ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :
নির্বাচনে জনগণের রায়ে ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুর বিভাগ বাস্তবায়নসহ এলাকার কৃষি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে ফরিদপুর বিভাগ (সাংগঠনিক বিভাগ) বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা বলেন।
তিনি বলেন, ফরিদপুরবাসীর যদি সমস্যার সমাধান হয়, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার দাবি পূরণ করা হবে। এছাড়া বৃহত্তর ফরিদপুর কৃষি প্রধান এলাকা। পাট শিল্প এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান খাত। ক্ষমতায় গেলে এই পাট রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির।
তারেক রহমান বলেন, ফরিদপুরের নেতারা দুটি দাবির কথা বলেছেন—এক, এই ফরিদপুর শহরকে সিটি কর্পোরেশন করা এবং দুই, ফরিদপুরকে বিভাগ করা। আজকের এই নির্বাচনী জনসভায় আপনাদের সবার সামনে আমি এতটুকু বলতে চাই, ইনশাল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করলে আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে, বিভাগ গঠন করলে যদি এলাকার মানুষের উপকার হয়, বিভাগ গঠন করলে যদি মানুষের সমস্যার সমাধান হয়, তাহলে ইনশাল্লাহ জনগণের সেই দাবি বিএনপি পূরণ করবে।
তিনি বলেন, বৃহত্তর ফরিদপুর এলাকা কৃষিপ্রধান একটি এলাকা। এই এলাকায় পাটশিল্প আছে। যেই পাটশিল্পকে যদি আমরা সহযোগিতা করতে পারি। এই পাটশিল্পের সঙ্গে লাখ লাখ কৃষক ভাইয়েরা জড়িত আছে এবং এই পাটশিল্পকে সহযোগিতা করার মাধ্যমে একদিকে যখন কৃষক ভাইদের সুবিধা হবে, একইভাবে আমরা দেশকেও সামনে নিয়ে যেতে পারব। এই পাট রপ্তানি করার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারব।
তারেক রহমান বলেন, এই এলাকার বহু যুবক-তরুণ আছে যারা শিক্ষার আলোয় আলোকিত, কিন্তু তাদের একটি সমস্যা আছে যে বহু মানুষের কাছে কর্মসংস্থান নেই। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি—বাংলাদেশের প্রত্যেকটি এলাকা, প্রত্যেকটি জেলার বিভিন্ন রকম বৈশিষ্ট্য আছে। সেই বৈশিষ্ট্যগুলো পর্যালোচনা করে সেই এলাকার উপযুক্ত কী কী কলকারখানা তৈরি করা যায়, যেসব কলকারখানা তৈরি করলে পরে সেই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
তিনি বলেন, এ অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের কাজে হাত দিতে চাই। হাসপাতালগুলো মেরামতের পাশাপাশি সারা দেশে হেলথ কেয়ার প্রতিষ্ঠা করা হবে, যাতে মায়েরা, শিশুরা ঘরে বসে চিকিৎসা সেবা পেতে পারেন।
আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনার প্রয়োগে ফরিদপুরের উন্নয়নের পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, ফরিদপুর অঞ্চল ঘিরে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করতে চাই। যেন শুষ্ক মৌসুমে পানি সমস্যার সমাধান হয়। জনগনপলের সমর্থন ছাড়া কোনো বড় কাজ সম্ভব নয়। জনগণের সমর্থন থাকলে যে কোনো বড় কাজ করতে সক্ষম হবে বিএনপি।
স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, কৃষি এবং শিল্প উভয় খাত গড়ে তুলতে চাই, যেন স্থানীয় মানুষ কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আত্মসম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। জনগণের পক্ষ থেকে তাদের একটি নাম দেয়া হয়েছে গুপ্ত। জনগণ তাদের গুপ্ত নামেই চেনে। এরা রূপের পরিবর্তন করে।
তিনি বলেন, যারা নারীদেরকে সম্মান করতে জানে না, তাদের কাছে ভালো কিছু আশা করা যায় না। ভোটার আইডি ও বিকাশ নাম্বার সংগ্রহ করে জনগণের সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করছে একটি দল।
তারেক রহমান বলেন, আমরা প্রত্যেক এলাকায় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কলকারখানা করবো। যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারে। নারীদের পেছনে ফেলে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো না। এজন্য নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেবো। তার মাধ্যমে নারীরা খেটে খাওয়া পরিবারগুলো কিছু সহায়তা পাবে।
তিনি বলেন, বিএনপিকে ১২ তারিখ দেশের মানুষ ভোট দিলে কি কি করবো আমরা তা পরিকল্পনা করেছি। এই এলাকার একটি অন্যতম সমস্যা নদী ভাঙন। কৃষিপ্রধান এই এলাকায় আমরা নদী ভাঙনরোধ করতে পারলে এই এলাকার অন্যতম সেরা ফসল পাটকে বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা পাবো।
