ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি :
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখন স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলা হচ্ছে। বিএনপির সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা আছে। বিএনপি জানে কীভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। খালেদা জিয়ার সময় দেশে দুর্নীতি তলানিতে ছিল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কেট হাউস ময়দানে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের জন্য কাজ করতে হলে একটি রাজনৈতিক দলের পরিকল্পনা থাকতে হয়, একমাত্র বিএনপির সেই পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির পরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে দেশ পরিচালনা করতে হয়। বিএনপির অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে শিক্ষার আলো ছড়াতে হয়, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়।
তিনি বলেন, গত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ভোটের অধিকার না থাকায় জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাটের সমস্যার সমাধান হয়নি। যদি ভোটের অধিকার থাকতো তাহলে জনগণের সমস্যার সমাধান হতো। মানুষ চায় অসুস্থ হলে তারা যেন সময়মতো চিকিৎসা সুবিধা পায়। মানুষ মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা চায়।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখন স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলা হচ্ছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ভোটের অধিকার না থাকায় জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাটের সমস্যার সমাধান হয়নি। যদি ভোটের অধিকার থাকতো তাহলে জনগণের সমস্যার সমাধান হত। মানুষ চায় অসুস্থ হলে তারা যেন সময়মতো চিকিৎসা সুবিধা পায়। মানুষ মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা চায়’।
তারেক রহমান বলেন, মানুষের জন্য রাজনীতি করি, দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা শুধু বিএনপির আছে। সমস্যার সমাধান করতে চাইলে ধানের শীষে ভোট দেয়ার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, পালানো স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে একটি দল। দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে এগুনো যায় না, এজন্যই ফ্যামিলি কার্ড।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি কখনোই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি। এতদিন জনগণের যে অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সেই অধিকার প্রয়োগের দিন।
তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্ঠি করে বেকার সমস্যা সমাধান করা হবে।মানুষের জন্য রাজনীতি করি, দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা শুধু বিএনপির আছে। সমস্যার সমাধান করতে চাইলে ধানের শীষে ভোট দেয়ার বিকল্প নেই।
চার দলীয় জোট সরকার যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা তখন কেন পদত্যাগ করেনি—সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তার ভাষ্যে, আপনারা নিশ্চয়ই পত্রপত্রিকায় দেখেছেন, এই মুহূর্তে একটি রাজনৈতিক দল যেই স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে, সেই স্বৈরাচারের মুখের ভাষা ব্যবহার করছে বিএনপিরই বিরুদ্ধে। ঠিক সেই স্বৈরাচার যেভাবে বলতো, তাদেরই ভাষা ব্যবহার করছে; বিএনপি তাদের বক্তব্য যে দুর্নীতিতে বলে চ্যাম্পিয়ন ছিল। তো আমার প্রশ্ন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তাদেরও তো দুইজন সদস্য বিএনপির সরকারে ছিল, ছিল না? ছিল। তো বিএনপি যদি অতই খারাপ হয়, তাহলে ওই দুই ব্যক্তি কেন পদত্যাগ করে চলে আসেনি?
জামায়াত নেতাদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “কেন পদত্যাগ করে চলে আসেনি? এই জন্য পদত্যাগ করে তারা আসেনি, তারা সরকারে ছিল এবং তারা ভালো করেই জানত যে খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করছে।
“এবং যেই দলটি এখন এই কথা বলছে, তাদের যে দুই সদস্য বিএনপি সরকারের অংশ ছিল; তারা ভালো করেই জানতেন যে, খালেদা জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না।”
২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামের তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ। নিজামীকে প্রথম কৃষিমন্ত্রী করা হয়েছিল, পরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। মুজাহিদ ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, সব ধরনের আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান বলে, খালেদা জিয়ার সময় দেশ দুর্নীতিতে নিম্নগতিতে ছিল। এবং খালেদা জিয়া যখন ২০০১ সালে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তখন ধীরে ধীরে বাংলাদেশ দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে বের হতে শুরু করল। এবং যেই দল এই কথা বিএনপিকে এভাবে দোষারোপ করে, তাদের দুই সদস্যের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত সরকারে থাকাই প্রমাণ করে যে, নিজেরাই নিজেদের মানুষ সম্পর্কে কত বড় মিথ্যে কথা তারা বলছে!
