Dhaka বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের কোনো কারণ খুঁজে পাই না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় মিশন থেকে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই যে, ভারতীয় কর্মকর্তা বা তা তাদের পরিবার বিপদে আছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত কোনো শঙ্কা বা সংকেত আছে কি না, জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, শঙ্কা নেই। আর সংকেত যে কি আমি বুঝতে পারছি না। এটা তাদের একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। তারা তাদের কর্মচারীদের, পরিবারকে যে কোনো সময় চলে যেতে বলতেই পারে।

তিনি বলেন, তারা কেন এটা করছেন, তার কোনো কারণ আমি খুঁজেই পাই না। বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই তাদের কর্মকর্তা, পরিবার বিপদে আছে। এ রকম একটি ঘটনাও ঘটেনি। আশঙ্কা তাদের মনে হয়তো আছে অথবা হয়তো তারা কোনো মেসেজ দিতে পারে, হতে পারে। কিন্তু আমি আসলে সঠিক কোনো মেসেজ এটার মধ্যে খুঁজে পাচ্ছি না।

তৌহিদ হোসেন বলেন, তবে আমি এটাকে এভাবে বলবো- তারা যদি তাদের পরিবার-পরিজনকে ফেরত নিতে চান এ ব্যপারে আমাদের তো কিছুই করার নাই, নিতেই পারেন। সার্বিকভাবে নিরাপত্তায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। আমরা যদি এর আগের দিকে তাকাই যখন নির্বাচন হতো তখনৃমাঝে তো অনেকদিন নির্বাচন হয়নি। নির্বাচনকালীন ছোটোখাটো কিছু মারামারি-ধাক্কাধাক্কি এগুলো হতো সবসময়। এবার তার থেকে বেশি কিছু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।

কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ভারত নিরাপত্তার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কিছু জানিয়েছে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা বিপদে আছেন এ রকম কোনো কথা আমাদের বলা হয়নি।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের সৌদি আরবে যাওয়ার প্রসঙ্গে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের ত্রুটির কারণে প্রচুর রোহিঙ্গা বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে সেখানে গেছে বহুবছর আগে। তখন হাতে লেখা পাসপোর্ট ছিল। এর মধ্যে প্রচুর দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, যারা আমাদের পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে গেছেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আমাদের ওপর চাপ দিচ্ছে।

তিনি বলেন, একটি সিদ্ধান্ত যখন নেওয়া হয়, তখন কোনও দেশের প্রেক্ষাপটে সেখানে আরও অনেক স্বার্থ জড়িত থাকে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম, যেন এটা করতে না হয়। কিন্তু আমাদের অন্যান্য স্বার্থের কারণে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে এই ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেওয়া হবে। তবে পাসপোর্ট দেওয়া মানেই তারা বাংলাদেশের নাগরিক এমন নয়।

তৌহিদ হোসেন বলেন, যেকোনও দেশের নাগরিককে পাসপোর্ট দেওয়া যায়—এর উদাহরণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রয়েছে। অন্য দেশের নাগরিককেও পাসপোর্ট দেওয়া সম্ভব। আমাদের মূল বিষয় হলো—এই মানুষগুলো মিয়ানমার থেকে এসেছে। তারা এথনিসিটি নিয়ে গবেষণা করতেই পারে, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু বর্তমানে এখানে থাকা ১৩ লাখ মানুষের পূর্বপুরুষরা শত শত বছর ধরে সেখানে বসবাস করে আসছিলেন। কাজেই তাদের ফেরত নিতে হবে।

তিনি বলেন, সারা পৃথিবীই স্বীকার করে যে রোহিঙ্গারা একটি জনগোষ্ঠী, যারা মিয়ানমারের আরাকানের অধিবাসী। আমাদের সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই বিষয়টি ডিল করতে হবে। ছোটখাটো টেকনিক্যাল ইস্যুর কারণে এটি আটকে থাকবে না। যদি তাদের ফেরত পাঠানোর মতো পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়, সেটার জন্য আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে।