নারী উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক নারী গোষ্ঠীকে পিছিয়ে রাখলে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে পারবো না। আর তাই প্রত্যেক গৃহিণীর কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। এর ফলে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হবে এবং দেশও এগিয়ে যাবে। এছাড়া হেলথ কেয়ার নিযুক্ত করতে চাই যেন গ্রামে গ্রামে ঘরে ঘরে গিয়ে ছোটো অসুস্থতার চিকিৎসা দেয়া যায়।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের স্বাধীনতা, ভোট ও কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। এই ষড়যন্ত্র যারা করছে, জনগণের পক্ষ থেকে তাদের একটি নাম দেওয়া হয়েছে গুপ্ত। জনগণ তাদেরকে গুপ্ত নামে ডাকে। কারণ জনগণ দেখেছে যখনই সময় এদিকে হয় তখন তাদের এক রূপ, যখন সময় হয় ওদিক তখন তাদের আরেক রূপ। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তারা রূপ পরিবর্তন করে।
তিনি বলেন, এদের কাছ থেকে আমরা ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারি না। ১৯৭১ সালে তাদের বিতর্কিত ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের লাখ লাখ নারী, লাখ লাখ মা-বোনের সম্মানহানি হয়েছিল। এদের কাছ থেকে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। এরা বলবে একটা, করবে আরেকটা। নিজের দেশের মা-বোনদের সম্পর্কে যাদের মিনিমাম সম্মানবোধ নেই, তাদের কাছে আমরা নিরাপদ নই।
তারেক রহমান বলেন, আমরা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার খবরে দেখছি—এই গুপ্তদের বিভিন্ন লোকজন বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বিশেষ করে মা-বোনদের কাছে গিয়ে তারা বিকাশ নম্বর ও এনআইডি নম্বর চাইছে। তারা কেন চাইছে—তারা দেশের মানুষের সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করছে। অথচ অন্যদিকে আমরা দেখি, তারা নাকি সৎ লোকের শাসন দেবে। আপনি কাজটা শুরু করেছেন অনৈতিক বিষয় দিয়ে। যেখানে আপনি নিজেই অনৈতিক কাজ দিয়ে শুরু করেছেন, সেখানে জনগণ কীভাবে আশা করবে আপনারা সৎ লোকের শাসন দেবেন।
তিনি বলেন, বিএনপিকে ১২ তারিখ দেশের মানুষ ভোট দিলে কী কী করবে বিএনপি, তা আমরা পরিকল্পনা করেছি। এই এলাকার একটি অন্যতম সমস্যা নদীভাঙন। কৃষিপ্রধান এই এলাকায় আমরা নদীভাঙন রোধ করতে পারলে এই ফরিদপুরের অন্যতম সেরা ফসল পাটকে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা পাব।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই আমরা কৃষকদের কৃষক কার্ড দেব। এর মাধ্যমে তাদের ফসল ফলাতে বীজ, সার পৌঁছে দিতে চাই। এই এলাকার একটি অন্যতম সমস্যা বেকারত্ব। আমরা ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেক এলাকায় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কলকারখানা করব, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারে। নারীদেরকে পেছনে ফেলে আমরা এগিয়ে যেতে পারব না। এজন্য নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেব। তার মাধ্যমে নারীরা খেটে খাওয়া পরিবারগুলো কিছু সহায়তা পাবে।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা যারা করছে, তাদের আসল চেহারা আজ দেশবাসীর কাছে উন্মোচিত। জনগণই এখন এই ষড়যন্ত্রকারীদের নাম দিয়েছে ‘গুপ্ত গোষ্ঠী’। এই তথাকথিত গুপ্ত চক্রটি কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, সামাজিকভাবেও বিভাজন তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। এই গোষ্ঠীর প্রধান দেশের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মা-বোনদের নিয়ে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ এবং অপমানজনক মন্তব্য করেছেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, যাদের অন্তরে সাধারণ মানুষের প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধ নেই, যারা দেশের নারী শক্তিকে অপমান করতে দ্বিধা করে না, তাদের কাছ থেকে জনকল্যাণমূলক কিছু আশা করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়।
তিনি বলেন, এই গোষ্ঠীর পূর্বসূরিরাই ১৯৭১ সালে দেশের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ঘটিয়েছিল।
নির্বাচনী মাঠের পরিস্থিতি তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ভোটারদের বিশেষ করে মা-বোনদের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে অনৈতিকভাবে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা নির্বাচনের আগেই এমন অস্বচ্ছ ও বিতর্কিত পথে পা বাড়িয়েছে, তারা ক্ষমতায় গিয়ে কীভাবে দেশের সুশাসন নিশ্চিত করবে?
