Dhaka রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে থাইল্যান্ডের আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে অযোগ্য ঘোষণা করেছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। কারাবরণ করা সাবেক এক আইনজীবীকে মন্ত্রিসভায় নিয়োগ দিয়ে তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে রায়ে বলা হয়েছে। এতে করে প্রধানমন্ত্রিত্ব পদ হারালেন থাভিসিন।

গত সপ্তাহে দেশটির জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল প্রগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে নিষিদ্ধ করে দেন একই আদালত। দলটির নেতাদের রাজনীতি থেকে ১০ বছর নিষিদ্ধও করা হয়। দলটি গত বছরের সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছিল। আদালতের এমন রায়ের কারণে আরো রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল থাইল্যান্ড।

ব্যাঙ্ককের সাংবিধানিক আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন একজন জেলখাটা আইনজীবীকে সরকারের দায়িত্বে নিয়োগ করে নৈতিকতা ভঙ্গ করেছেন। আদালতের ৯ বিচারকের মধ্যে পাঁচজন প্রধানমন্ত্রী স্রেথাকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। তিনি জেনেশুনে একজন নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে তারা জানান।

পিচিট চুয়েনবান নামের যে আইনজীবীকে সরকারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কাছের লোক ছিলেন।

পিচিট চুয়েনবান ২০০৮ সালে জমিসংক্রান্ত একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপর তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জমিসংক্রান্ত মামলাটিতে থাকসিন সিনাওয়াত্রাও জড়িত ছিলেন।

এখন ক্ষমতাসীন ফিউ থাইয়ের নেতৃত্বাধীন জোট ফের প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নতুন প্রার্থী দেবে। যিনি সংসদের ৫০০ সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।

গত বছরের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন স্রেথা। এর মাধ্যমে থাইল্যান্ডে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার অবসান হয়েছিল। কিন্তু তার ফিউ থাই পার্টিকে সেনাবাহিনীর মনোনীত প্রার্থীদের সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করতে হয়েছিল।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে থাইল্যান্ডের আদালত

প্রকাশের সময় : ০৬:১৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে অযোগ্য ঘোষণা করেছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। কারাবরণ করা সাবেক এক আইনজীবীকে মন্ত্রিসভায় নিয়োগ দিয়ে তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে রায়ে বলা হয়েছে। এতে করে প্রধানমন্ত্রিত্ব পদ হারালেন থাভিসিন।

গত সপ্তাহে দেশটির জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল প্রগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে নিষিদ্ধ করে দেন একই আদালত। দলটির নেতাদের রাজনীতি থেকে ১০ বছর নিষিদ্ধও করা হয়। দলটি গত বছরের সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছিল। আদালতের এমন রায়ের কারণে আরো রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল থাইল্যান্ড।

ব্যাঙ্ককের সাংবিধানিক আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন একজন জেলখাটা আইনজীবীকে সরকারের দায়িত্বে নিয়োগ করে নৈতিকতা ভঙ্গ করেছেন। আদালতের ৯ বিচারকের মধ্যে পাঁচজন প্রধানমন্ত্রী স্রেথাকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। তিনি জেনেশুনে একজন নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে তারা জানান।

পিচিট চুয়েনবান নামের যে আইনজীবীকে সরকারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কাছের লোক ছিলেন।

পিচিট চুয়েনবান ২০০৮ সালে জমিসংক্রান্ত একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপর তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জমিসংক্রান্ত মামলাটিতে থাকসিন সিনাওয়াত্রাও জড়িত ছিলেন।

এখন ক্ষমতাসীন ফিউ থাইয়ের নেতৃত্বাধীন জোট ফের প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নতুন প্রার্থী দেবে। যিনি সংসদের ৫০০ সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।

গত বছরের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন স্রেথা। এর মাধ্যমে থাইল্যান্ডে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার অবসান হয়েছিল। কিন্তু তার ফিউ থাই পার্টিকে সেনাবাহিনীর মনোনীত প্রার্থীদের সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করতে হয়েছিল।