সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) উপজেলা প্রতিনিধি :
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। এতে দেশের অন্যতম ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সেতু দিয়ে ৫২ হাজারেরও বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে সরকারের বড় অঙ্কের টোল আদায় হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) ভিটিকান্দি সড়ক উপ-বিভাগের তথ্যমতে, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) গত ২৪ ঘণ্টায় মেঘনা ও গোমতী সেতু টোল প্লাজা দিয়ে মোট ৫২ হাজার ৮৫৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এসময় টোল আদায় হয়েছে মোট ১ কোটি ৩৬ লাখ ২৫ হাজার ৬৩৯ টাকা।
ভিটিকান্দি সড়ক উপ-বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনির হোসেন এ বিপুল পরিমাণ যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সরকার ঘোষিত টানা সাত দিনের ছুটির দ্বিতীয় দিন বুধবার (১৮ মার্চ)। সকাল থেকে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে কয়েকগুণ। তবে যানবাহনের চাপ দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে বড় ধরনের কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি। যাত্রীরা অনেকটা স্বস্তিতেই তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।
এদিকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে তৎপর রয়েছে হাইওয়ে পুলিশ ও র্যাব।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, ঈদযাত্রায় ভোগান্তি এড়াতে সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা সেতু এলাকা পর্যন্ত আমাদের ১২৪ জন পুলিশ সদস্য নিরলসভাবে কাজ করছেন।
নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো প্রকার গাফিলতি নেই। আশা করছি এবার কোনো বড় ধরনের যানজট ছাড়াই মানুষ বাড়ি ফিরতে পারবেন।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষ্ণু চন্দ্র শর্মা বলেন, ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অনেক বেড়েছে। তবে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছি। কোথাও যাতে যানজট সৃষ্টি না হয়, সেজন্য নিয়মিত টহল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) উপজেলা প্রতিনিধি 



















