Dhaka বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দাম বৃদ্ধির আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি বাজারেও। পেট্রোলের দাম বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, দাম বাড়ার আতঙ্ক থেকেই অনেক গ্রাহক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জ্বালানি তেল নিতে আসছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পাম্প ঘুরে ও জ্বালানি বিক্রয়কারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেশির ভাগ ক্রেতাই ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে জ্বালানি নিচ্ছেন। এতে পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের রিজার্ভ কমে গেছে।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে রাজধানীর দুটি জ্বালানি তেল বিক্রয়কেন্দ্রে সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। এ ছাড়া একটি পাম্পে খোলা ড্রাম বা বোতলে ডিজেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

পাম্পগুলোর দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহে স্বল্পতার কারণেই কিছু ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

সকাল সোয়া ৯টার দিকে মিরপুর-২ নম্বর সনি মোড়সংলগ্ন স্যাম অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড পাম্পে গিয়ে মোটরসাইকেল চালকদের লম্বা সারি ও ভিড় দেখা গেছে। বিক্রয়কর্মীরা জানালেন, চালকদের বেশির ভাগই ট্যাঙ্ক ফুল করে জ্বালানি কিনছেন।

সেখানে কথা হয় সালাম মিয়া নামের এক মোটরসাইকলের চালকের সঙ্গে। তিনি অ্যাপে রাইড শেয়ারের কাজ করেন। সালাম বলেন, এমনিতে দিনে দুই থেকে তিনবার ২০০ থেকে ৩০০ টাকার তেল ভরি। কারণ, পকেটে টাকা থাকে না। তবে আজ জমানো কিছু টাকা একত্র করে ফুল ট্যাঙ্ক করলাম। ১ হাজার ৬০ টাকা লেগেছে।

ফুল ট্যাঙ্ক নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার রোজগারই হয় বাইক চালিয়ে। এখন তেল না পেলে বাইক যদি বন্ধ থাকে আমার সংসার চলবে কীভাবে?

পাম্পটিতে ডিজেল খোলা বোতল বা ড্রামে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। রিকশায় করে ওই পাম্প থেকে ৩০ লিটারের ড্রামে ডিজেল নিতে এসেছিলেন পাইলিংয়ের কাজ করা শ্রমিক মাহফুজ আলী। তিনি বলেন, বলতেছে ডিজেল নাই। প্রতিদিনের কাজে ৩০ লিটার লাগে। গত দেড় মাস ধরে এই পাম্প থেকেই তেল কিনছি। আজকে বলছে ডিজেল নাই। কাজ বন্ধ রেখে ডিজেল কিনতে এসেছিলাম।

ডিজেল বিক্রি বন্ধ রাখার বিষয়ে স্যাম অ্যাসোসিয়েটস পাম্পের ক্যাশিয়ার শরীফ আহমেদ বলেন, পাম্পে সাধারণত ২০ থেকে ২৭ হাজার লিটার জ্বালানি মজুত থাকে। সেটা এখন প্রায় ৫ হাজারে নেমে এসেছে। ডিজেল প্রায় শেষের দিকে। তাই খোলা বিক্রি বন্ধ রেখে শুধু যানবাহনে দিচ্ছি। কারণ যানবাহনটা এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সকাল পৌনে ১০টার দিকে কল্যাণপুরের খালেক পাম্পেও যানবাহনের ভিড় দেখা গেছে। পাম্পটিতে মোটরসাইকেলের চাইতে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেশি ছিল।

পাম্পের এক বিক্রয়কর্মী জানান, বুধবার (৪ মার্চ) রাতে ও আজ সকাল থেকে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের চাইতে দেড়-দুই গুণ বেশি ছিল। ওই পাম্পেও বেশির ভাগ ক্রেতা ট্যাঙ্ক ফুল করে জ্বালানি কিনছেন বলে জানান তিনিও।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আসাদগেটসংলগ্ন তালুকদার ফিলিং স্টেশনে গিয়ে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির ভিড় দেখা যায়। ব্যক্তিগত গাড়ির সারি মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় পাম্পকে কেন্দ্র করে সড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছিল। সেই যানজট নিরসনে কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে।

