Dhaka বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে কিন্ডারগার্টেনে শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ১২:১৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৪ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীর পল্টনে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে এক শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দুজন শিক্ষক আনুমানিক চার থেকে পাঁচ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে অফিস রুমে নিয়ে দফায় দফায় নির্যাতন করতে দেখা যায়।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ফেসবুকে অ্যাডভোকেট সালেহ উদ্দিন শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাপি রঙের শাড়ি পরা এক নারী (যাকে শিক্ষক বলে ধারণা করা হচ্ছে) স্কুল ইউনিফর্ম পরিহিত আনুমানিক ৩ থেকে ৪ বছর বয়সী এক শিশুকে টেনে একটি অফিস কক্ষে নিয়ে এসেছেন। এরপর শিশুটিকে একটি টেবিলের পেছনে বসে থাকা এক পুরুষের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। তাকেও শিক্ষক বলে মনে করা হচ্ছে।

ভিডিওতে আরো দেখা যায়, সোফায় বসিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত শিশুটিকে বারবার চড় মারছেন এবং ধমক দিচ্ছেন ওই নারী। এক পর্যায়ে ওই পুরুষ শিক্ষক একটি স্ট্যাপলার হাতে শিশুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে তার মুখে স্ট্যাপল করে দেওয়ার হুমকি দেন। পুরো ঘটনার সময় শিশুটির মধ্যে চরম ভয় ও মানসিক আতঙ্কের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

ঘটনাটি শাস্তির নামে নিষ্ঠুরতার অভিযোগকে আরো জোরালো করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ১৮ জানুয়ারি দুপুর আনুমানিক ১২টা ৫১ মিনিটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকজনকে থানায় ডাকা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মো. ফারাবী জানান, মঙ্গলবার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য শোনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে এখনো পরিবারগুলো মামলা বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করতে সম্মত হয়নি। তারা চাইলে আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে মামলা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, এ বিষয়ে জানতে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শাস্তির নামে এ ধরনের সহিংস আচরণ শিশুদের শারীরিক ক্ষতিই করে। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। তাদের মতে, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সমাজের কোনো স্তরেই শারীরিক শাস্তির বৈধতা নেই।

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন রোধে আইন থাকলেও বাস্তব প্রয়োগে ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশুর প্রতি যেকোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা পারিবারিক বা সামাজিক ‘শৃঙ্খলা রক্ষার’ অজুহাতে ধামাচাপা পড়ে যায়।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার আগ পর্যন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না। ফলে বিচার প্রক্রিয়া দেরিতে শুরু হয় এবং অনেক সময় অভিযুক্তরা শাস্তির বাইরে থেকে যায়। শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা এ ধরনের ঘটনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু বলেন, সচিবালয় থেকে মাত্র কয়েকশ’ গজের দূরত্বে পল্টনের মতো জায়গায় স্কুলে এই ধরনের অমানবিক ঘটনা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এরাও কি শিক্ষক? কোমলমতি শিশুকে দুইজন শিক্ষক মিলে স্কুলের অভ্যন্তরে অমানুষিক নির্যাতন করছে। এদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা এবং শিক্ষা সচিবের দ্রুত দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি স্কুলের ভেতরে শিশু শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ২১ জানুয়ারি ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকজনকে থানায় ডাকা হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, চশমা পরা, ঘিয়ে রঙের প্যান্ট ও ছাঁই রঙের টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তি শিশুটিকে বেধড়ক মারধর করছেন। পাশে গোলাপি শাড়ি পরা এক নারী শিশুটির হাত ধরে রাখেছেন। কিছুক্ষণ পরপর ওই ব্যক্তি এসে শিশুটিকে আঘাত করছেন।

পল্টন থানা পুলিশ জানায়, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তারা ঘটনাস্থল শনাক্ত করেছে। ঘটনাটি নয়াপল্টন এলাকার ‘শারমিন একাডেমি’ নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে। নির্যাতনে জড়িতদের একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শারমিন আক্তার। তাদের থানায় আসার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে তারা শুধু সময় নিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, আমরা অভিভাবকদের ডেকেছিলাম। তারা এসেছিল। এ ধরনের একটা ঘটনা, আমরা অভিযোগ দিতে বলেছি। তারা সময় নিয়েছে, হয়তো আজকে জানাবে। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেব। তিনি জানান, স্কুলটি নয়া পল্টনের গলির ভেতরে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

