নিজস্ব প্রতিবেদক :
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিয়ে প্রবেশে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা না তুলে নিলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাও করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ১১ দলের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের আওতায় নাকি মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না। ইসি কোন জায়গা থেকে এই বিধি-বিধান বের করছে আমরা জানি না। কার পরিকল্পনার আদলে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে এটা জনগণের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি আজ সন্ধ্যার মধ্যে এই বিধি-বিধান পরিবর্তন করুন, নাহলে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ঘেরাও হবে।
তিনি বলেন, আমরা এতদিন কিছু বলিনি। সব সহ্য করে গেছি। নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে এসে এই ধরনের ভোট কারচুপি, মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হবে, মানুষের তথ্য অধিকারকে রোধ করে দেওয়া হবে এই ধরনের কোনো আইন করা হলে সেই আইন মেনে নেওয়া হবে না।
নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এতদিন যা করেছেন করেছেন, কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করার পরিকল্পনা থাকে, ফ্যাস্টিস্ট আমলের নির্বাচন কমিশনের যে পরিণতি হয়েছিল তার চেয়েও এই নির্বাচন কমিশনের ভয়াবহ পরিণতি হবে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি অনেক বেসরকারি গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলের নির্বাচনের বিজ্ঞাপন প্রচার করছেন। কিন্তু অনেকেরটা তারা নিচ্ছে না। আপনাদের ভাবা উচিত, কাজটা কতটুকু নৈতিক হচ্ছে। বিজ্ঞাপন লাগলে আমরাও দিবো। আমাদের বিজ্ঞাপন তো আপনারা নিচ্ছেন না। কত টাকা লাগে। জনগণ আমাদের পক্ষে আপনাদের দিবে। আপনারা একটি দলের মার্কা প্রচার করছেন, আপনারা অন্য দলের মার্কা প্রচার করছেন না। এটা তো ফেয়ার হচ্ছে না।
তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছর এই আনফেয়ারনেস বাংলাদেশের মিডিয়াগুলো দেখিয়েছে। বাংলাদেশের বেশিভাগ মিডিয়া ফ্যাসিবাদের দালালি করে, ফ্যাসিবাদের পক্ষে, নির্বাচন হরণের পক্ষে বৈধতা উৎপাদন করে গিয়েছিল। আপনারা বলেছেন, আপনারা বাধ্য হয়েছেন। আমরা এখন জানতে চাই কে আপনাদের বাধ্য করেছে। জনসম্মুখে সাহস রেখে বলুন। আমরা আপনাদের পাশে থাকবো। যদি কেউ বাধ্য না করে থাকে তাহলে ধরে নেব আপনারা নিজেরাই নতুন কোনো স্বৈরাচারের দালালি করছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























