নিজস্ব প্রতিবেদক :
বৃহস্পতিবার (১২ই ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জন্য কঠোর আচরণবিধি জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের ২২ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো পুলিশ সদস্য কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা তাদের সমর্থকদের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারবেন না। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা রাজনৈতিক মতপ্রকাশ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক পোস্ট বা মন্তব্য করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। এ ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে কোনোভাবেই বলপ্রয়োগ বা লাঠিচার্জ করা যাবে না।
নির্বাচনি ডিউটির সময় কোনো প্রার্থী, এজেন্ট বা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার, উপহার বা অন্য কোনো ধরনের সুবিধা গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলা বা অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতাও অপেশাদার আচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এমনকি ফুটপাত বা টং দোকানে বসে খাওয়া এবং জনসমাগমস্থলে বাদাম, চানাচুর বা ভাপা পিঠার মতো খাবার গ্রহণ থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না এবং ভোটারদের কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে প্রভাবিত করা সম্পূর্ণ নিষেধ। দায়িত্ব পালনের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যক্তিগত আলাপ কিংবা নির্বাচন-সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য বা ভিডিও আদান-প্রদান করা যাবে না।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাজে অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করা যাবে না। গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর আচরণ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। দলবদ্ধভাবে জড়ো হয়ে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাফেরা বা ব্যক্তিগত আলাপে সময় নষ্ট করাও নিষেধ। পাশাপাশি ভোটের ফল বা সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে কোনো ধরনের পূর্বানুমান করা থেকেও বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