মার্কিন কূটনীতিকের অডিও ফাঁস নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা নিয়ে আমি কোনও কমেন্ট করতে চাই না। কারণ, এগুলো আমরা জানি না যে কে আসবে আর কী হবে। স্পেকুলেট করে তো লাভ নেই। কে নির্বাচনে জিতবে, কারা ক্ষমতায় আসবে—তারপর তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কীভাবে ডিল করবে, সেটাই দেখার বিষয়।

দায়িত্ব গ্রহণের পর মার্কিন রাষ্ট্রদূতের চীন নিয়ে মন্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আমাদের স্বার্থ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করবো।

চীনের সহায়তায় সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপন চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যে কোনো দেশের সহায়তা নিতে পারে। এতে অন্য কেউ আপত্তি তুললেও তাতে কিছু আসে যায় না।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদির যুক্তরাজ্যের বার্মিংহ্যামে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে নিয়োগ বহাল রয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক দল সংযত আচরণ করছে এবং সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি আরো বলেন, যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না, তারাই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করতে পারে এবং সহিংসতার কথা বলছে। সরকার মনে করে, নির্বাচনে সহিংসতা হলে ভোটে না থাকা দলগুলোর পক্ষ থেকেই তা ঘটতে পারে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সরকার চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসুক। এ ক্ষেত্রে আগ বাড়িয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো উদ্যোগ নেবে না, তবে কেউ আসতে চাইলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে। ভারতীয় সাংবাদিকরাও পর্যবেক্ষণে আসতে চাইলে ভিসা দেওয়া হবে।

মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন তারা প্রত্যেকে সংযমের পরিচয় দিচ্ছেন। কাজেই গন্ডগল হলে যারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না তাদের দ্বারাই হওয়া সম্ভব। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, সরকার চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক আসুক। তবে এ ক্ষেত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিজে থেকে আগ বাড়িয়ে কিছু করবে না। এমনকি ভারত থেকে কোনো সাংবাদিক ভোট পর্যবেক্ষণে আসতে চাইলে তাদের ভিসার ব্যবস্থা করা হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

তারেক রহমানের সঙ্গে মঞ্চে বসা নিয়ে যা বললেন ছাত্রদল সভাপতি

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের কোনো কারণ খুঁজে পাই না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০৮:২৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় মিশন থেকে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই যে, ভারতীয় কর্মকর্তা বা তা তাদের পরিবার বিপদে আছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত কোনো শঙ্কা বা সংকেত আছে কি না, জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, শঙ্কা নেই। আর সংকেত যে কি আমি বুঝতে পারছি না। এটা তাদের একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। তারা তাদের কর্মচারীদের, পরিবারকে যে কোনো সময় চলে যেতে বলতেই পারে।

তিনি বলেন, তারা কেন এটা করছেন, তার কোনো কারণ আমি খুঁজেই পাই না। বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই তাদের কর্মকর্তা, পরিবার বিপদে আছে। এ রকম একটি ঘটনাও ঘটেনি। আশঙ্কা তাদের মনে হয়তো আছে অথবা হয়তো তারা কোনো মেসেজ দিতে পারে, হতে পারে। কিন্তু আমি আসলে সঠিক কোনো মেসেজ এটার মধ্যে খুঁজে পাচ্ছি না।

তৌহিদ হোসেন বলেন, তবে আমি এটাকে এভাবে বলবো- তারা যদি তাদের পরিবার-পরিজনকে ফেরত নিতে চান এ ব্যপারে আমাদের তো কিছুই করার নাই, নিতেই পারেন। সার্বিকভাবে নিরাপত্তায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। আমরা যদি এর আগের দিকে তাকাই যখন নির্বাচন হতো তখনৃমাঝে তো অনেকদিন নির্বাচন হয়নি। নির্বাচনকালীন ছোটোখাটো কিছু মারামারি-ধাক্কাধাক্কি এগুলো হতো সবসময়। এবার তার থেকে বেশি কিছু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।

কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ভারত নিরাপত্তার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কিছু জানিয়েছে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা বিপদে আছেন এ রকম কোনো কথা আমাদের বলা হয়নি।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের সৌদি আরবে যাওয়ার প্রসঙ্গে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের ত্রুটির কারণে প্রচুর রোহিঙ্গা বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে সেখানে গেছে বহুবছর আগে। তখন হাতে লেখা পাসপোর্ট ছিল। এর মধ্যে প্রচুর দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, যারা আমাদের পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে গেছেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আমাদের ওপর চাপ দিচ্ছে।

তিনি বলেন, একটি সিদ্ধান্ত যখন নেওয়া হয়, তখন কোনও দেশের প্রেক্ষাপটে সেখানে আরও অনেক স্বার্থ জড়িত থাকে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম, যেন এটা করতে না হয়। কিন্তু আমাদের অন্যান্য স্বার্থের কারণে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে এই ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেওয়া হবে। তবে পাসপোর্ট দেওয়া মানেই তারা বাংলাদেশের নাগরিক এমন নয়।

তৌহিদ হোসেন বলেন, যেকোনও দেশের নাগরিককে পাসপোর্ট দেওয়া যায়—এর উদাহরণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রয়েছে। অন্য দেশের নাগরিককেও পাসপোর্ট দেওয়া সম্ভব। আমাদের মূল বিষয় হলো—এই মানুষগুলো মিয়ানমার থেকে এসেছে। তারা এথনিসিটি নিয়ে গবেষণা করতেই পারে, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু বর্তমানে এখানে থাকা ১৩ লাখ মানুষের পূর্বপুরুষরা শত শত বছর ধরে সেখানে বসবাস করে আসছিলেন। কাজেই তাদের ফেরত নিতে হবে।

তিনি বলেন, সারা পৃথিবীই স্বীকার করে যে রোহিঙ্গারা একটি জনগোষ্ঠী, যারা মিয়ানমারের আরাকানের অধিবাসী। আমাদের সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই বিষয়টি ডিল করতে হবে। ছোটখাটো টেকনিক্যাল ইস্যুর কারণে এটি আটকে থাকবে না। যদি তাদের ফেরত পাঠানোর মতো পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়, সেটার জন্য আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে।

মার্কিন কূটনীতিকের অডিও ফাঁস নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা নিয়ে আমি কোনও কমেন্ট করতে চাই না। কারণ, এগুলো আমরা জানি না যে কে আসবে আর কী হবে। স্পেকুলেট করে তো লাভ নেই। কে নির্বাচনে জিতবে, কারা ক্ষমতায় আসবে—তারপর তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কীভাবে ডিল করবে, সেটাই দেখার বিষয়।

দায়িত্ব গ্রহণের পর মার্কিন রাষ্ট্রদূতের চীন নিয়ে মন্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আমাদের স্বার্থ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করবো।

চীনের সহায়তায় সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপন চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যে কোনো দেশের সহায়তা নিতে পারে। এতে অন্য কেউ আপত্তি তুললেও তাতে কিছু আসে যায় না।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদির যুক্তরাজ্যের বার্মিংহ্যামে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে নিয়োগ বহাল রয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক দল সংযত আচরণ করছে এবং সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি আরো বলেন, যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না, তারাই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করতে পারে এবং সহিংসতার কথা বলছে। সরকার মনে করে, নির্বাচনে সহিংসতা হলে ভোটে না থাকা দলগুলোর পক্ষ থেকেই তা ঘটতে পারে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সরকার চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসুক। এ ক্ষেত্রে আগ বাড়িয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো উদ্যোগ নেবে না, তবে কেউ আসতে চাইলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে। ভারতীয় সাংবাদিকরাও পর্যবেক্ষণে আসতে চাইলে ভিসা দেওয়া হবে।

মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন তারা প্রত্যেকে সংযমের পরিচয় দিচ্ছেন। কাজেই গন্ডগল হলে যারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না তাদের দ্বারাই হওয়া সম্ভব। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, সরকার চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক আসুক। তবে এ ক্ষেত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিজে থেকে আগ বাড়িয়ে কিছু করবে না। এমনকি ভারত থেকে কোনো সাংবাদিক ভোট পর্যবেক্ষণে আসতে চাইলে তাদের ভিসার ব্যবস্থা করা হবে।