Dhaka শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ময়লার ভাগাড়ের পাশে বসে ইশতেহার ঘোষণা করলেন মিজানুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ (শ্যামপুর, কদমতলী ও যাত্রাবাড়ি আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান তার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে জুরাইন-দয়াগঞ্জ সড়কের পাশে মুন্সিবাড়ী মোড়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি ইশতেহার ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনের স্থান হিসেবে অপরিকল্পিত একটি ময়লার ভাগাড় বেছে নেওয়ার বিষয়ে মিজানুর রহমান বলেন, পুরো ঢাকা-৪ এলাকাই অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় কার্যত একটি ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। প্রতীকীভাবে এই বাস্তবতা তুলে ধরতেই তিনি সমস্যাপীড়িত স্থানে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

ইশতেহারে তিনি এলাকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে ১৮ দফা কর্মসূচি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে-

১) প্রতিটি সম্মলনে মহল্লা সংস্কৃতি ফিরিয়ে এনে গলির ভুক্তভোগী জনগণকে দিয়ে গলি সমাজ গঠনের মাধ্যমে গলির নাগরিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধানে তদারকি ও জবাদিহির কাঠামো গড়ে তোলা।

২) এমপির কাছে পৌঁছানো ও এমপির জবাবদিহির জন্য এমপি হটলাইন ও ওয়েবসাইট চালু।

৩) জলাবদ্ধতা নিরসনে ক্রমাগত রাস্তা উঁচু করে মানুষের বাসাবাড়ি দোকানপাটকে বৃষ্টির পানিতে ডোবানোর ভ্রান্ত উন্নয়নের বদলে সহজ, টেকসই পদ্ধতি ও সুলভে নিয়মিত ড্রেন পরিস্কার রাখার ব্যবস্থা করা।

৪) ৩ মাসের মধ্যে রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ এবং রাস্তা সুরক্ষা চার্টার (ঘোষণাপত্র) প্রকাশ। জনগণের সম্মতি নিয়ে এই এলাকার জন্য রাস্তা সুরক্ষা চার্টার প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করা হবে। সেই চার্টারে এই নিয়ম থাকবে যে এলাকার যেকোন রাস্তা খোঁড়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গলি সমাজের সাথে সমন্বয় করে ৭ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে এসে কাজ শেষ করে রাস্তা যেমন ছিল তেমন করে রেখে যেতে হবে।

৫) পানি সংকট নিয়ে স্থানীয় বিশেষ সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বিলের বিপরীতে সেবা দিতে জনগণকে সাথে নিয়ে ওয়াসাকে বাধ্য করা। গ্যাস বৈষম্য বন্ধ করতে তিতাসকে বাধ্য করা এবং সরাসরি এলপিজি প্রোভাইডারের কাছ থেকে ভ্রাম্যমাণ সিলিন্ডার বিক্রয় ট্রাক আনার মাধ্যমে এলাকায় নায্যমূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৬) প্রতিটি মহল্লার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ওএমএস/টিসিবির সেবা এবং হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত এবং জটিলতাহীনভাবে কার্ড ও পণ্য প্রাপ্তি সেবা নিশ্চিত করা হবে।

৭) পচনশীল (জৈব বর্জ্য), অপচনশীল (রিসাইকেল করা যায় এমন বর্জ্য) ও বিপদজনক বর্জ্য- এই তিন ক্যাটাগরিতে বর্জ্য সংগ্রহ চালু করা।

৮) জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয়ে করে স্কুল, কলেজ, মাদরাসার খেলার মাঠগুলো এবং ঘোষিত সরকারি স্পর্শকাতর স্থাপনা ছাড়া বাকি সকল সরকারি স্থাপনার উন্মুক্ত পরিসরকে বিকাল বেলা ও ছুটির দিনে খেলাধূলা ও অবসর কাটানোর জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৯) রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়া রেললাইন ধরে দুই পাশের উন্মুক্ত স্থানে লক্ষাধিক ছায়াপ্রদানকারী দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারি খাস পতিত জমিতে কিংবা এলাকার যেকোন ফাঁকা স্থানে মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে যেখানেই সম্ভব হয় সেখানেই জাপানের মিয়াওয়াকি ফরেস্ট পদ্ধতিতে ছোট ছোট শহুরে বন তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১০) ময়লা পোড়ানো বন্ধ এবং দূষণকারী কারখানার তালিকা তৈরি ও নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়া।

১১) গলি সমাজের সদস্যরা গলিতে যেকোনও নির্মাণকাজে ধূলা কমানোর, পানি ছিটানোর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা সেটা তদরকি করবে এবং সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে রাস্তা থেকে ধূলার স্তূপ সরানোর ব্যবস্থা করবে।

