Dhaka শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেড়েছে চাল ও ডালের দাম, সরবরাহ বাড়লেও সবজিতে অস্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে চাল ও ডালের দাম অনেকটা বেড়েছে। বিশেষ করে দেশি (ছোট দানা) মসুর ডালের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে, বাজারে নতুন চাল আসার প্রাক্কালে পুরোনো চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ভোক্তারা অস্বস্তিতে পড়েছেন। এ ছাড়া শীত মৌসুমের সব সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে অস্বস্তি কাটছে না ক্রেতাদের।

শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত। প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের দাম ৩-৪ টাকা বেড়ে ৮৩ থেকে ৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রশিদ মিনিকেটের দাম ৭২ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেলের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়ে ৮৫ থেকে ৮৬ টাকা হয়েছে।

একইভাবে বেড়েছে নাজিরশাইল চালের দামও। ধরনভেদে দেশি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়েছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে, যা সপ্তাহখানেক আগে ৩ থেকে ৪ টাকা কম ছিলো। আর আমদানি করা নাজিরশাইলের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা হয়েছে।

বছরের এই সময়ে আউশ, আমন ও নাজিরশাইল চাল বাজারে আসার কথা। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সাধারণত প্রতিবছর এসব চাল বাজারে আসার পরে পুরোনো চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বাড়ে। কিন্তু এবার নতুন চাল বাজারে আসার আগেই পুরোনো চালের দাম ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খুচরা দোকানে নতুন চাল বিক্রি হতে শুরু করবে। বিক্রেতাদের আশঙ্কা, নতুন চাল আসার পরে পুরোনো চালের দাম আরও বাড়তে পারে।
এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজিরও দাম বেড়েছে। শিম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।টমেটো কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, দেশি গাজর কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা, মূলা কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, শালগম ৮০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিসে ২০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা এবং লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। বরবটি ১৪০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে ৬০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ১৪০ টাকা, কচুরমুখী ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচা মরিচ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ১৬০ থেকে ১৮০ দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা এবং ক্ষিরা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে লেবুর হালি ১০ থেকে ৩০ টাকা, দেশি ধনে পাতা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনে পাতা ৬০ থেকে ৮০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস, ক্যাপসিক্যাম ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাঁটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে নতুন আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পুরান আলু ২০ টাকা, পুরোনো দেশি পেঁয়াজের কেজি ১৩০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৮০ টাকা, নতুন পেঁয়াজ ৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে সোনালি মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৮০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়, গরুর কলিজা ৭৮০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকায় এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে ৩০০ গ্রাম ওজনের এক কেজি ইলিশ মাছ ১০০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকা এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ডালের মধ্যে ছোট মসুর ডাল ১৪০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১২০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ৬৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে বেড়েছে পচনশীল মসলা আদা, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। বাজার থেকে হঠাৎ দেশি পেঁয়াজ উধাও হয়ে গেছে। নতুন ফলনের পেঁয়াজের দেখাও মিলছে না। এ অবস্থায় ভারতের পেঁয়াজের দাম কেজিতে অন্তঃত ২০ টাকা বেড়েছে। রসুনও কেজিতে ২০ টাকা এবং আদা ৩০ টাকা বেড়েছে। বাজারে মানভেদে ভারতের নাসিক পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। অবশ্য মানভেদে কিছু পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে, তবে সেগুলোর চাহিদা বেশি নেই। এছাড়া চীনের রসুন বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়। চীনা আদা ১৫০ টাকা, থাইল্যান্ডের আদা ১৭০ টাকা, ভারতের কেরালার আদা ১২০ টাকা ও দেশি চাষের আদা ৯০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

অন্যান্য মুদিপণ্যের মধ্যে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৮ টাকা ও খোলা সয়াবিন তেল ১৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা ও খোলা চিনি ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই কেজির প্যাকেট আটা ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১২০ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০ থেকে ১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মসলার মধ্যে এলাচ প্রতিকেজি ৪৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১২৮০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ১৩৫০ টাকা ও কালো গোলমরিচ ১১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

 

 

