স্পোর্টস ডেস্ক :
পাকিস্তান ক্রিকেটে চলছে পরিবর্তনের ঝড়। জাতীয় দলের অধিনায়ক থেকে নির্বাচক, কোচিং স্টাফ সব জায়গাতেই পরিবর্তন এসেছে। নতুন ক্রিকেট পরিচালক হয়েছেন মোহাম্মদ হাফিজ। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে প্রধান কোচের দায়িত্বও পালন করবেন হাফিজ। প্রধান নির্বাচক করা হয়েছে ওয়াহাব রিয়াজকে। এবার পরিবর্তন এসেছে বোলিং কোচেও। ম্যান ইন গ্রিনদের বোলিংয়ের দায়িত্বে নিযুক্ত হলেন উমর গুল ও সাঈদ আজমল, এক বিবৃতিতে বিষটি নিশ্চিত করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
গুল, আজমল দুজনেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে আছেন অনেক বছর আগে। ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়েছেন গুল। আর আজমল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন ২০১৭ সালে। দুজনেরই কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে। পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেন আজমল। তিনিই এবার প্রথমবারের মতো পাকিস্তান দলে কোচিং করাবেন। দায়িত্ব পেয়ে আজমল বলেন, ‘পাকিস্তান জাতীয় দলে স্পিন বোলিং প্রতিভার উন্নয়নে অবদান রাখতে পেরে বেশ আনন্দিত। ক্যারিয়ার ও কোচিং অভিজ্ঞতা দুটোই দলের স্পিন বোলিং ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করবে।’
অন্যদিকে গুল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ফ্র্যাঞ্চাইজি দুই জায়গাতেই কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরসের বোলিং কোচ ছিলেন তিনি। আফগানিস্তানের বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন ২০২২ সালে। এরপর এ বছরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলের ক্রিকেট-দুই সিরিজে পাকিস্তানের বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
পাকিস্তানের সাবেক পেসার বলেন, ‘পাকিস্তানের বোলিং কোচের দায়িত্বে যোগ দিয়ে আনন্দিত। সুযোগ দেওয়ায় নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। ছেলেদের দলের সঙ্গে আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। পাকিস্তানের বোলিংকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর জন্য আমার কোচিং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আসব।’ ১৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়েই দায়িত্ব শুরু হবে গুল ও আজমলের। এরপর ১২ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত হবে নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান দুই দলের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গুল, আজমল দুজনেই ছিলেন দুর্দান্ত। ২০০৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে গুল খেলেছেন ৪৭ টেস্ট, ১৩০ ওয়ানডে ও ৬০ টি-টোয়েন্টি। ২৩৭ ম্যাচের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে নিয়েছেন ৪২৭ উইকেট। অন্যদিকে গুলের চেয়েও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশি উইকেট নিয়েছেন আজমল। ২০০৮ থেকে ২০১৫-৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে তিন সংস্করণ মিলে ২১২ ম্যাচে ৪৪৭ উইকেট নিয়েছেন আজমল। লর্ডসে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, মিরপুরে ২০১২ এশিয়া কাপ-পাকিস্তানের দুই শিরোপা জয়ী ফাইনালের একাদশে ছিলেন গুল ও আজমল।
স্পোর্টস ডেস্ক 

























