূরে! টি-টোয়েন্টির শীর্ষ ব্যাটার রাজকীয় সমাপ্তি টানলেন। টি নটরাজনের নিচু ফুল টস বল ডিপ এক্সট্রা কাভার দিয়ে উড়িয়ে মারলেন। ড্রেসিংরুমে তখন আনন্দের জোয়ার। ওই ছয়ে সূর্যকুমার সেঞ্চুরি উদযাপন করলেন এবং চার ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেলো মুম্বাই।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সূর্যকুমারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আধিপত্য দেখিয়ে ফর্মে থাকা হায়দরাবাদকে হারালো মুম্বাই। ৭ উইকেটের জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানি থেকে উঠে নবম স্থানে পাঁচবারের সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। আর হায়দরাবাদ আগের ১২ পয়েন্টে চতুর্থ স্থানে।

নির্দিষ্ট রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বাই। দলীয় ৩১ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পরে স্বাগতিকরা। ঈশান কিশান আউট হন মাত্র ৯ রানে। মার্কো ইয়ানসেনের বলে মায়াঙ্ক আগারওয়ালের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। কিশানের ফেরার কিছুক্ষণ পর বিদায় নেন রোহিত শর্মাও। ব্যক্তিগত ৪ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ক্লাসেনের হাতে ক্যাচে পড়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন রোহিত। এরপর ক্রিজে আসেন নামান ধীর। ৯ বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন তিনি। ভুবেনেশ্বর কুমারের বলে ইয়ানসেনের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনি। এরপর যেনো মুম্বাইয়ের দায়িত্ব তুলে নেন সুরিয়া কুমার যাদব। ৫১ বলে অপরাজিত ১০২ রানের টর্নেডো ইনিংসে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। সূর্যের ইনিংসে ছিলো ১২টি চার ও ৬টি ছক্কার একেকটি দৃষ্টিনন্দন শট। সাথে সঙ্গ দেন ৩২ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকা তিলক।

এর আগে, টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার ট্রাভিস হেডের ৪৮, নিতিশ রেড্ডির ২০ ও শেষদিকে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের অপরাজিত ৩৫ এ ভর করে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পায় হায়দরাবাদ। মুম্বাইয়ের পক্ষে হার্দিক পান্ডিয়া ও পিযূস চাউলা তুলে নেন ৩টি করে উইকেট। এছাড়া ১টি করে উইকেট পান জাসপ্রিত বুমরাহ ও কামবোজ।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫৬ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় তারা। তা ভাঙে জাসপ্রিত বুমরাহর বলে অভিষেক শর্মা ১১ রানে ফিরলে। এরপর অবশ্য ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। দারুণ শুরু পেলেও ফিফটি না ছুঁয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় ট্রাভিস হেডকে। ৩০ বলে ৪৮ রানে ফেরেন তিনি। দেড়শ পেরোনোও যখন মুশকিল হচ্ছিল তখন ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে যান কামিন্স। তার ১৭ বলে ২ ছক্কা ও ২ চারে অপরাজিত ৩৫ রানের ক্যামিও ইনিংসে কিছুটা লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় হায়দরাবাদ। মুম্বাইয়ের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন পিযুষ চাওলা ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। এছাড়া বুমরাহ ও আনশুলের শিকার একটি করে উইকেট। বোলারদের দারুণ পারফরম্যান্সকে পরে বৃথা যাওয়ার কোনো সুযোগই দেননি সূর্য।

এই জয়ের পর ১২ ম্যাচে ৮ পয়েন্টের সঙ্গে তালিকার নবম স্থানে আছে রোহিত-হার্দিকদের দল। কাগজে-কলমের হিসেবে এখনও শীর্ষ চারে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা আছে মুম্বাইয়ের, তবে তা খুব কঠিন। অপরদিকে ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্টের সঙ্গে চারে আছে হায়দরাবাদ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সূর্যকুমারের সেঞ্চুরিতে হায়দরাবাদকে হারাল মুম্বাই

প্রকাশের সময় : ১১:৫৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

স্পোর্টস ডেস্ক : 

