Dhaka বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোট দিলেন তারেক রহমান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৬ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগে ভোটকেন্দ্রে তার সঙ্গে আসেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা রহমান রহমানও।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দিতে আসেন তিনি। তারেক রহমানের ভোট কেন্দ্রে আসাকে ঘিরে সেনাবাহিনীর, পুলিশের ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি জয়লাভ করলে প্রাধান্য পাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করা। যাতে মানুষ নিরাপদ বোধ করে।

ভোট প্রদান শেষে তারেক রহমান দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে বিএনপি জয়ের ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।

সারাদেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে।

তিনি ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষ যদি সারাদিন ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।

নির্বাচনের জয়ের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ইনশাআল্লাহ আশাবাদী, জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।

বিএনপির সরকার গঠন করলে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন বলেও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, যাতে সাধারণ মানুষ যাতে দেশে নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নারীর মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।

সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল আগামীর প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

তিনি এবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির পক্ষে জানানো হয়েছে, দল সরকার গঠন করলে তারেক রহমানই হবেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমানের ভোটদান উপলক্ষে এই কেন্দ্র ছিল দলের নেতাকর্মীদের বাড়তি আকর্ষণ। শুধু নেতাকর্মী নয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নজর ছিল এখানে।

তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনের পাশাপাশি তিনি তার পৈতৃক নিবাস বগুড়া-৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিগত ১৭ বছর লন্ডনের নির্বাসন জীবনের অবসান ঘটিয়ে বিদায়ী বছরের ২৫ নভেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। আর ওই বছরের ২৭ নভেম্বর ভোটার হন তিনি।

বিএনপির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সময় তারেক রহমান তার মায়ের সঙ্গে রাজপথে আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে বগুড়া জেলা বিএনপির গাবতলী উপজেলা ইউনিটের সদস্য হিসেবে তিনি আনুষ্ঠানিক দলে সক্রিয় হন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ভোট দিলেন তারেক রহমান

প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগে ভোটকেন্দ্রে তার সঙ্গে আসেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা রহমান রহমানও।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দিতে আসেন তিনি। তারেক রহমানের ভোট কেন্দ্রে আসাকে ঘিরে সেনাবাহিনীর, পুলিশের ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি জয়লাভ করলে প্রাধান্য পাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করা। যাতে মানুষ নিরাপদ বোধ করে।

ভোট প্রদান শেষে তারেক রহমান দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে বিএনপি জয়ের ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।

সারাদেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে।

তিনি ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষ যদি সারাদিন ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।

নির্বাচনের জয়ের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ইনশাআল্লাহ আশাবাদী, জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।

বিএনপির সরকার গঠন করলে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন বলেও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, যাতে সাধারণ মানুষ যাতে দেশে নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নারীর মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।

সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল আগামীর প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

তিনি এবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির পক্ষে জানানো হয়েছে, দল সরকার গঠন করলে তারেক রহমানই হবেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমানের ভোটদান উপলক্ষে এই কেন্দ্র ছিল দলের নেতাকর্মীদের বাড়তি আকর্ষণ। শুধু নেতাকর্মী নয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নজর ছিল এখানে।

তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনের পাশাপাশি তিনি তার পৈতৃক নিবাস বগুড়া-৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিগত ১৭ বছর লন্ডনের নির্বাসন জীবনের অবসান ঘটিয়ে বিদায়ী বছরের ২৫ নভেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। আর ওই বছরের ২৭ নভেম্বর ভোটার হন তিনি।

বিএনপির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সময় তারেক রহমান তার মায়ের সঙ্গে রাজপথে আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে বগুড়া জেলা বিএনপির গাবতলী উপজেলা ইউনিটের সদস্য হিসেবে তিনি আনুষ্ঠানিক দলে সক্রিয় হন।