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

বেড়েছে চাল ও ডালের দাম, সরবরাহ বাড়লেও সবজিতে অস্বস্তি

প্রকাশের সময় : ০২:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে চাল ও ডালের দাম অনেকটা বেড়েছে। বিশেষ করে দেশি (ছোট দানা) মসুর ডালের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে, বাজারে নতুন চাল আসার প্রাক্কালে পুরোনো চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ভোক্তারা অস্বস্তিতে পড়েছেন। এ ছাড়া শীত মৌসুমের সব সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে অস্বস্তি কাটছে না ক্রেতাদের।

শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত। প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের দাম ৩-৪ টাকা বেড়ে ৮৩ থেকে ৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রশিদ মিনিকেটের দাম ৭২ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেলের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়ে ৮৫ থেকে ৮৬ টাকা হয়েছে।

একইভাবে বেড়েছে নাজিরশাইল চালের দামও। ধরনভেদে দেশি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়েছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে, যা সপ্তাহখানেক আগে ৩ থেকে ৪ টাকা কম ছিলো। আর আমদানি করা নাজিরশাইলের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা হয়েছে।

বছরের এই সময়ে আউশ, আমন ও নাজিরশাইল চাল বাজারে আসার কথা। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সাধারণত প্রতিবছর এসব চাল বাজারে আসার পরে পুরোনো চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বাড়ে। কিন্তু এবার নতুন চাল বাজারে আসার আগেই পুরোনো চালের দাম ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খুচরা দোকানে নতুন চাল বিক্রি হতে শুরু করবে। বিক্রেতাদের আশঙ্কা, নতুন চাল আসার পরে পুরোনো চালের দাম আরও বাড়তে পারে।
এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজিরও দাম বেড়েছে। শিম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।টমেটো কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, দেশি গাজর কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা, মূলা কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, শালগম ৮০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিসে ২০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা এবং লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। বরবটি ১৪০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে ৬০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ১৪০ টাকা, কচুরমুখী ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচা মরিচ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ১৬০ থেকে ১৮০ দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা এবং ক্ষিরা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে লেবুর হালি ১০ থেকে ৩০ টাকা, দেশি ধনে পাতা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনে পাতা ৬০ থেকে ৮০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস, ক্যাপসিক্যাম ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাঁটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে নতুন আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পুরান আলু ২০ টাকা, পুরোনো দেশি পেঁয়াজের কেজি ১৩০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৮০ টাকা, নতুন পেঁয়াজ ৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে সোনালি মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৮০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়, গরুর কলিজা ৭৮০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকায় এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে ৩০০ গ্রাম ওজনের এক কেজি ইলিশ মাছ ১০০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকা এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ডালের মধ্যে ছোট মসুর ডাল ১৪০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১২০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ৬৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে বেড়েছে পচনশীল মসলা আদা, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। বাজার থেকে হঠাৎ দেশি পেঁয়াজ উধাও হয়ে গেছে। নতুন ফলনের পেঁয়াজের দেখাও মিলছে না। এ অবস্থায় ভারতের পেঁয়াজের দাম কেজিতে অন্তঃত ২০ টাকা বেড়েছে। রসুনও কেজিতে ২০ টাকা এবং আদা ৩০ টাকা বেড়েছে। বাজারে মানভেদে ভারতের নাসিক পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। অবশ্য মানভেদে কিছু পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে, তবে সেগুলোর চাহিদা বেশি নেই। এছাড়া চীনের রসুন বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়। চীনা আদা ১৫০ টাকা, থাইল্যান্ডের আদা ১৭০ টাকা, ভারতের কেরালার আদা ১২০ টাকা ও দেশি চাষের আদা ৯০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

অন্যান্য মুদিপণ্যের মধ্যে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৮ টাকা ও খোলা সয়াবিন তেল ১৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা ও খোলা চিনি ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই কেজির প্যাকেট আটা ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১২০ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০ থেকে ১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মসলার মধ্যে এলাচ প্রতিকেজি ৪৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১২৮০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ১৩৫০ টাকা ও কালো গোলমরিচ ১১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।