তারেক রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বা প্রলোভন দিয়ে জনগণের রায় পরিবর্তনের দিন শেষ হয়ে গেছে। কোনো অগণতান্ত্রিক শক্তি যেন জনগণের ভোটাধিকার হরণ করতে না পারে, সেজন্য তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন।
‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা জালিম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, বর্তমানে দেশে নতুন জালিমের আবির্ভাব হয়েছে। গুপ্ত দলের লোকেরা জালিম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশে নারী-পুরুষ মিলে মাঠে কাজ করে। নতুন জালিম যাদের মানুষ গুপ্ত হিসেবে চেনে, সেই জালিমদের নেতা নারীদের নিয়ে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছে। এরা ইসলামের রাজনীতি করে কিন্তু নারীদের নিয়ে কীভাবে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করে।
তিনি বলেন, গুপ্ত দলের নেতা প্রকাশ্যে নারীদের নিয়ে অত্যন্ত কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছেন। যেই দলের দেশের মা-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা নেই, তাদের কষ্টের প্রতি সম্মান নেই, তাদের থেকে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশা করা যায় না।
মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে তারেক রহমান বলেন, অতীত ইতিহাস মানুষ ভুলে যায়নি, ওই গুপ্ত দলের নেতাদের সহযোগিতায় এদেশের লাখ লাখ মা-বোন নির্যাতিত হতে হয়েছিল। তাদের ব্যাপারে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে, যারা নিজে দেশের মা-বোনদের সম্মান করতে জানে না, তাদের কাছ থেকে আর যাই হোক ভাল কিছু আশা করা যায় না।
জুলাই আন্দোলনে শহীদের পরিবারের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, যারা গুম খুন ও জুলাইয়ে শহীদ ও আহত হয়েছে- তাদের প্রত্যাশা ছিল দেশের মানুষের ১৬ বছর যে অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিল সে অধিকার ফিরে পেতে। আর এজন্য তারা গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে; যারা জবাবদিহির মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করবে বলে মনে করেন তারেক রহমান।
ফরিদপুরের নেতারা নিজ জেলার উন্নয়ন নিয়ে তারেক রহমানের কাছে বিভিন্ন প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৭ বছর আমি দেশে ছিলাম না, শুনেছি অনেক উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে দেখলাম উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে। সময় এসেছে, আপনাদের কাছ থেকে যে অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিল, সেটির সঠিক প্রয়োগের, আমি আপনাদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাই।
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মাধ্যমিক পর্যন্ত নারীদের শিক্ষা ফ্রি করেছিলেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এবার বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।
তিনি বলেন, দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে, এখন দেশ গঠন করতে হবে। আমাদেরকে নতুন স্কুল-কলেজ ও মিল কলকারখানা তৈরি করতে হবে। খাল ও নদী খনন করতে হবে। কৃষকদের সুবিধার জন্য হিমাগার তৈরি করতে হবে। বহুকাজ বাকি রয়ে গেছে, দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে।
দেশে এখনো গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যদি ১২ তারিখ এ ষড়যন্ত্রকে ঠেকিয়ে দিতে পারি, তবে ১৩ তারিখ থেকে জনগণের শাসন কায়েম হবে।
বক্তৃতার শেষে তিনি ফরিদপুরবাসীকে ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
ফরিদপুর বিভাগীয় এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী। সঞ্চালনা করেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া।
এদিন আরও বক্তব্য দেন ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনের প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, শরীয়তপুর-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মিয়া মো. নুরুদ্দীন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদপুর-২ আসনের প্রার্থী শামা ওবায়েদ ও আজকের সভার সভাপতি ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী।
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি 


