রাজধানীতে কিন্ডারগার্টেনে শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশের সময় : ১২:১৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীর পল্টনে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে এক শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দুজন শিক্ষক আনুমানিক চার থেকে পাঁচ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে অফিস রুমে নিয়ে দফায় দফায় নির্যাতন করতে দেখা যায়।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ফেসবুকে অ্যাডভোকেট সালেহ উদ্দিন শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাপি রঙের শাড়ি পরা এক নারী (যাকে শিক্ষক বলে ধারণা করা হচ্ছে) স্কুল ইউনিফর্ম পরিহিত আনুমানিক ৩ থেকে ৪ বছর বয়সী এক শিশুকে টেনে একটি অফিস কক্ষে নিয়ে এসেছেন। এরপর শিশুটিকে একটি টেবিলের পেছনে বসে থাকা এক পুরুষের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। তাকেও শিক্ষক বলে মনে করা হচ্ছে।

ভিডিওতে আরো দেখা যায়, সোফায় বসিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত শিশুটিকে বারবার চড় মারছেন এবং ধমক দিচ্ছেন ওই নারী। এক পর্যায়ে ওই পুরুষ শিক্ষক একটি স্ট্যাপলার হাতে শিশুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে তার মুখে স্ট্যাপল করে দেওয়ার হুমকি দেন। পুরো ঘটনার সময় শিশুটির মধ্যে চরম ভয় ও মানসিক আতঙ্কের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

ঘটনাটি শাস্তির নামে নিষ্ঠুরতার অভিযোগকে আরো জোরালো করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ১৮ জানুয়ারি দুপুর আনুমানিক ১২টা ৫১ মিনিটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকজনকে থানায় ডাকা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মো. ফারাবী জানান, মঙ্গলবার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য শোনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে এখনো পরিবারগুলো মামলা বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করতে সম্মত হয়নি। তারা চাইলে আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে মামলা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, এ বিষয়ে জানতে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শাস্তির নামে এ ধরনের সহিংস আচরণ শিশুদের শারীরিক ক্ষতিই করে। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। তাদের মতে, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সমাজের কোনো স্তরেই শারীরিক শাস্তির বৈধতা নেই।

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন রোধে আইন থাকলেও বাস্তব প্রয়োগে ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশুর প্রতি যেকোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা পারিবারিক বা সামাজিক ‘শৃঙ্খলা রক্ষার’ অজুহাতে ধামাচাপা পড়ে যায়।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার আগ পর্যন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না। ফলে বিচার প্রক্রিয়া দেরিতে শুরু হয় এবং অনেক সময় অভিযুক্তরা শাস্তির বাইরে থেকে যায়। শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা এ ধরনের ঘটনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু বলেন, সচিবালয় থেকে মাত্র কয়েকশ’ গজের দূরত্বে পল্টনের মতো জায়গায় স্কুলে এই ধরনের অমানবিক ঘটনা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এরাও কি শিক্ষক? কোমলমতি শিশুকে দুইজন শিক্ষক মিলে স্কুলের অভ্যন্তরে অমানুষিক নির্যাতন করছে। এদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা এবং শিক্ষা সচিবের দ্রুত দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি স্কুলের ভেতরে শিশু শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ২১ জানুয়ারি ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকজনকে থানায় ডাকা হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, চশমা পরা, ঘিয়ে রঙের প্যান্ট ও ছাঁই রঙের টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তি শিশুটিকে বেধড়ক মারধর করছেন। পাশে গোলাপি শাড়ি পরা এক নারী শিশুটির হাত ধরে রাখেছেন। কিছুক্ষণ পরপর ওই ব্যক্তি এসে শিশুটিকে আঘাত করছেন।

পল্টন থানা পুলিশ জানায়, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তারা ঘটনাস্থল শনাক্ত করেছে। ঘটনাটি নয়াপল্টন এলাকার ‘শারমিন একাডেমি’ নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে। নির্যাতনে জড়িতদের একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শারমিন আক্তার। তাদের থানায় আসার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে তারা শুধু সময় নিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, আমরা অভিভাবকদের ডেকেছিলাম। তারা এসেছিল। এ ধরনের একটা ঘটনা, আমরা অভিযোগ দিতে বলেছি। তারা সময় নিয়েছে, হয়তো আজকে জানাবে। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেব। তিনি জানান, স্কুলটি নয়া পল্টনের গলির ভেতরে।