১২) জনসমাবেশ করার সময় সমাবেশ স্থল ব্যাতীত দূর দূরান্তপর্যন্ত মাইক লাগানোর যে শব্দদূষণকারী চর্চা বিদ্যমান সেটা আমরা গলি সমাজের মাধ্যমে বন্ধ করব।

১৩) ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এলাকার প্রতিটি বাসাবাড়িতে একজন করে ডেঙ্গুযোদ্ধা তৈরি করা হবে, যার কাজ হবে তার বাড়ির চারপাশ পরিস্কার রাখা তদারকি করা। গলিসমাজ প্রত্যেক গলির ডেঙ্গুযোদ্ধাদের নিয়ে গলিতে নিয়মিত মশা নিয়ন্ত্রণ তদারকি অভিযান চালাবে। সিটি কর্পোরেশনকে নিয়মিত ড্রেন পরিস্কার করতে বাধ্য করা হবে।

১৪) নিয়মিত প্রত্যেক ওয়ার্ডে মাসে একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বেচ্ছাসেবক চিকিৎসক দল ও জনগণের সমন্বয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও সরকারি হাসপাতালগুলোকে তদারকির আওতায় আনা।

১৫) ঢাকা-৪ আসনে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ অনিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনগুলোকে মেরামত করার উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুর মানসিক বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এমপির কোটা বাতিল ও সময়মতো ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন। প্রতিটি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত সংখ্যক গণপাঠাগার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকায়/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৬) প্রত্যেক গলির সকল নারীদের একটা নারী নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যাতে কোনও নারীর ওপর কোনও হামলা/হয়রানি হলে গলি/এলাকার সকল নারীরা একসাথে তার পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিহত করতে পারেন।

১৭) হকার, টং দোকানদারকের উচ্ছেদ নয়, সুশৃংখল ব্যবস্থায় আনা।

১৮) জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণী ক্ষেত্রে সংসদে দেশবিরোধী, প্রাণপ্রকৃতি বিরোধী প্রকল্প বন্ধ করতে লড়াই করা। বাজেটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, গোপন চুক্তির বিরোধিতা করা।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

রিয়ালের সামনে আবারো বেনফিকা, চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে-অফে কে কার মুখোমুখি

ময়লার ভাগাড়ের পাশে বসে ইশতেহার ঘোষণা করলেন মিজানুর রহমান

প্রকাশের সময় : ০৯:১৪:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ (শ্যামপুর, কদমতলী ও যাত্রাবাড়ি আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান তার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে জুরাইন-দয়াগঞ্জ সড়কের পাশে মুন্সিবাড়ী মোড়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি ইশতেহার ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনের স্থান হিসেবে অপরিকল্পিত একটি ময়লার ভাগাড় বেছে নেওয়ার বিষয়ে মিজানুর রহমান বলেন, পুরো ঢাকা-৪ এলাকাই অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় কার্যত একটি ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। প্রতীকীভাবে এই বাস্তবতা তুলে ধরতেই তিনি সমস্যাপীড়িত স্থানে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

ইশতেহারে তিনি এলাকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে ১৮ দফা কর্মসূচি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে-

১) প্রতিটি সম্মলনে মহল্লা সংস্কৃতি ফিরিয়ে এনে গলির ভুক্তভোগী জনগণকে দিয়ে গলি সমাজ গঠনের মাধ্যমে গলির নাগরিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধানে তদারকি ও জবাদিহির কাঠামো গড়ে তোলা।

২) এমপির কাছে পৌঁছানো ও এমপির জবাবদিহির জন্য এমপি হটলাইন ও ওয়েবসাইট চালু।

৩) জলাবদ্ধতা নিরসনে ক্রমাগত রাস্তা উঁচু করে মানুষের বাসাবাড়ি দোকানপাটকে বৃষ্টির পানিতে ডোবানোর ভ্রান্ত উন্নয়নের বদলে সহজ, টেকসই পদ্ধতি ও সুলভে নিয়মিত ড্রেন পরিস্কার রাখার ব্যবস্থা করা।

৪) ৩ মাসের মধ্যে রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ এবং রাস্তা সুরক্ষা চার্টার (ঘোষণাপত্র) প্রকাশ। জনগণের সম্মতি নিয়ে এই এলাকার জন্য রাস্তা সুরক্ষা চার্টার প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করা হবে। সেই চার্টারে এই নিয়ম থাকবে যে এলাকার যেকোন রাস্তা খোঁড়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গলি সমাজের সাথে সমন্বয় করে ৭ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে এসে কাজ শেষ করে রাস্তা যেমন ছিল তেমন করে রেখে যেতে হবে।

