নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে শেখ বশিরউদ্দীনকে অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাকিলা পারভীন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান পদ থেকে শেখ বশিরউদ্দীনকে তার নিজ অভিপ্রায় অনুযায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান (রহিত বাংলাদেশ বিমান অর্ডার, ১৯৭২ পুনর্বহাল এবং সংশোধন আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩০ (সি) ধারায় অর্পিত সরকারের ক্ষমতাবলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে তার অভিপ্রায় অনুযায়ী অব্যাহতি প্রদান করা হলো।
এর আগে তিনি নিজেই বিমানের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন।
গত বছরের এপ্রিলে উপদেষ্টা হওয়ার পর ২৬ আগস্ট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হন শেখ বশির উদ্দিন। যিনি ওই সময় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বেও ছিলেন।
মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টার দায়িত্বে থেকে নিজের মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা একটি কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে তার এ নিয়োগ নিয়ে অনেকেই তখন প্রশ্ন তোলেন।
তবে বিমানের বোর্ড চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়া নিয়ে ওঠা বিতর্ক প্রসঙ্গে বাণিজ্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান, তার নিয়োগ আইনসম্মত এবং এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, আমি বিমানের ২৩তম চেয়ারম্যান। আমার আগে ২২ জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা এই দায়িত্বে ছিলেন। সিভিল অ্যাভিয়েশন অ্যাক্টে কোথাও নেই যে আমি এই পদে থাকতে পারব না।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
শেখ বশিরউদ্দীন দাবি করেন, “কাঠামোগত সংস্কারের ফলে বিমানের টিকিটের ভাড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের রুটে প্রতিযোগিতা বাড়ায় ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।”
বর্তমানে ২০ হাজার টাকায় টিকিট বিক্রি করায় বিমান অতিরিক্ত প্রায় ১২০ কোটি টাকা মুনাফা করতে পারবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















