নিজস্ব প্রতিবেদক :
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আবারও সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কেউ যদি নির্বাচন নিয়ে বিকল্প কোনো কিছু ভাবে সেটা জাতির জন্য খুবই বিপজ্জনক হবে।
রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে প্রধান উপদেষ্টার বরাত দিয়ে তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকের এ তথ্য জানান। এদিন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে জামায়াত, এনসিপি ও বিএনপির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রেস সচিব বলেন, আজকের মিটিংগুলোর মাঝামাঝি সময়েই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মুনির হায়দার দেখা করেছেন। প্রফেসর আলী রীয়াজ জুলাই সনদ চূড়ান্ত করার বিষয়ে কি কি অগ্রগতি হচ্ছে, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবগত করেছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে কি মতামত দিয়েছে, সেটা নিয়েও আলোচিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে দুর্গাপূজার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, আপনারা জানেন সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে দুর্গাপূজা শুরু হবে। দুর্গাপূজা ঘিরে যেন দেশে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, কেউ যেন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলকে সজাগ থাকার এবং সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
জাতীয় পার্টির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, একেকজন, একেকটা পার্টি, একেক রকম মতামত দিয়েছেন। সেটি বিস্তারিত শুনেছেন প্রধান উপদেষ্টা। খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এবং খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আমি বলব আপনারা জানেন, গত ১৩ মাস এই গভর্মেন্ট দায়িত্ব গ্রহণ করার পরে একটা ডায়ালগ চলমান আছে, প্রত্যেকটা পার্টির সঙ্গেই আমাদের খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে। আজকে যে তিনটা পার্টির সঙ্গে আলোচনা হলো, বলব সৌহার্দ্যপূর্ণ ফ্রেন্ডলি পরিবেশে হয়েছে এবং অনেকক্ষণ ধরে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আদিলুর রহমান খান, ড. আসিফ নজরুল, ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, ড. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।