Dhaka বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুঃসময়ে আলেম-ওলামাদের পাশে ছিলেন খালেদা জিয়া : কায়সার কামাল

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি : 

বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের দলটির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম ও বাংলাদেশ বিএনপি একটি পরীক্ষিত বন্ধু। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার তথা বিএনপি সব সময় অসময়ে, দুঃসময়ে এবং অন্ধকার রাত থেকে শুরু করে সর্বদা একে অপরের পাশে থেকেছে এবং থাকবে। বেগম খালেদা জিয়ার জীবদ্দশায় তিনি সব সময় ওলামায়ে কেরামদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌর শহরের মারকাজ মাদ্রাসা মাঠে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামাদল দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চেয়েছিলেন আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ধর্মীয় রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্ম পরিচালনার জন্য এবং সেই জন্যই যখন বিভিন্ন তকমা দেওয়া হতো তখন বেগম খালেদা জিয়া বলতেন বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই। জঙ্গির নাম দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নাটকগুলো করত। বজ্রকণ্ঠে তার প্রতিবাদ করতেন এই হচ্ছে আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার প্রতিবাদের ভাষা শুধু ওলামায়ে কেরামের জন্য নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো দেশীয় দালালরা ওলামায়ে কেরামের ওপর হামলা চালিয়েছিল। সেই সময় বেগম খালেদা জিয়া সাহসের সঙ্গে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং সারা বাংলাদেশের বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন যেন তারা আলেম-ওলামাদের ঢাল হয়ে পাশে দাঁড়ায়।’

তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা বলেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আজকে একটি রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামের দোহাই দিয়ে বেহেশতের টিকেট বিক্রি করতেছে পত্র-পত্রিকায় আমরা দেখি। যে তাদের প্রতীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে, না হলে যাবে না। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি দয়া করে পবিত্র ইসলামকে রাজনীতির হাতিয়ার করবেন না। বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। তাদের ধর্মকে রাজনীতিকরণ করবেন না।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামাদল দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এই সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

দুঃসময়ে আলেম-ওলামাদের পাশে ছিলেন খালেদা জিয়া : কায়সার কামাল

প্রকাশের সময় : ০৭:১৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি : 

বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের দলটির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম ও বাংলাদেশ বিএনপি একটি পরীক্ষিত বন্ধু। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার তথা বিএনপি সব সময় অসময়ে, দুঃসময়ে এবং অন্ধকার রাত থেকে শুরু করে সর্বদা একে অপরের পাশে থেকেছে এবং থাকবে। বেগম খালেদা জিয়ার জীবদ্দশায় তিনি সব সময় ওলামায়ে কেরামদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌর শহরের মারকাজ মাদ্রাসা মাঠে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামাদল দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চেয়েছিলেন আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ধর্মীয় রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্ম পরিচালনার জন্য এবং সেই জন্যই যখন বিভিন্ন তকমা দেওয়া হতো তখন বেগম খালেদা জিয়া বলতেন বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই। জঙ্গির নাম দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নাটকগুলো করত। বজ্রকণ্ঠে তার প্রতিবাদ করতেন এই হচ্ছে আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার প্রতিবাদের ভাষা শুধু ওলামায়ে কেরামের জন্য নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো দেশীয় দালালরা ওলামায়ে কেরামের ওপর হামলা চালিয়েছিল। সেই সময় বেগম খালেদা জিয়া সাহসের সঙ্গে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং সারা বাংলাদেশের বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন যেন তারা আলেম-ওলামাদের ঢাল হয়ে পাশে দাঁড়ায়।’

তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা বলেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আজকে একটি রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামের দোহাই দিয়ে বেহেশতের টিকেট বিক্রি করতেছে পত্র-পত্রিকায় আমরা দেখি। যে তাদের প্রতীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে, না হলে যাবে না। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি দয়া করে পবিত্র ইসলামকে রাজনীতির হাতিয়ার করবেন না। বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। তাদের ধর্মকে রাজনীতিকরণ করবেন না।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামাদল দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এই সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।