Dhaka শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ

ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে টানা ২য় শিরোপা বাংলাদেশর

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭৯ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক :

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মালদ্বীপের মালেতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টাইব্রেকারে ভারতকে হারায় তারা। পঞ্চম শটে আমেরিকান প্রবাসী রোনান সুলিভানের গোলে বাংলাদেশের শিরোপা নিশ্চিত হয়।

নির্ধারিত সময়ের মতো টাইব্রেকারেও অনেক নাটকীয়তা হয়েছে। টসে জিতে ভারতের অধিনায়ক প্রথমে শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মাহিন প্রথম শট সেভ করেন। মোর্শেদ, চন্দন ও ফাহিম গোল করে বাংলাদেশের লিড ধরে রাখেন।

বাংলাদেশের চতুর্থ শট নিতে আসেন স্যামুয়েল। এ সময় ভারতের গোলরক্ষক চোটের কারণে সময়ক্ষেপণ করেন। চিকিৎসা নেওয়ার পর পোস্টে দাঁড়ালে স্যামুয়েলের শট ক্রসবারে লাগে। তখন চার শট শেষে স্কোরলাইন ৩-৩।

দুই দলের শেষ শটটি তখন খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। ভারতের হয়ে এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি গোল করা ফুটবলার শট নিতে আসেন। তার নেওয়া শট পোস্টের অনেক উপর দিয়ে যায়। বাংলাদেশ শেষ শটে গোল করলেই চ্যাম্পিয়ন। এমন সমীকরণে শেষ শট নেন আমেরিকান প্রবাসী রোনান। অনেক চাপের মধ্যে থেকেও তিনি শট পোস্ট রেখে গোল করেন। মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের সমর্থকদের উল্লাস। টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নিজেদের করে নিল লাল-সবুজের ফুটবলাররা।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মালদ্বীপের রাজধানী মালের জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে আসরের রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ঠাসা নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়। অতিরিক্ত সময়ের নিয়ম না থাকায় ম্যাচ সরাসরি গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে বাজিমাত করে মার্ক কক্সের শিষ্যরা।

বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতা এ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০ ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে মোট সাতবার। এর মধ্যে চারবার সেরা হয়েছে ভারত। নেপাল দুইবার এবং বাংলাদেশ একবার এই শিরোপা জিতেছে। ২০২৪ সালে প্রথম এই শিরোপা জিতে বাংলাদেশ। দ্বিতীয়বার শিরোপা স্বাদ পেল দল।

সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ফাইনালে মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ ও ভারত। ২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৮, ২০২২ সালে অনূর্ধ্ব-২০ ও ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরি- আগের তিন ফাইনালেই হেরেছিল বাংলাদেশ। এবারই প্রথম বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতকে হারানোর আনন্দ সঙ্গী হলো বাংলাদেশের।

একটি পরিবর্তন এনে সেরা একাদশ সাজান বাংলাদেশ কোচ মার্ক কক্স। সানি দাসের বদলে শুরু থেকে খেলান আব্দুল রিয়াদ ফাহিমকে। নেপালের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে বদলি হিসেবে অভিষিক্ত হয়ে আলো ছড়িয়েছিলেন ডেকলান সুলিভান, কিন্তু ভারতের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই ডিফেন্ডারকে বেঞ্চে রাখেন বাংলাদেশ কোচ।

ডেকলানের ভাই রোনান নিয়মিতই খেলছেন লাল-সবুজের জার্সিতে। ভারতের বিপক্ষেও শুরু থেকে আক্রমণে সক্রিয় ছিলেন তিনি। সপ্তম মিনিটে বাম দিক থেকে রোনানের বাম পায়ের দুর্বল শট পারেনি গোলকিপারকে পরাস্ত করতে।

ভারতের রোহেন সিং ডান প্রান্ত ধরে একের পর এক বিপদজনক ক্রস ফেলতে থাকেন বক্সে, কিন্তু রক্ষণের দৃঢ়তায় বিপদে পড়েনি বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের বলের দখল ও মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখার লড়াই ছিল সমানে সমান। বাংলাদেশের সেরা সুযোগটি আসে ১৩ মিনিটে। রোনান সুলিভানের ফ্রি কিক থেকে মিঠু চৌধুরীর হেড পোস্টের কিছুটা বাইরে দিয়ে চলে যায়।

