Dhaka সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের আহ্বান ইইউ রাষ্ট্রদূতদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে ঢাকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা বৈঠক করেন।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করি নতুন সরকার এটা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। নতুন সরকারের সঙ্গে ইইউর উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অভিবাসন, মানবিক বিষয়াবলি, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে কিভাবে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

মাইকেল মিলার বলেন, আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার। এই দেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী, সহায়তা প্রদানকারী এবং নতুন নির্বাচিত সরকারের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অংশীদার হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। আমরা আমাদের বৈঠক নিয়ে আনন্দিত। ইইউ বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

নতুন অধ্যায় বলতে কি বোঝাতে চান-এমন প্রশ্নে ইইউর রাষ্ট্রদূত বলেন, কোনো বিষয় আলোচনার টেবিলের বাহিরে ছিল না। আমরা ইইউ ও বাংলাদেশ সম্পর্কের বিস্তৃত পরিসর নিয়ে কথা বলেছি। এর মধ্যে উন্নয়ন, মানবিক বিষয়, অভিবাসনের মতো বিষয় ছিল।

নতুন সরকারের সঙ্গে কোন কোন বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবে ইইউ, জানতে চাইলে মাইকেল মিলার বলেন, নতুন সরকারকে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সময়ে শরু হওয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে জোর দেওয়া হবে। আমরা বিচার বিভাগীয় সংস্কার, বাণিজ্যিক আদালতের পরিবর্তে অভিবাসন ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এগুলো সবই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা ইইউ বাংলাদেশ সম্পর্কের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চাই।

অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ) করার বিষয়ে শিগগিরই আলোচনা শুরুর বিষয়ে ইইউর রাষ্ট্রদূত বলেন, আজ সমস্ত বিষয় আলোচনার টেবিলে ছিল। এটি সত্যিই একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক ছিল। আমাদের অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতা চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার খুব কাছাকাছি। আমরা আশা করি যে, আমরা নিকটতম ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে এটি স্বাক্ষর করতে পারব।

মানবাধিকার, বাক স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সবগুলো বিষয় তুলে ধরেছি।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বিচ্ছিন্নভাবে নয় সম্মিলিতভাবে তিস্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের আহ্বান ইইউ রাষ্ট্রদূতদের

প্রকাশের সময় : ০৩:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে ঢাকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা বৈঠক করেন।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করি নতুন সরকার এটা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। নতুন সরকারের সঙ্গে ইইউর উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অভিবাসন, মানবিক বিষয়াবলি, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে কিভাবে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

মাইকেল মিলার বলেন, আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার। এই দেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী, সহায়তা প্রদানকারী এবং নতুন নির্বাচিত সরকারের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অংশীদার হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। আমরা আমাদের বৈঠক নিয়ে আনন্দিত। ইইউ বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

নতুন অধ্যায় বলতে কি বোঝাতে চান-এমন প্রশ্নে ইইউর রাষ্ট্রদূত বলেন, কোনো বিষয় আলোচনার টেবিলের বাহিরে ছিল না। আমরা ইইউ ও বাংলাদেশ সম্পর্কের বিস্তৃত পরিসর নিয়ে কথা বলেছি। এর মধ্যে উন্নয়ন, মানবিক বিষয়, অভিবাসনের মতো বিষয় ছিল।

নতুন সরকারের সঙ্গে কোন কোন বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবে ইইউ, জানতে চাইলে মাইকেল মিলার বলেন, নতুন সরকারকে অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সময়ে শরু হওয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে জোর দেওয়া হবে। আমরা বিচার বিভাগীয় সংস্কার, বাণিজ্যিক আদালতের পরিবর্তে অভিবাসন ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এগুলো সবই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা ইইউ বাংলাদেশ সম্পর্কের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চাই।

অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ) করার বিষয়ে শিগগিরই আলোচনা শুরুর বিষয়ে ইইউর রাষ্ট্রদূত বলেন, আজ সমস্ত বিষয় আলোচনার টেবিলে ছিল। এটি সত্যিই একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক ছিল। আমাদের অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতা চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার খুব কাছাকাছি। আমরা আশা করি যে, আমরা নিকটতম ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে এটি স্বাক্ষর করতে পারব।

মানবাধিকার, বাক স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সবগুলো বিষয় তুলে ধরেছি।