Dhaka মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি জানে কীভাবে দুর্নীতির লাগাম টানতে হয় : তারেক রহমান

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি :

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখন স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলা হচ্ছে। বিএনপির সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা আছে। বিএনপি জানে কীভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। খালেদা জিয়ার সময় দেশে দুর্নীতি তলানিতে ছিল।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কেট হাউস ময়দানে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের জন্য কাজ করতে হলে একটি রাজনৈতিক দলের পরিকল্পনা থাকতে হয়, একমাত্র বিএনপির সেই পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির পরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে দেশ পরিচালনা করতে হয়। বিএনপির অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে শিক্ষার আলো ছড়াতে হয়, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ভোটের অধিকার না থাকায় জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাটের সমস্যার সমাধান হয়নি। যদি ভোটের অধিকার থাকতো তাহলে জনগণের সমস্যার সমাধান হতো। মানুষ চায় অসুস্থ হলে তারা যেন সময়মতো চিকিৎসা সুবিধা পায়। মানুষ মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা চায়।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখন স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলা হচ্ছে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ভোটের অধিকার না থাকায় জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাটের সমস্যার সমাধান হয়নি। যদি ভোটের অধিকার থাকতো তাহলে জনগণের সমস্যার সমাধান হত। মানুষ চায় অসুস্থ হলে তারা যেন সময়মতো চিকিৎসা সুবিধা পায়। মানুষ মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা চায়’।

এসময় তিনি জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল বিএনপির সাথে স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে। স্বৈরাচারের বক্তব্য ছিল যে, বিএনপি দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন ছিল। তিনি জামায়াতকে প্রশ্ন করেন, দুই হাজার এক থেকে দুই হাজার ছয় পর্যন্ত বিএনপির মন্ত্রীসভায় তাদেরও দুইজন মন্ত্রী ছিল, তাহলে তারা কেন পদত্যাগ করে আসেনি। কারণ তারা ভালো করেই জানতো খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করেছে।

তারেক রহমান বলেন, মানুষের জন্য রাজনীতি করি, দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা শুধু বিএনপির আছে। সমস্যার সমাধান করতে চাইলে ধানের শীষে ভোট দেয়ার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, পালানো স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে একটি দল। দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে এগুনো যায় না, এজন্যই ফ্যামিলি কার্ড।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি কখনোই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি। এতদিন জনগণের যে অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সেই অধিকার প্রয়োগের দিন।

তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্ঠি করে বেকার সমস্যা সমাধান করা হবে।মানুষের জন্য রাজনীতি করি, দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা শুধু বিএনপির আছে। সমস্যার সমাধান করতে চাইলে ধানের শীষে ভোট দেয়ার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, পালানো স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে একটি দল। দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে এগুনো যায় না, এজন্যই ফ্যামিলি কার্ড।

সমাবেশে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন— ময়মনসিংহ-১ আসনের সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ-২ আসনের মোতাহার হোসেন তালুকদার, ময়মনসিংহ-৩ আসনের এম ইকবাল হোসেইন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ-৫ আসনের মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৬ আসনের আখতারুল আলম, ময়মনসিংহ-৭ আসনের মাহাবুবুর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ আসনের লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, ময়মনসিংহ-৯ আসনের ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ আসনের মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, ময়মনসিংহ-১১ আসনের ফখর উদ্দিন আহমেদ।

জামালপুরের প্রার্থীরা হলেন—জামালপুর-১ আসনের এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ আসনের এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ আসনের ফরিদুল কবীর তালুকদার এবং জামালপুর-৫ আসনের শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

নেত্রকোনার প্রার্থীরা হলেন—নেত্রকোনা-১ আসনের কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ আসনের আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ আসনের রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোনা-৪ আসনের লুৎফুজ্জামান বাবর এবং নেত্রকোনা-৫ আসনের আবু তাহের তালুকদার।

শেরপুরের প্রার্থীরা হলেন—শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, শেরপুর-২ আসনের মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক রুবেল।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলুর সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করছেন বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদ আবু ওয়াহাব আকন্দ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার, উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের জামাই-আদরে রাখবে : কৃষ্ণ নন্দী

