Dhaka রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি আমার এলাকাকে শেষ করে দিয়েছে : মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেন, গত ১৭ বছরে তার নির্বাচনী এলাকা মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে তিনি ক্ষমতায় গেলে এলাকাকে এসব অপরাধ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করার অঙ্গীকার করেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দিনব্যাপী রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ নির্বাচনি এলাকায় গণসংযোগের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমার এলাকাকে মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত করব— এটাই আমার প্রতিশ্রুতি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্য দল ও সরকারের কিছু মহলের বক্তব্যে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু কথা শুনে মনে হচ্ছে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেছেন, ঢাকা শহরে তারা আমাদের একটি সিটও দেবে না। প্রশ্ন হলো, সিট দেওয়ার মালিক তারা কে? আল্লাহ এবং জনগণই এই দেশের সিটের মালিক।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আমাকে ঘায়েল করতে তারা সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করছে। মিথ্যা ডকুমেন্ট ছড়ানো হচ্ছে, এআই দিয়ে ভুয়া কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। বটবাহিনী দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ভরে ফেলা হয়েছে। এই শ্রেণির মানুষ জাতির জন্য কখনোই কল্যাণকর হতে পারে না।

মির্জা আব্বাস বলেন, তারা অগণতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারী বক্তব্য দিচ্ছে। বিশেষ কোনো শক্তি তাদের পেছনে কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা চলছে, তবে জনগণ তা প্রতিহত করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঁদাবাজি নিয়ে ডকুমেন্টারি দেখানো হচ্ছে- এক সাংবাদিক এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, একজন মানুষকে ঘায়েল করতে যেসব অস্ত্র দরকার তারা সব ব্যবহার করছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে মিথ্যা ডকুমেন্টারি বানানো হচ্ছে, বট দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে ফেলা হয়েছে। এসবের কোনো সত্যতা নেই। এই শ্রেণীর লোকেরা জাতির সামনে মিথ্যা বলে। আমরা তাদের ৭১, ৮৬ সালে দেখেছি। তারা জাতির জন্য কখনো উপকারী নয়।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি চাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। কিন্তু কিছু দলের কথাবার্তা ও সরকারের একটি মহলের আচরণে মনে হচ্ছে ‘সামথিং ইজ রং, কুছ কালা হ্যায়’। তবে বাংলাদেশের জনগণ সবসময় সচেতন ও প্রতিবাদী।

তিনি বলেন, ৭১ সালে খালি পায়ে লুঙ্গি পরে জনগণ পাকবাহিনীকে পরাজিত করেছে। আমরা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করেছি, এরশাদকে প্রতিহত করেছি, এবারও সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত হবে ইনশাআল্লাহ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হলে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে : তারেক রহমান

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি আমার এলাকাকে শেষ করে দিয়েছে : মির্জা আব্বাস

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেন, গত ১৭ বছরে তার নির্বাচনী এলাকা মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে তিনি ক্ষমতায় গেলে এলাকাকে এসব অপরাধ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করার অঙ্গীকার করেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দিনব্যাপী রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ নির্বাচনি এলাকায় গণসংযোগের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমার এলাকাকে মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত করব— এটাই আমার প্রতিশ্রুতি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্য দল ও সরকারের কিছু মহলের বক্তব্যে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু কথা শুনে মনে হচ্ছে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেছেন, ঢাকা শহরে তারা আমাদের একটি সিটও দেবে না। প্রশ্ন হলো, সিট দেওয়ার মালিক তারা কে? আল্লাহ এবং জনগণই এই দেশের সিটের মালিক।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আমাকে ঘায়েল করতে তারা সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করছে। মিথ্যা ডকুমেন্ট ছড়ানো হচ্ছে, এআই দিয়ে ভুয়া কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। বটবাহিনী দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ভরে ফেলা হয়েছে। এই শ্রেণির মানুষ জাতির জন্য কখনোই কল্যাণকর হতে পারে না।

মির্জা আব্বাস বলেন, তারা অগণতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারী বক্তব্য দিচ্ছে। বিশেষ কোনো শক্তি তাদের পেছনে কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা চলছে, তবে জনগণ তা প্রতিহত করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঁদাবাজি নিয়ে ডকুমেন্টারি দেখানো হচ্ছে- এক সাংবাদিক এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, একজন মানুষকে ঘায়েল করতে যেসব অস্ত্র দরকার তারা সব ব্যবহার করছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে মিথ্যা ডকুমেন্টারি বানানো হচ্ছে, বট দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে ফেলা হয়েছে। এসবের কোনো সত্যতা নেই। এই শ্রেণীর লোকেরা জাতির সামনে মিথ্যা বলে। আমরা তাদের ৭১, ৮৬ সালে দেখেছি। তারা জাতির জন্য কখনো উপকারী নয়।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি চাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। কিন্তু কিছু দলের কথাবার্তা ও সরকারের একটি মহলের আচরণে মনে হচ্ছে ‘সামথিং ইজ রং, কুছ কালা হ্যায়’। তবে বাংলাদেশের জনগণ সবসময় সচেতন ও প্রতিবাদী।

তিনি বলেন, ৭১ সালে খালি পায়ে লুঙ্গি পরে জনগণ পাকবাহিনীকে পরাজিত করেছে। আমরা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করেছি, এরশাদকে প্রতিহত করেছি, এবারও সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত হবে ইনশাআল্লাহ।