রংপুর জেলা প্রতিনিধি :
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। আপনারা সহযোগিতা করবেন, কোথাও যদি কোনো রকম কারচুপি হয় আমাদের জানাবেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নেব।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদে তিনি এসব বলেন।
তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনটা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে। নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণভাবে, সুষ্ঠু পরিবেশে এবং একটা উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। একটা ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচন হবে।
বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যে জায়গায় যে রকম ব্যবস্থা নেওয়ার, ওই ধরনের প্রস্তুতি আমাদের নেওয়া হয়েছে। এখানে আজকের মতবিনিময় সভায়ও এটি আলোচনা হয়েছে।
বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যে জায়গায় যে রকম ব্যবস্থা নেওয়ার, ওই ধরনের প্রস্তুতি আমাদের নেওয়া হয়েছে। এখানকার মতবিনিময় সভায়ও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণভাবে, সুষ্ঠু পরিবেশে এবং একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। একটি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচন হবে আশা করছি।
তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে পর্যাপ্ত বিজিবি মোতায়েন করা হবে। সাধারণত বর্ডার এলাকার ৮ কিলোমিটারে সেনাবাহিনী যায় না। যদি পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজন হয়, তবে সেখানেও সেনাবাহিনী যাবে।
তিনি আরো বলেন, রংপুর বিভাগের মানুষ শান্তিপ্রিয়। এই অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সারা দেশের মতো উত্তরের দুর্গম ও চরাঞ্চলগুলোতেও পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে উত্তরাঞ্চলের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি মোতায়েন থাকবে। সীমান্তে কোনো ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বিজিবির পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীও ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় উত্তরাঞ্চলের মানুষ শান্তিপ্রিয়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান উপদেষ্টা।
এদিকে রাজধানীর একটি মাল্টিমিডিয়া হাউজ থেকে গতরাতে বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীকে সেনাবাহিনী তুলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনায় স্বাধীন সাংবাদিকতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি তার নজরে আসেনি।
এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম, রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানসহ আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড, আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি পাবনা জেলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনের উদ্দেশে রংপুর ত্যাগ করেন।
রংপুর জেলা প্রতিনিধি 






