১৮ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে মোহাম্মদ মানিকের মাপা ক্রসে সুলিভান সঠিক সময়ে দৌড়ে এলেও দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের ৩২ মিনিটে বিপদ থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসায় ফাঁকা পোস্ট পেয়ে ভারতীয় ফুটবলার চিপ শট নিলেও গোললাইন থেকে তা দারুণভাবে প্রতিহত করেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা।

৩৬ মিনিটে ভারত আবারও সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে কর্নার থেকে আসা জটলার ভেতর জোড্রিকের নেওয়া হেডটি সহজেই তালুবন্দী করেন মাহিন।

প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিটে বাংলাদেশ খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করে ভারতকে চাপে রাখলেও ডেডলক ভাঙা সম্ভব হয়নি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করার আরও একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের। মাঝমাঠ থেকে চন্দন রায়ের দূরপাল্লার পাস বক্সের মুখে নিয়ন্ত্রণে নেন সুলিভান। চমৎকার দক্ষতায় ঘুরে দাঁড়িয়ে তিনি ভলি নিলেও তা পোস্টের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা যায়। ৪৮ মিনিট থেকে ভারত আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শুরু করলেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ছিল অটুট। ৫১ মিনিটে ভারত টানা আক্রমণ চালিয়ে বলের পজিশন নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করে। তবে ৫৪ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ।

ম্যাচের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠের পরিবেশও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ৫৭ মিনিটে সাইডলাইনের কাছে বলের দখল নিতে গিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি ও জার্সি টানাটানির ঘটনা ঘটে। ৬৬ মিনিটে নাজমুল হুদা ফয়সালের জায়গায় মাঠে নামেন ডেকলান সুলিভান। সেমিফাইনালে নেপাল ম্যাচের মতো ক্যামিও রাখার প্রত্যাশা ছিল তাঁকে নিয়ে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে তাঁর পাসে ভারতীয় গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন রোনান। কিন্তু কাটাতেই পারেননি বল।এরপরই শুরু হয় টাইব্রেকারের গল্প। যেখানে রোনান ছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে গোল করেন মুরশেদ আলী, চন্দন ও রিয়াদ ফাহিম।

আবহাওয়া

ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে টানা ২য় শিরোপা বাংলাদেশর

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ

ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে টানা ২য় শিরোপা বাংলাদেশর

প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক :

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মালদ্বীপের মালেতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টাইব্রেকারে ভারতকে হারায় তারা। পঞ্চম শটে আমেরিকান প্রবাসী রোনান সুলিভানের গোলে বাংলাদেশের শিরোপা নিশ্চিত হয়।

নির্ধারিত সময়ের মতো টাইব্রেকারেও অনেক নাটকীয়তা হয়েছে। টসে জিতে ভারতের অধিনায়ক প্রথমে শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মাহিন প্রথম শট সেভ করেন। মোর্শেদ, চন্দন ও ফাহিম গোল করে বাংলাদেশের লিড ধরে রাখেন।

বাংলাদেশের চতুর্থ শট নিতে আসেন স্যামুয়েল। এ সময় ভারতের গোলরক্ষক চোটের কারণে সময়ক্ষেপণ করেন। চিকিৎসা নেওয়ার পর পোস্টে দাঁড়ালে স্যামুয়েলের শট ক্রসবারে লাগে। তখন চার শট শেষে স্কোরলাইন ৩-৩।

দুই দলের শেষ শটটি তখন খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। ভারতের হয়ে এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি গোল করা ফুটবলার শট নিতে আসেন। তার নেওয়া শট পোস্টের অনেক উপর দিয়ে যায়। বাংলাদেশ শেষ শটে গোল করলেই চ্যাম্পিয়ন। এমন সমীকরণে শেষ শট নেন আমেরিকান প্রবাসী রোনান। অনেক চাপের মধ্যে থেকেও তিনি শট পোস্ট রেখে গোল করেন। মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের সমর্থকদের উল্লাস। টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নিজেদের করে নিল লাল-সবুজের ফুটবলাররা।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মালদ্বীপের রাজধানী মালের জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে আসরের রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ঠাসা নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়। অতিরিক্ত সময়ের নিয়ম না থাকায় ম্যাচ সরাসরি গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে বাজিমাত করে মার্ক কক্সের শিষ্যরা।

বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতা এ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০ ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে মোট সাতবার। এর মধ্যে চারবার সেরা হয়েছে ভারত। নেপাল দুইবার এবং বাংলাদেশ একবার এই শিরোপা জিতেছে। ২০২৪ সালে প্রথম এই শিরোপা জিতে বাংলাদেশ। দ্বিতীয়বার শিরোপা স্বাদ পেল দল।

সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ফাইনালে মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ ও ভারত। ২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৮, ২০২২ সালে অনূর্ধ্ব-২০ ও ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরি- আগের তিন ফাইনালেই হেরেছিল বাংলাদেশ। এবারই প্রথম বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতকে হারানোর আনন্দ সঙ্গী হলো বাংলাদেশের।

একটি পরিবর্তন এনে সেরা একাদশ সাজান বাংলাদেশ কোচ মার্ক কক্স। সানি দাসের বদলে শুরু থেকে খেলান আব্দুল রিয়াদ ফাহিমকে। নেপালের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে বদলি হিসেবে অভিষিক্ত হয়ে আলো ছড়িয়েছিলেন ডেকলান সুলিভান, কিন্তু ভারতের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই ডিফেন্ডারকে বেঞ্চে রাখেন বাংলাদেশ কোচ।

ডেকলানের ভাই রোনান নিয়মিতই খেলছেন লাল-সবুজের জার্সিতে। ভারতের বিপক্ষেও শুরু থেকে আক্রমণে সক্রিয় ছিলেন তিনি। সপ্তম মিনিটে বাম দিক থেকে রোনানের বাম পায়ের দুর্বল শট পারেনি গোলকিপারকে পরাস্ত করতে।

ভারতের রোহেন সিং ডান প্রান্ত ধরে একের পর এক বিপদজনক ক্রস ফেলতে থাকেন বক্সে, কিন্তু রক্ষণের দৃঢ়তায় বিপদে পড়েনি বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের বলের দখল ও মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখার লড়াই ছিল সমানে সমান। বাংলাদেশের সেরা সুযোগটি আসে ১৩ মিনিটে। রোনান সুলিভানের ফ্রি কিক থেকে মিঠু চৌধুরীর হেড পোস্টের কিছুটা বাইরে দিয়ে চলে যায়।

১৮ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে মোহাম্মদ মানিকের মাপা ক্রসে সুলিভান সঠিক সময়ে দৌড়ে এলেও দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের ৩২ মিনিটে বিপদ থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসায় ফাঁকা পোস্ট পেয়ে ভারতীয় ফুটবলার চিপ শট নিলেও গোললাইন থেকে তা দারুণভাবে প্রতিহত করেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা।

৩৬ মিনিটে ভারত আবারও সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে কর্নার থেকে আসা জটলার ভেতর জোড্রিকের নেওয়া হেডটি সহজেই তালুবন্দী করেন মাহিন।

প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিটে বাংলাদেশ খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করে ভারতকে চাপে রাখলেও ডেডলক ভাঙা সম্ভব হয়নি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করার আরও একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের। মাঝমাঠ থেকে চন্দন রায়ের দূরপাল্লার পাস বক্সের মুখে নিয়ন্ত্রণে নেন সুলিভান। চমৎকার দক্ষতায় ঘুরে দাঁড়িয়ে তিনি ভলি নিলেও তা পোস্টের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা যায়। ৪৮ মিনিট থেকে ভারত আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শুরু করলেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ছিল অটুট। ৫১ মিনিটে ভারত টানা আক্রমণ চালিয়ে বলের পজিশন নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করে। তবে ৫৪ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ।

ম্যাচের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠের পরিবেশও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ৫৭ মিনিটে সাইডলাইনের কাছে বলের দখল নিতে গিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি ও জার্সি টানাটানির ঘটনা ঘটে। ৬৬ মিনিটে নাজমুল হুদা ফয়সালের জায়গায় মাঠে নামেন ডেকলান সুলিভান। সেমিফাইনালে নেপাল ম্যাচের মতো ক্যামিও রাখার প্রত্যাশা ছিল তাঁকে নিয়ে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে তাঁর পাসে ভারতীয় গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন রোনান। কিন্তু কাটাতেই পারেননি বল।এরপরই শুরু হয় টাইব্রেকারের গল্প। যেখানে রোনান ছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে গোল করেন মুরশেদ আলী, চন্দন ও রিয়াদ ফাহিম।