Dhaka শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুলিশ হেফাজতে সেই ডিসি ইকবাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

‘গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করলে মরে একটা কিংবা আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়।’ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের গুলি করার বিষয়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আছাদুজ্জামান খান কামালকে মোবাইল ফোনে একটি ভিডিও দেখিয়ে পরিস্থিতির বর্ণনা দেওয়া ডিএমপির ওয়ারি বিভাগের ডিসি মোহাম্মাদ ইকবালকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় নরসিংদীর নিজ বাড়ি থেকে তাকে তুলে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তিনি এখন ডিএমপিতে রয়েছেন। পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেছেন, ইকবালের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত তা তারা জানেন না। তারা শুধু তাকে হেফাজতে রেখেছেন।

আন্দোলনের পুরো সময় মোহাম্মদ ইকবাল ওয়ারি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়া এলাকা তার আওতাধীন ছিল। আন্দোলনের সময় এই দুটি জায়গাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আন্দোলনের মোট নিহতদের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঢাকার আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পুলিশ ও জনতা হতাহত হয়েছেন যাত্রাবাড়ী ও শনিরআখড়া এলাকায়।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ইসি ও একটি দল নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সুযোগ খুঁজছে : সালাহউদ্দিন আহমদ

পুলিশ হেফাজতে সেই ডিসি ইকবাল

প্রকাশের সময় : ০১:২৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

‘গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করলে মরে একটা কিংবা আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়।’ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের গুলি করার বিষয়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আছাদুজ্জামান খান কামালকে মোবাইল ফোনে একটি ভিডিও দেখিয়ে পরিস্থিতির বর্ণনা দেওয়া ডিএমপির ওয়ারি বিভাগের ডিসি মোহাম্মাদ ইকবালকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় নরসিংদীর নিজ বাড়ি থেকে তাকে তুলে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তিনি এখন ডিএমপিতে রয়েছেন। পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেছেন, ইকবালের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত তা তারা জানেন না। তারা শুধু তাকে হেফাজতে রেখেছেন।

আন্দোলনের পুরো সময় মোহাম্মদ ইকবাল ওয়ারি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়া এলাকা তার আওতাধীন ছিল। আন্দোলনের সময় এই দুটি জায়গাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আন্দোলনের মোট নিহতদের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঢাকার আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পুলিশ ও জনতা হতাহত হয়েছেন যাত্রাবাড়ী ও শনিরআখড়া এলাকায়।