৫) পানি সংকট নিয়ে স্থানীয় বিশেষ সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বিলের বিপরীতে সেবা দিতে জনগণকে সাথে নিয়ে ওয়াসাকে বাধ্য করা। গ্যাস বৈষম্য বন্ধ করতে তিতাসকে বাধ্য করা এবং সরাসরি এলপিজি প্রোভাইডারের কাছ থেকে ভ্রাম্যমাণ সিলিন্ডার বিক্রয় ট্রাক আনার মাধ্যমে এলাকায় নায্যমূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৬) প্রতিটি মহল্লার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ওএমএস/টিসিবির সেবা এবং হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত এবং জটিলতাহীনভাবে কার্ড ও পণ্য প্রাপ্তি সেবা নিশ্চিত করা হবে।

৭) পচনশীল (জৈব বর্জ্য), অপচনশীল (রিসাইকেল করা যায় এমন বর্জ্য) ও বিপদজনক বর্জ্য- এই তিন ক্যাটাগরিতে বর্জ্য সংগ্রহ চালু করা।

৮) জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয়ে করে স্কুল, কলেজ, মাদরাসার খেলার মাঠগুলো এবং ঘোষিত সরকারি স্পর্শকাতর স্থাপনা ছাড়া বাকি সকল সরকারি স্থাপনার উন্মুক্ত পরিসরকে বিকাল বেলা ও ছুটির দিনে খেলাধূলা ও অবসর কাটানোর জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৯) রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়া রেললাইন ধরে দুই পাশের উন্মুক্ত স্থানে লক্ষাধিক ছায়াপ্রদানকারী দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারি খাস পতিত জমিতে কিংবা এলাকার যেকোন ফাঁকা স্থানে মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে যেখানেই সম্ভব হয় সেখানেই জাপানের মিয়াওয়াকি ফরেস্ট পদ্ধতিতে ছোট ছোট শহুরে বন তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১০) ময়লা পোড়ানো বন্ধ এবং দূষণকারী কারখানার তালিকা তৈরি ও নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়া।

১১) গলি সমাজের সদস্যরা গলিতে যেকোনও নির্মাণকাজে ধূলা কমানোর, পানি ছিটানোর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা সেটা তদরকি করবে এবং সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে রাস্তা থেকে ধূলার স্তূপ সরানোর ব্যবস্থা করবে।

১২) জনসমাবেশ করার সময় সমাবেশ স্থল ব্যাতীত দূর দূরান্তপর্যন্ত মাইক লাগানোর যে শব্দদূষণকারী চর্চা বিদ্যমান সেটা আমরা গলি সমাজের মাধ্যমে বন্ধ করব।

১৩) ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এলাকার প্রতিটি বাসাবাড়িতে একজন করে ডেঙ্গুযোদ্ধা তৈরি করা হবে, যার কাজ হবে তার বাড়ির চারপাশ পরিস্কার রাখা তদারকি করা। গলিসমাজ প্রত্যেক গলির ডেঙ্গুযোদ্ধাদের নিয়ে গলিতে নিয়মিত মশা নিয়ন্ত্রণ তদারকি অভিযান চালাবে। সিটি কর্পোরেশনকে নিয়মিত ড্রেন পরিস্কার করতে বাধ্য করা হবে।

১৪) নিয়মিত প্রত্যেক ওয়ার্ডে মাসে একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বেচ্ছাসেবক চিকিৎসক দল ও জনগণের সমন্বয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও সরকারি হাসপাতালগুলোকে তদারকির আওতায় আনা।

১৫) ঢাকা-৪ আসনে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ অনিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনগুলোকে মেরামত করার উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুর মানসিক বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এমপির কোটা বাতিল ও সময়মতো ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন। প্রতিটি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত সংখ্যক গণপাঠাগার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকায়/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৬) প্রত্যেক গলির সকল নারীদের একটা নারী নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যাতে কোনও নারীর ওপর কোনও হামলা/হয়রানি হলে গলি/এলাকার সকল নারীরা একসাথে তার পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিহত করতে পারেন।

১৭) হকার, টং দোকানদারকের উচ্ছেদ নয়, সুশৃংখল ব্যবস্থায় আনা।

১৮) জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণী ক্ষেত্রে সংসদে দেশবিরোধী, প্রাণপ্রকৃতি বিরোধী প্রকল্প বন্ধ করতে লড়াই করা। বাজেটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, গোপন চুক্তির বিরোধিতা করা।