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে জিততে দরকার ছয় রান, বল বাকি ১৭টি! মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জয় তখন সময়ের ব্যাপার। তারপরও ম্যাচে উত্তেজনা। সূর্যকুমার যাদব সেঞ্চুরি থেকে যে ৪ রান দূরে! টি-টোয়েন্টির শীর্ষ ব্যাটার রাজকীয় সমাপ্তি টানলেন। টি নটরাজনের নিচু ফুল টস বল ডিপ এক্সট্রা কাভার দিয়ে উড়িয়ে মারলেন। ড্রেসিংরুমে তখন আনন্দের জোয়ার। ওই ছয়ে সূর্যকুমার সেঞ্চুরি উদযাপন করলেন এবং চার ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেলো মুম্বাই।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সূর্যকুমারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আধিপত্য দেখিয়ে ফর্মে থাকা হায়দরাবাদকে হারালো মুম্বাই। ৭ উইকেটের জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানি থেকে উঠে নবম স্থানে পাঁচবারের সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। আর হায়দরাবাদ আগের ১২ পয়েন্টে চতুর্থ স্থানে।

নির্দিষ্ট রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বাই। দলীয় ৩১ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পরে স্বাগতিকরা। ঈশান কিশান আউট হন মাত্র ৯ রানে। মার্কো ইয়ানসেনের বলে মায়াঙ্ক আগারওয়ালের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। কিশানের ফেরার কিছুক্ষণ পর বিদায় নেন রোহিত শর্মাও। ব্যক্তিগত ৪ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ক্লাসেনের হাতে ক্যাচে পড়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন রোহিত। এরপর ক্রিজে আসেন নামান ধীর। ৯ বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন তিনি। ভুবেনেশ্বর কুমারের বলে ইয়ানসেনের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনি। এরপর যেনো মুম্বাইয়ের দায়িত্ব তুলে নেন সুরিয়া কুমার যাদব। ৫১ বলে অপরাজিত ১০২ রানের টর্নেডো ইনিংসে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। সূর্যের ইনিংসে ছিলো ১২টি চার ও ৬টি ছক্কার একেকটি দৃষ্টিনন্দন শট। সাথে সঙ্গ দেন ৩২ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকা তিলক।

এর আগে, টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার ট্রাভিস হেডের ৪৮, নিতিশ রেড্ডির ২০ ও শেষদিকে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের অপরাজিত ৩৫ এ ভর করে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পায় হায়দরাবাদ। মুম্বাইয়ের পক্ষে হার্দিক পান্ডিয়া ও পিযূস চাউলা তুলে নেন ৩টি করে উইকেট। এছাড়া ১টি করে উইকেট পান জাসপ্রিত বুমরাহ ও কামবোজ।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫৬ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় তারা। তা ভাঙে জাসপ্রিত বুমরাহর বলে অভিষেক শর্মা ১১ রানে ফিরলে। এরপর অবশ্য ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। দারুণ শুরু পেলেও ফিফটি না ছুঁয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় ট্রাভিস হেডকে। ৩০ বলে ৪৮ রানে ফেরেন তিনি। দেড়শ পেরোনোও যখন মুশকিল হচ্ছিল তখন ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে যান কামিন্স। তার ১৭ বলে ২ ছক্কা ও ২ চারে অপরাজিত ৩৫ রানের ক্যামিও ইনিংসে কিছুটা লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় হায়দরাবাদ। মুম্বাইয়ের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন পিযুষ চাওলা ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। এছাড়া বুমরাহ ও আনশুলের শিকার একটি করে উইকেট। বোলারদের দারুণ পারফরম্যান্সকে পরে বৃথা যাওয়ার কোনো সুযোগই দেননি সূর্য।

এই জয়ের পর ১২ ম্যাচে ৮ পয়েন্টের সঙ্গে তালিকার নবম স্থানে আছে রোহিত-হার্দিকদের দল। কাগজে-কলমের হিসেবে এখনও শীর্ষ চারে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা আছে মুম্বাইয়ের, তবে তা খুব কঠিন। অপরদিকে ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্টের সঙ্গে চারে আছে হায়দরাবাদ।