নিজস্ব প্রতিবেদক :
‘পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন’ মর্মে ইসিকে উদ্ধৃত করে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে তা সঠিক নয়। এ বিষয়ে প্রচারিত সংবাদটি প্রত্যাহার বা বন্ধ রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তথ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস নোটে এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে বলে শুক্রবার সরকারের এক তথ্যবিবরণীতে এতথ্য জানানো হয়।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিকের পাঠানো বার্তায় বলা হয়, পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন, এ মর্মে ইসির উদ্ধৃতি দিয়ে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে তা সঠিক নয়। এ বিষয়ে প্রচারিত সংবাদটি বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো।
শুক্রবার সকালে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদের বরাতে কয়েকটি গণমাধ্যমে পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন স্থগিতের খবর প্রকাশিত হয়। তবে বিষয়টি পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন স্থগিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত শুধু এ দুটি আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম আপাতত স্থগিত থাকবে।’
ইসি জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং ভোট আয়োজনের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত পরিবর্তন হয়নি।
গত ৫ জানুয়ারি পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের গত ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে ওই আদেশ দেওয়া হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে নির্বাচন কমিশন গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। তাতে সাঁথিয়া উপজেলার পুরোটা নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলাকে মিলিয়ে পাবনা-২ আসন চূড়ান্ত করা হয়।
ইসির গেজেটের এই দুটি আসনসংক্রান্ত অংশটুকুর বৈধতা নিয়ে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























