Dhaka বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে ইরফান সাজ্জাদের পোস্ট ভাইরাল

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০২:১৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২০০ জন দেখেছেন

বিনোদন ডেস্ক : 

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষাব্যবস্থার সম্ভাব্য কঠোরতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাচ্চারা তোমরা যারা আগের দিন টিকটক করে পরের দিন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে গেছো আল্লাহর ওয়াস্তে পড়তে বসো! এই লোক কি জিনিস তোমাদের কোন আইডিয়া নাই!’

পোস্টের সঙ্গে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন-এর একটি ছবিও যুক্ত করেন তিনি।

অতীতের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে অভিনেতা লেখেন, ‘আমাদের এসএসসি পরীক্ষার সময় পাসের হার ছিল ২৮ শতাংশ। আর সেই সময়ে এই ভদ্রলোক (এহসানুল হক মিলন) ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।’

ইরফানের সতর্কবার্তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। প্রতিবেদনটি লেখা অবধি পোস্টিতে রিঅ্যাকশন ছিল প্রায় ৭০ হাজার, আর শেয়ার হইয়েছে দেড় হাজারের বেশি। অনেকেই পোস্টিতে কমেন্ট করে অভিনেতার সঙ্গে নিজেদের অভিজ্ঞটা শেয়ার করেছেন।

মন্তব্য ঘরে নেটিজেনদের নানা প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ে। কেউ পুরোনো দিনের কঠিন পরীক্ষাব্যবস্থার প্রসঙ্গ তুলেছেন, আবার কেউ রসিকতার সুরে জানতে চেয়েছেন, সবাই যদি পড়াশোনায় ব্যস্ত হয়ে যায়, তবে নাটক দেখবে কে।

সব মিলিয়ে ইরফান সাজ্জাদের এই বার্তা সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে শিক্ষাব্যবস্থা ও পড়াশোনা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২০০১ সালে শিক্ষা-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এহসানুল হক মিলন। দায়িত্ব পালনকালে নকলের বিরুদ্ধে তার জোরালো অবস্থানের স্মৃতি এখনো মানুষ মনে রেখেছেন। ফলে ইরফান সাজ্জাদের পোস্ট দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনরাও তাকে নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন।

মোহসিনা নামে একজন লেখেন, “উনি নিজেও অনেক পড়াশোনা করা লোক। তাই উনি পড়াশোনার ব্যাপারে এত কড়া। আমাদের সময়েও উনাকে পেয়েছি।” স্মৃতি হাতড়ে মিঠু লেখেন, “আমি ঠিক ঐ বছর পাস করছিলাম, ২০০৩ সাল। আমাদের বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ৬৭ জন। আর পাস করছিলাম মাত্র তিনজন। ঐটাই জীবনের সেরা অর্জন ছিল।” এমন অসংখ্য মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

শিক্ষা ব্যবস্থাকে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে প্রবর্তন করাসহ আমূল পরিবর্তন করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নতুন শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে ইরফান সাজ্জাদের পোস্ট ভাইরাল

প্রকাশের সময় : ০২:১৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক : 

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষাব্যবস্থার সম্ভাব্য কঠোরতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাচ্চারা তোমরা যারা আগের দিন টিকটক করে পরের দিন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে গেছো আল্লাহর ওয়াস্তে পড়তে বসো! এই লোক কি জিনিস তোমাদের কোন আইডিয়া নাই!’

পোস্টের সঙ্গে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন-এর একটি ছবিও যুক্ত করেন তিনি।

অতীতের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে অভিনেতা লেখেন, ‘আমাদের এসএসসি পরীক্ষার সময় পাসের হার ছিল ২৮ শতাংশ। আর সেই সময়ে এই ভদ্রলোক (এহসানুল হক মিলন) ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।’

ইরফানের সতর্কবার্তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। প্রতিবেদনটি লেখা অবধি পোস্টিতে রিঅ্যাকশন ছিল প্রায় ৭০ হাজার, আর শেয়ার হইয়েছে দেড় হাজারের বেশি। অনেকেই পোস্টিতে কমেন্ট করে অভিনেতার সঙ্গে নিজেদের অভিজ্ঞটা শেয়ার করেছেন।

মন্তব্য ঘরে নেটিজেনদের নানা প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ে। কেউ পুরোনো দিনের কঠিন পরীক্ষাব্যবস্থার প্রসঙ্গ তুলেছেন, আবার কেউ রসিকতার সুরে জানতে চেয়েছেন, সবাই যদি পড়াশোনায় ব্যস্ত হয়ে যায়, তবে নাটক দেখবে কে।

সব মিলিয়ে ইরফান সাজ্জাদের এই বার্তা সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে শিক্ষাব্যবস্থা ও পড়াশোনা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২০০১ সালে শিক্ষা-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এহসানুল হক মিলন। দায়িত্ব পালনকালে নকলের বিরুদ্ধে তার জোরালো অবস্থানের স্মৃতি এখনো মানুষ মনে রেখেছেন। ফলে ইরফান সাজ্জাদের পোস্ট দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনরাও তাকে নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন।

মোহসিনা নামে একজন লেখেন, “উনি নিজেও অনেক পড়াশোনা করা লোক। তাই উনি পড়াশোনার ব্যাপারে এত কড়া। আমাদের সময়েও উনাকে পেয়েছি।” স্মৃতি হাতড়ে মিঠু লেখেন, “আমি ঠিক ঐ বছর পাস করছিলাম, ২০০৩ সাল। আমাদের বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ৬৭ জন। আর পাস করছিলাম মাত্র তিনজন। ঐটাই জীবনের সেরা অর্জন ছিল।” এমন অসংখ্য মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে।