নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিদেশি নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী। হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেছিলেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
নাহিদ ইসলামের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ। কাইয়ুমের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করীম ও রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রিট করার পর আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতু নামে একটি দেশের নাগরিক। হলফনামায় তিনি এ তথ্য গোপন করেছেন। যেটা পরে ডিসক্লোজ হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম সে বিষয়টি নিয়ে রিট করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী যারা দ্বৈত নাগরিক, তারা সংসদ সদস্য নির্বাচন করার অনুপযুক্ত। এ বিষয়টি এবং হলফনামায় যে তথ্য গোপন করেছেন, এ দুটি বিষয় সামনে রেখে রিট করেছেন। যেটি শিগগিরই উপযুক্ত বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে। তার প্রার্থিতা স্থগিত চেয়েছি। আশা করছি আগামীকাল (মঙ্গলবার) শুনানি হতে পারে।
গুলশান এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮,৩৯,৪০,৪১ ও ৪২ এবং সবুজবাগ এলকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন ভোটার রয়েছেন।
প্রার্থী রয়েছেন- বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র কহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির মো. মিজানুর রহমান , জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















