Dhaka রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি : 

ফরিদপুরে গৃহবধু জেসমিন বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী মিলন শেখকে (৩৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শিহাবুল ইসলাম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সাজা পাওয়া আসামি মিলন শেখ ফরিদপুর সদর উপজেলার বিলমামুদপুর এলাকার আক্কেল মোল্যার ডাঙ্গী এলাকার মো. সিদ্দিক শেখের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদের জের ধরে ২০১৯ সালের ২০ মার্চ সকালে বিলমামুদপুরের আক্কেল মোল্যার ডাঙ্গী এলাকার স্বামীর বসতঘর থেকে জেসমিন বেগমের গলায় ওড়না পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে স্বামীর বাড়ির লোকজন শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় একইদিন কোতোয়ালি থানায় গৃহবধূ জেসমিনের বাবা ইউনুস শেখ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ১৭ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন আদালত। এ রায়ে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে আশা করি।’

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ফরিদপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি : 

ফরিদপুরে গৃহবধু জেসমিন বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী মিলন শেখকে (৩৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শিহাবুল ইসলাম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সাজা পাওয়া আসামি মিলন শেখ ফরিদপুর সদর উপজেলার বিলমামুদপুর এলাকার আক্কেল মোল্যার ডাঙ্গী এলাকার মো. সিদ্দিক শেখের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদের জের ধরে ২০১৯ সালের ২০ মার্চ সকালে বিলমামুদপুরের আক্কেল মোল্যার ডাঙ্গী এলাকার স্বামীর বসতঘর থেকে জেসমিন বেগমের গলায় ওড়না পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে স্বামীর বাড়ির লোকজন শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় একইদিন কোতোয়ালি থানায় গৃহবধূ জেসমিনের বাবা ইউনুস শেখ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ১৭ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন আদালত। এ রায়ে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে আশা করি।’