Dhaka শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না : শিক্ষামন্ত্রী

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি : 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বরং শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে ঠিক আছে কি না, এটা দেখার জন্য প্রথম যাচাই-বাছাই করবে ইউএনও, তারপর করবে ডিসি, তারপর তিনটি নাম পাঠাবে স্ব স্ব বোর্ডে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা কচুয়ায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এহছানুল হক মিলন বলেন, কয়েক ধাপে যাচাই-বাছাই করে উপযুক্ত ব্যক্তি শিক্ষিত, সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী কি না সেটা আমরা দেখার চিন্তা করছি। অনেক ক্ষেত্রে যারা শিক্ষানুরাগী, তাদের বিশেষ অবদান রয়েছে। এই অবদান যাদের রয়েছে বা যারা ডিপ্লোমাধারী ইঞ্জিনিয়ার, তারা তো ডিগ্রি পাস না। এ ধরনের যারা শিক্ষানুরাগী, শিক্ষিত, তাদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, সেই আলোচনা করেছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আলোচনা শেষে আমরা বলেছি, এমপি, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব। তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব কীভাবে শিক্ষার মান উন্নয়নে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্ব আরও বাড়ে। কোথাও বলা হয়নি শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হবে।

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে মন্তব্য করে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাকে একজন সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্রছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি যেখানে যাব, সেখানে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষার্থীদের কষ্ট দিয়ে কোনো ধরনের সংবর্ধনা বা শুভেচ্ছা আয়োজন করার প্রয়োজন নেই।

শিক্ষকদের উদ্দেশে নির্দেশনা দিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।

এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করব।

পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

অনুষ্ঠানে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না : শিক্ষামন্ত্রী

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি : 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বরং শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে ঠিক আছে কি না, এটা দেখার জন্য প্রথম যাচাই-বাছাই করবে ইউএনও, তারপর করবে ডিসি, তারপর তিনটি নাম পাঠাবে স্ব স্ব বোর্ডে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা কচুয়ায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এহছানুল হক মিলন বলেন, কয়েক ধাপে যাচাই-বাছাই করে উপযুক্ত ব্যক্তি শিক্ষিত, সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী কি না সেটা আমরা দেখার চিন্তা করছি। অনেক ক্ষেত্রে যারা শিক্ষানুরাগী, তাদের বিশেষ অবদান রয়েছে। এই অবদান যাদের রয়েছে বা যারা ডিপ্লোমাধারী ইঞ্জিনিয়ার, তারা তো ডিগ্রি পাস না। এ ধরনের যারা শিক্ষানুরাগী, শিক্ষিত, তাদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, সেই আলোচনা করেছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আলোচনা শেষে আমরা বলেছি, এমপি, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব। তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব কীভাবে শিক্ষার মান উন্নয়নে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্ব আরও বাড়ে। কোথাও বলা হয়নি শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হবে।

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে মন্তব্য করে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাকে একজন সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্রছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি যেখানে যাব, সেখানে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষার্থীদের কষ্ট দিয়ে কোনো ধরনের সংবর্ধনা বা শুভেচ্ছা আয়োজন করার প্রয়োজন নেই।

শিক্ষকদের উদ্দেশে নির্দেশনা দিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।

এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করব।

পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

অনুষ্ঠানে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।