Dhaka বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘সপ্তাহে তিন দিন অফিস চালুর’ কথিত স্মারক ভুয়া, বলল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন এবং সপ্তাহে তিন দিন অফিস চালুর সংক্রান্ত একটি কথিত স্মারক পত্রকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মানসুর হোসেনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়কল্পে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন ও সপ্তাহে ৩ দিন অফিস পরিচালনা প্রসঙ্গে গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ০৫.০০.০০০০.১১০.২২.০৪৫.২৬.১২০ নম্বর স্মারকে একটি স্মারকপত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের কোনো পত্র জারি করা হয়নি। এ বিষয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ এবং অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা থাকলেও তার আগের দিন বুধবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে হোম অফিস সংক্রান্ত একটি ভুয়া পত্র ছড়িয়ে পড়ে।

সেখানে বলা হয়, আগামী ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর কর্মচারীরা সপ্তাহের দুদিন ওয়ার্ক ফর্ম হোম বা বাড়ি থেকে কাজ করবেন। বাকি তিন দিন অফিস খোলা থাকবে। এই তিন দিন হলো রবি, সোম ও মঙ্গলবার। বুধ ও বৃহস্পতিবার কর্মচারীরা কাজ করবেন বাড়ি থেকে। সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবার।

তাতে আরও বলা হয়েছে, যে তিন দিন সরকারি দফতর খোলা থাকবে সেই দিনগুলোতে সকাল ৮টায় অফিস শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বাকি দুদিন দাফতরিক কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে সম্পন্ন করতে হবে।

তবে জরুরি পরিষেবা দানকারী সংস্থাসমূহ (হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ ইত্যাদি) এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে এবং তাদের নিজস্ব বিধি মোতাবেক নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পত্রে জানানো হয়।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

চার মাসেই ‘ধাক্কা’, বন্ধ রাবির ই-কার সেবা

‘সপ্তাহে তিন দিন অফিস চালুর’ কথিত স্মারক ভুয়া, বলল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

প্রকাশের সময় : ১২:২২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন এবং সপ্তাহে তিন দিন অফিস চালুর সংক্রান্ত একটি কথিত স্মারক পত্রকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মানসুর হোসেনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়কল্পে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন ও সপ্তাহে ৩ দিন অফিস পরিচালনা প্রসঙ্গে গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ০৫.০০.০০০০.১১০.২২.০৪৫.২৬.১২০ নম্বর স্মারকে একটি স্মারকপত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের কোনো পত্র জারি করা হয়নি। এ বিষয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ এবং অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা থাকলেও তার আগের দিন বুধবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে হোম অফিস সংক্রান্ত একটি ভুয়া পত্র ছড়িয়ে পড়ে।

সেখানে বলা হয়, আগামী ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর কর্মচারীরা সপ্তাহের দুদিন ওয়ার্ক ফর্ম হোম বা বাড়ি থেকে কাজ করবেন। বাকি তিন দিন অফিস খোলা থাকবে। এই তিন দিন হলো রবি, সোম ও মঙ্গলবার। বুধ ও বৃহস্পতিবার কর্মচারীরা কাজ করবেন বাড়ি থেকে। সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবার।

তাতে আরও বলা হয়েছে, যে তিন দিন সরকারি দফতর খোলা থাকবে সেই দিনগুলোতে সকাল ৮টায় অফিস শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বাকি দুদিন দাফতরিক কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে সম্পন্ন করতে হবে।

তবে জরুরি পরিষেবা দানকারী সংস্থাসমূহ (হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ ইত্যাদি) এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে এবং তাদের নিজস্ব বিধি মোতাবেক নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পত্রে জানানো হয়।