Dhaka বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাতানো নির্বাচন হলে দেশ আবার ধ্বংসের দিকে যাবে : ডা. তাহের

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রশাসন একটি দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে জানিয়ে জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, আবার পাতানো নির্বাচন হলে দেশ আবার ধ্বংসের দিকে যাবে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীতে জামায়াতে আমিরের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এই শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ইইউকে জানানো হয়েছে, আগামী নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ প্রত্যাশা করে জামায়াত। তবে প্রশাসন একটি দলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন যেহেতু ১১ দলের সঙ্গে সমঝোতা করে হবে তাই সরকার গঠনেও তাদের অংশীদারিত্ব থাকবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১১ দলের নির্বাচনি আসন সমঝোতা শিগগিরই হবে বলে জানান তিনি। ডা. তাহের বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০ আসন দেয়ার দাবি কাল্পনিক।

সৈয়দ তাহের অভিযোগ করে বলেন, ‘এক-দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে সরকার এবং আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা আছে সেনাবাহিনীসহ—যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে একটা দলের আনুগত্য দেখাচ্ছে, এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কি না। আমরা মনে করি, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। আমরা নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং অল আদার ইনভল্ভ অথরিটির কাছে আবেদন করি, তারা যেন এখনই এ ব্যাপারে নিরপেক্ষ হয় এবং বাংলাদেশকে সেভ (রক্ষা) করার জন্য তারা ভূমিকা পালন করে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তাহের বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, তারা এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানাই বলেছি।’

সৈয়দ তাহের বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী করবে সেটা জানতে চেয়েছেন তাঁরা। আমরা বলেছি, ক্ষমতায় গেলে দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেব। আমাদের লক্ষ্য হবে আন্তর্জাতিক সহায়তায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখা।’

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পাতানো নির্বাচন হলে দেশ আবার ধ্বংসের দিকে যাবে : ডা. তাহের

প্রকাশের সময় : ১২:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রশাসন একটি দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে জানিয়ে জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, আবার পাতানো নির্বাচন হলে দেশ আবার ধ্বংসের দিকে যাবে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীতে জামায়াতে আমিরের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এই শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ইইউকে জানানো হয়েছে, আগামী নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ প্রত্যাশা করে জামায়াত। তবে প্রশাসন একটি দলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন যেহেতু ১১ দলের সঙ্গে সমঝোতা করে হবে তাই সরকার গঠনেও তাদের অংশীদারিত্ব থাকবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১১ দলের নির্বাচনি আসন সমঝোতা শিগগিরই হবে বলে জানান তিনি। ডা. তাহের বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০ আসন দেয়ার দাবি কাল্পনিক।

সৈয়দ তাহের অভিযোগ করে বলেন, ‘এক-দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে সরকার এবং আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা আছে সেনাবাহিনীসহ—যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে একটা দলের আনুগত্য দেখাচ্ছে, এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কি না। আমরা মনে করি, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। আমরা নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং অল আদার ইনভল্ভ অথরিটির কাছে আবেদন করি, তারা যেন এখনই এ ব্যাপারে নিরপেক্ষ হয় এবং বাংলাদেশকে সেভ (রক্ষা) করার জন্য তারা ভূমিকা পালন করে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তাহের বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, তারা এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানাই বলেছি।’

সৈয়দ তাহের বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী করবে সেটা জানতে চেয়েছেন তাঁরা। আমরা বলেছি, ক্ষমতায় গেলে দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেব। আমাদের লক্ষ্য হবে আন্তর্জাতিক সহায়তায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখা।’