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপিকে জয়ী করতে একাত্তরের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধ হয়েছিল। তরুণ-যুবক যারা, তারা আপনারা বইয়ের পাতায় পড়েছেন; মুরুব্বি যারা আছে, আমাদের বয়েসী যারা আছে, তারা দেখেছেন—জানেন সেই যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, সেই যুদ্ধে বহু মানুষ শহীদ হয়েছিল। পরবর্তীতে ২৪ সালের ৫ অগাস্ট সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে এই দেশের ছাত্র-জনতাসহ সকল শ্রেণির পেশার মানুষ। সেই একাত্তর সালের যুদ্ধই হোক, চব্বিশের আন্দোলনই হোক, কে পাহাকি মানুষ, কে সমতলের মানুষ, কে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর মানুষ—এটি কিন্তু কেউ দেখেনি। রাজপথে সবাই পাশাপাশি আন্দোলন করেছে, একাত্তর সালে যুদ্ধে সবাই একসাথে যুদ্ধ করেছে। কে মুসলমান, কে খ্রিষ্টান, কে অন্য ধর্মের মানুষ—কেউ দেখে নাই। এবারও ১২ তারিখে নির্বাচনে আমাদের সকলকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ একসাথে থাকতে হবে।
একতার সুফল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা যদি এক সাথে থাকি, আমরা যেভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, আমরা যদি এক সাথে থাকি, আমরা যেভাবে স্বৈরাচার বিদায় করেছি, আমরা যদি ইনশাল্লাহ সামনের দিনে একসাথে থাকি; তাহলে অবশ্যই এই বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশের দিকে নিয়ে যেতে পারব। সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তাহলে স্লোগান হবে একটাই। সেটা হল—‘করব কাজ, গড়ব দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ’। সবার মনে রাখতে হবে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলেই জনগণের শাসন কায়েম করা সম্ভব হবে, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলেই জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আসুন, আমাদের আজকে শপথ হোক, আমরা এই বাংলাদেশকে জনগণের বাংলাদেশে পরিণত করব। আমরা বাংলাদেশকে জনগণের বাংলাদেশে রূপান্তরিত করব। শেষ কথার এক কথা—‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
ভোর বেলা ভোট কেন্দ্রের সামনে লাইন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ভোট শুরু হবে, সাথে সাথে ভোট দেওয়া ইনশাল্লাহ শুরু করবেন। কিন্তু ভোট দিয়ে সাথে সাথে চলে আসলে চলবে না। কী করা লাগবে? ভোট কেন্দ্রের সামনে থাকতে হবে। কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নিয়ে আসবে। কেন একথাটা বললাম? বহু বছর হয়ে গেছে আমরা ভোট দেবার সুযোগ পাইনি। যেহেতু আমরা ভোট দেবার সুযোগ পাইনি; এর আগে বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে ভোট লুটপাট করে নিয়ে গিয়েছে। এবার আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে; যাতে করে কেউ আমাদের ভোট লুটপাট করে নিয়ে যেতে না পারে।
সমাবেশে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, পারবেন তো পাহারা দিয়ে সর্তক থাকতে।
সমস্বরে সবাই ‘হ্যাঁ’ বললে তারেক রহমান বলেন, “ইনশাল্লাহ”।
ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুরে বহু সমস্যা রয়ে গেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নদীভাঙন সমস্যা আছে, কর্মসংস্থানের সমস্যা আছে। বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ব্রিজ, রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, কালভার্টের সমস্যা রয়ে গেছে। যেগুলো দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সংস্কার বা নতুন করে করার দরকার ছিল। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। না হওয়ার কারণ ভোটের অধিকার ছিল না। যদি ভোটের অধিকার থাকতো, তাহলে জনগণের সমস্যা সমাধান হতো। যেহেতু নিশিরাতে তথাকথিত নির্বাচন হয়েছিল, তাই তখন সত্যকারের জনপ্রতিনিধি ছিল না। তাই যুবক সমাজের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়নি।
তিনি বলেন, তরুণ-যুবকরা চায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। দেশে মিল-ফ্যাক্টরি হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য হবে, যাতে তারা নিরাপদে ব্যবসা-বাণিজ্য বা চাকরি করতে পারে। মানুষ চায় অসুস্থ হলে যেন চিকিৎসা সুবিধা পায়।
ময়মনসিংহে কৃষকদের অনেক সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ময়মনসিংহের মাছের পোনা অনেক সরবরাহ করা হয়। আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে কী করে মাছের পোনার বিষয়টি শুধু দেশের ভেতরে সীমাবদ্ধ না রেখে বিদেশেও রপ্তানি করা যায়।
তিনি বলেন, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ক্লাস ওয়ান থেকে টুয়েলভ পর্যন্ত ফ্রি করেছিল। সেই মা-বোনেরা শিক্ষিত হয়েছে। এখন আমরা যে কোনো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই, দেখবো সমান সংখ্যক মেয়ে লেখাপড়া করছে। আজ জনসংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি নারী। আমরা দেশকে যদি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, তাহলে দেশের জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে সামনের দিকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। সেজন্য খেটে-খাওয়া নারী, গৃহিণী ও মা-বোনদের একটি ফ্যামিলি কার্ড দিতে চাই। যাতে এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের কাছে অল্প হলেও সুবিধা পৌঁছাতে পারে। এতে তারা প্রতি মাসের কয়েকটি দিন হলেও স্বাচ্ছন্দ্যে অতিবাহিত করতে পারবে।
তারেক রহমান বলেন, একইভাবে মৎস্য চাষি, ক্ষেত-খামারে চাষবাস করেন এরকম কৃষক ভাইদের পাশেও আমরা দাঁড়াতে চাই। সেজন্য কৃষক কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা করছি। কারণ, দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষক। কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে।
তিনি বলেন, বিএনপির অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করতে হয়। বিএনপির অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত রাস্তাঘাট নির্মাণ করতে হয়, কীভাবে শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হয়। বিএনপির অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে মানুষকে নিরাপদে রাখতে হয়।
মাদক সমস্যা সমাধান করতে হলে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। তাই যুবকদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, স্বাস্থ্যখাতের উন্নতির জন্য আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা হাসপাতালগুলো বড় করতে চাই। বিএনপি সরকার গঠন করলে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী মাসের ১২ তারিখ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে চলে আসলে চলবে না, ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।
বিএনপি চেয়ার্যমান তারেক রহমান বলেন, এই ময়মনসিংহ জেলা একটি অন্যতম কৃষি প্রধান এলাকা। অন্যতম কৃষি প্রধান এলাকা। আমাদের এখানে একসময় অনেক খাল-বিল ছিল; ছিল না আগে? এই খাল-বিলগুলো সব ভরাট হয়ে গিয়েছে। এই খালগুলোকে আমরা পুনর্খনন করতে চাই।
তিনি বলেন, এখন এই খাল পুনর্খনন করার জন্য কে কে কোদাল হাতে নেবেন? সারা জেলায় খাল পুনর্খনন করতে কে কে কোদাল হাতে নেবেন?
সবাই সমস্বরে সম্মতি জানালে তারেক রহমান বলেন, আমি কিন্তু থাকব সেদিন আপনাদের সাথে। ঠিক তো? ইনশাআল্লাহ। তাহলে আমরা খাল খনন করব।
বক্তব্যের শেষে তিনি ফের বলেন, আপনাদের সাথে ১২ তারিখের পরে আবার দেখা হবে। কোথায় দেখা হবে? খাল খনন কর্মসূচিতে দেখা হবে, খাল খনন কর্মসূচি। সবাইকে কোদাল নিয়ে আসতে হবে পারবেন?
সবাই সম্মতি দিলে তারেক বলে ওঠেন, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ।
সমাবেশে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন— ময়মনসিংহ-১ আসনের সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ-২ আসনের মোতাহার হোসেন তালুকদার, ময়মনসিংহ-৩ আসনের এম ইকবাল হোসেইন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ-৫ আসনের মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৬ আসনের আখতারুল আলম, ময়মনসিংহ-৭ আসনের মাহাবুবুর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ আসনের লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, ময়মনসিংহ-৯ আসনের ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ আসনের মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, ময়মনসিংহ-১১ আসনের ফখর উদ্দিন আহমেদ।
জামালপুরের প্রার্থীরা হলেন—জামালপুর-১ আসনের এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ আসনের এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ আসনের ফরিদুল কবীর তালুকদার এবং জামালপুর-৫ আসনের শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।
নেত্রকোনার প্রার্থীরা হলেন—নেত্রকোনা-১ আসনের কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ আসনের আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ আসনের রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোনা-৪ আসনের লুৎফুজ্জামান বাবর এবং নেত্রকোনা-৫ আসনের আবু তাহের তালুকদার।
শেরপুরের প্রার্থীরা হলেন—শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, শেরপুর-২ আসনের মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক রুবেল।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলুর সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করছেন বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদ আবু ওয়াহাব আকন্দ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার, উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার।
ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি 



















