Dhaka বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্যামপুরে স্টিল মিলে বিস্ফোরণে ৮ শ্রমিক দগ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানী ঢাকার শ্যামপুরে একটি স্টিল মিলে বয়লার বিস্ফোরণে আট শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রাখা হয়েছে, বাকি ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল দশটার দিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধরা হলেন- হীরা (৩৫), মানিক (৪৫), রাজিব আলী (২৯), আরশাদ (৪৫), খলিলুর রহমান (৫৬), মো. লিটন (৩২), মতিউর রহমান (২২) ও ইউসুফ (৪০)।

গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

তিনি বলেন, সকাল দশটার দিকে আরএসএম স্টিল মিল থেকে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে আমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাদের মধ্যে হীরার শরীরের ১৭ শতাংশ, মানিকের ৪০ শতাংশ, রাজিব আলির ৪ শতাংশ, আরশাদের ১১ শতাংশ, খলিলুর রহমানের ৯ শতাংশ, লিটনের ৭ শতাংশ, মতিউর রহমানের ১০ শতাংশ ও ইউসুফের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আট জনের মধ্যে ৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মানিকের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ বেশি হয় তাকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে এবং হীরাকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে বলে জানান এই আবাসিক সার্জন।

 

আবহাওয়া

শ্যামপুরে স্টিল মিলে বিস্ফোরণে ৮ শ্রমিক দগ্ধ

প্রকাশের সময় : ০১:৩৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানী ঢাকার শ্যামপুরে একটি স্টিল মিলে বয়লার বিস্ফোরণে আট শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রাখা হয়েছে, বাকি ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল দশটার দিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধরা হলেন- হীরা (৩৫), মানিক (৪৫), রাজিব আলী (২৯), আরশাদ (৪৫), খলিলুর রহমান (৫৬), মো. লিটন (৩২), মতিউর রহমান (২২) ও ইউসুফ (৪০)।

গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

তিনি বলেন, সকাল দশটার দিকে আরএসএম স্টিল মিল থেকে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে আমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাদের মধ্যে হীরার শরীরের ১৭ শতাংশ, মানিকের ৪০ শতাংশ, রাজিব আলির ৪ শতাংশ, আরশাদের ১১ শতাংশ, খলিলুর রহমানের ৯ শতাংশ, লিটনের ৭ শতাংশ, মতিউর রহমানের ১০ শতাংশ ও ইউসুফের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আট জনের মধ্যে ৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মানিকের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ বেশি হয় তাকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে এবং হীরাকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে বলে জানান এই আবাসিক সার্জন।