বিএনপি জানে কীভাবে দুর্নীতির লাগাম টানতে হয় : তারেক রহমান

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি :

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখন স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলা হচ্ছে। বিএনপির সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা আছে। বিএনপি জানে কীভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। খালেদা জিয়ার সময় দেশে দুর্নীতি তলানিতে ছিল।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কেট হাউস ময়দানে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের জন্য কাজ করতে হলে একটি রাজনৈতিক দলের পরিকল্পনা থাকতে হয়, একমাত্র বিএনপির সেই পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির পরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে দেশ পরিচালনা করতে হয়। বিএনপির অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে শিক্ষার আলো ছড়াতে হয়, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ভোটের অধিকার না থাকায় জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাটের সমস্যার সমাধান হয়নি। যদি ভোটের অধিকার থাকতো তাহলে জনগণের সমস্যার সমাধান হতো। মানুষ চায় অসুস্থ হলে তারা যেন সময়মতো চিকিৎসা সুবিধা পায়। মানুষ মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা চায়।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখন স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলা হচ্ছে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ভোটের অধিকার না থাকায় জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাটের সমস্যার সমাধান হয়নি। যদি ভোটের অধিকার থাকতো তাহলে জনগণের সমস্যার সমাধান হত। মানুষ চায় অসুস্থ হলে তারা যেন সময়মতো চিকিৎসা সুবিধা পায়। মানুষ মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা চায়’।

এসময় তিনি জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল বিএনপির সাথে স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে। স্বৈরাচারের বক্তব্য ছিল যে, বিএনপি দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন ছিল। তিনি জামায়াতকে প্রশ্ন করেন, দুই হাজার এক থেকে দুই হাজার ছয় পর্যন্ত বিএনপির মন্ত্রীসভায় তাদেরও দুইজন মন্ত্রী ছিল, তাহলে তারা কেন পদত্যাগ করে আসেনি। কারণ তারা ভালো করেই জানতো খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করেছে।

তারেক রহমান বলেন, মানুষের জন্য রাজনীতি করি, দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা শুধু বিএনপির আছে। সমস্যার সমাধান করতে চাইলে ধানের শীষে ভোট দেয়ার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, পালানো স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে একটি দল। দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে এগুনো যায় না, এজন্যই ফ্যামিলি কার্ড।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি কখনোই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি। এতদিন জনগণের যে অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সেই অধিকার প্রয়োগের দিন।

তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্ঠি করে বেকার সমস্যা সমাধান করা হবে।মানুষের জন্য রাজনীতি করি, দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা শুধু বিএনপির আছে। সমস্যার সমাধান করতে চাইলে ধানের শীষে ভোট দেয়ার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, পালানো স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে একটি দল। দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে এগুনো যায় না, এজন্যই ফ্যামিলি কার্ড।

সমাবেশে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন— ময়মনসিংহ-১ আসনের সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ-২ আসনের মোতাহার হোসেন তালুকদার, ময়মনসিংহ-৩ আসনের এম ইকবাল হোসেইন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ-৫ আসনের মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৬ আসনের আখতারুল আলম, ময়মনসিংহ-৭ আসনের মাহাবুবুর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ আসনের লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, ময়মনসিংহ-৯ আসনের ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ আসনের মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, ময়মনসিংহ-১১ আসনের ফখর উদ্দিন আহমেদ।

জামালপুরের প্রার্থীরা হলেন—জামালপুর-১ আসনের এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ আসনের এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ আসনের ফরিদুল কবীর তালুকদার এবং জামালপুর-৫ আসনের শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

নেত্রকোনার প্রার্থীরা হলেন—নেত্রকোনা-১ আসনের কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ আসনের আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ আসনের রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোনা-৪ আসনের লুৎফুজ্জামান বাবর এবং নেত্রকোনা-৫ আসনের আবু তাহের তালুকদার।

শেরপুরের প্রার্থীরা হলেন—শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, শেরপুর-২ আসনের মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এবং শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক রুবেল।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলুর সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করছেন বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদ আবু ওয়াহাব আকন্দ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার, উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার।