Dhaka শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাড়তি দামে মাছ-মাংস, স্বস্তিতে সবজির বাজার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৭ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শীত মৌসুম শেষের দিকে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হচ্ছে। শীতকালীন সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলের রমজানকে সামনে রেখে দাম বাড়তে শুরু করেছে মাছ-মাংসের। কোনো কোনো সবজির দাম আগের তুলনায় অর্ধেক থেকে দুই-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত নেমে এসেছে। বর্তমানে বেশিরভাগ সবজি কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, কুমড়া, শিম, বরবটি, পেঁপে, মূলা, গাজর, বেগুনসহ প্রায় সব শীতকালীন সবজির সরবরাহ ভালো। ফলে ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তালতলা ও আগারগাঁও বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

এসব বাজারে শীতকালীন সবজির বাজারগুলোতে টমেটো ৫০ থেকে ৮০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শালগম ৭০ টাকা, ফুলকপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১৬০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে ৬০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ১৪০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আজ কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা এবং খিরাই ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

লেবুর হালি ১০ থেকে ৩০ টাকা, দেশি ধনেপাতা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চালকুমড়া ৫০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।এসব বাজারগুলোতে লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নতুন আলু কেজিতে ৫ টাকা কমে ২৫ টাকা, পুরোনো আলু ২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ পুরোনো কেজিতে ১৩০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৮০ টাকা, নতুন পেঁয়াজ ৫০ টাকা এবং পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৩১০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩১০ টাকা, ব্রয়লার কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১৮৫ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি ইলিশ মাছ ১ হাজার টাকা, এক কেজি শিং মাছ (চাষের) আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে আকারভেদে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২০০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকায়, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০ থেকে ৭৬০ টাকায়, গরুর কলিজা ৭৬০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশি আদা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, চায়না আদা ২৪০ টাকা, রসুন দেশি ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বেড়েছে মশলার দাম। কয়েকদিনের ব্যবধানে ৩২০০ টাকার এলাচ এখন ৫৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪০০ টাকার আলু বোখারা ৮০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার কিশমিশ ৯০০ টাকা ছাড়িয়েছে। কাঠবাদাম ও অন্যান্য মশলার দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এছাড়া, মানভেদে প্রতিকেজি আদা ও রসুন ১৪০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং মানভেদে পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বাড়তি দামে মাছ-মাংস, স্বস্তিতে সবজির বাজার

প্রকাশের সময় : ০১:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শীত মৌসুম শেষের দিকে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হচ্ছে। শীতকালীন সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলের রমজানকে সামনে রেখে দাম বাড়তে শুরু করেছে মাছ-মাংসের। কোনো কোনো সবজির দাম আগের তুলনায় অর্ধেক থেকে দুই-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত নেমে এসেছে। বর্তমানে বেশিরভাগ সবজি কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, কুমড়া, শিম, বরবটি, পেঁপে, মূলা, গাজর, বেগুনসহ প্রায় সব শীতকালীন সবজির সরবরাহ ভালো। ফলে ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তালতলা ও আগারগাঁও বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

এসব বাজারে শীতকালীন সবজির বাজারগুলোতে টমেটো ৫০ থেকে ৮০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শালগম ৭০ টাকা, ফুলকপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১৬০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে ৬০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ১৪০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আজ কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা এবং খিরাই ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

লেবুর হালি ১০ থেকে ৩০ টাকা, দেশি ধনেপাতা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চালকুমড়া ৫০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।এসব বাজারগুলোতে লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নতুন আলু কেজিতে ৫ টাকা কমে ২৫ টাকা, পুরোনো আলু ২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ পুরোনো কেজিতে ১৩০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৮০ টাকা, নতুন পেঁয়াজ ৫০ টাকা এবং পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৩১০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩১০ টাকা, ব্রয়লার কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১৮৫ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি ইলিশ মাছ ১ হাজার টাকা, এক কেজি শিং মাছ (চাষের) আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে আকারভেদে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২০০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকায়, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০ থেকে ৭৬০ টাকায়, গরুর কলিজা ৭৬০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশি আদা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, চায়না আদা ২৪০ টাকা, রসুন দেশি ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বেড়েছে মশলার দাম। কয়েকদিনের ব্যবধানে ৩২০০ টাকার এলাচ এখন ৫৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪০০ টাকার আলু বোখারা ৮০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার কিশমিশ ৯০০ টাকা ছাড়িয়েছে। কাঠবাদাম ও অন্যান্য মশলার দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এছাড়া, মানভেদে প্রতিকেজি আদা ও রসুন ১৪০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং মানভেদে পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।