তবে এর প্রায় ৯ মিনিট পরেই ১০টা ৩৪ মিনিটের দিকে কর্মীরা পাম্পের ভেতরে ঢোকার অংশটি বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেন। সড়কে দাঁড়িয়ে অনবরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা হাত নেড়ে সংকেত দিতে থাকেন পাম্প বন্ধ। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে পাম্প থেকে বেরিয়ে যাওয়ার গেট দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন।

তালুকদার ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার ইমরান আহমেদ বলেন, এই পাম্পে দৈনিক প্রায় ৪০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল আসে এবং বিক্রি করা হয়। মজুত থাকে ২০ হাজার লিটারের কাছাকাছি। কিন্তু ডিপো থেকে গাড়ি আসছে না। মজুত কমে গেছে। পাম্পের রিজার্ভ ট্যাঙ্কে ন্যূনতম ৪০০ লিটার রাখা লাগে। এখন প্রায় এর কাছাকাছি চলে এসেছে। তাই বিক্রি বন্ধ রাখা ছাড়া গতি নেই।
পাম্পটির ব্যবস্থাপক তন্ময় বাড়ৈ বলেন, যদি বিকেলে বা সন্ধ্যায় ডিপো থেকে গাড়ি আসে, তখন আবার বিক্রি করা হবে। তবে বরাদ্দ মাত্র ৪০ শতাংশ দেবে বলেও শুনতে পাচ্ছেন তারা।

বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিজয় সরণির ট্রাস্ট রিফুয়েলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ব্যক্তিগত যানবাহনের সারি পাম্পের নির্ধারিত সীমানা ছাড়িয়ে সড়কে অনেক দূর চলে গেছে। সারিতে অপেক্ষমাণ গাড়ির শেষ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, সারির সর্বশেষ প্রান্তের গাড়ি দাঁড়ানো রয়েছে, নাখালপাড়া অংশে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৪ নম্বর ফটকের বিপরীত পাশে। পাম্প থেকে প্রায় ৩৫০ মিটার দূরের ওই জায়গা পর্যন্ত ৯৭টি গাড়ি অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কালশীর সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সব ধরনের জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধ রেখেছে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ।

বিক্রয়কর্মীরা জানান, গতকাল রাতেই বেশির ভাগ জ্বালানির মজুত শেষ হয়েছে। তাই আজ বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১২ নির্দেশনা

দাম বৃদ্ধির আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি বাজারেও। পেট্রোলের দাম বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, দাম বাড়ার আতঙ্ক থেকেই অনেক গ্রাহক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জ্বালানি তেল নিতে আসছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পাম্প ঘুরে ও জ্বালানি বিক্রয়কারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেশির ভাগ ক্রেতাই ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে জ্বালানি নিচ্ছেন। এতে পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের রিজার্ভ কমে গেছে।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে রাজধানীর দুটি জ্বালানি তেল বিক্রয়কেন্দ্রে সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। এ ছাড়া একটি পাম্পে খোলা ড্রাম বা বোতলে ডিজেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

পাম্পগুলোর দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহে স্বল্পতার কারণেই কিছু ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

সকাল সোয়া ৯টার দিকে মিরপুর-২ নম্বর সনি মোড়সংলগ্ন স্যাম অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড পাম্পে গিয়ে মোটরসাইকেল চালকদের লম্বা সারি ও ভিড় দেখা গেছে। বিক্রয়কর্মীরা জানালেন, চালকদের বেশির ভাগই ট্যাঙ্ক ফুল করে জ্বালানি কিনছেন।

সেখানে কথা হয় সালাম মিয়া নামের এক মোটরসাইকলের চালকের সঙ্গে। তিনি অ্যাপে রাইড শেয়ারের কাজ করেন। সালাম বলেন, এমনিতে দিনে দুই থেকে তিনবার ২০০ থেকে ৩০০ টাকার তেল ভরি। কারণ, পকেটে টাকা থাকে না। তবে আজ জমানো কিছু টাকা একত্র করে ফুল ট্যাঙ্ক করলাম। ১ হাজার ৬০ টাকা লেগেছে।

ফুল ট্যাঙ্ক নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার রোজগারই হয় বাইক চালিয়ে। এখন তেল না পেলে বাইক যদি বন্ধ থাকে আমার সংসার চলবে কীভাবে?

পাম্পটিতে ডিজেল খোলা বোতল বা ড্রামে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। রিকশায় করে ওই পাম্প থেকে ৩০ লিটারের ড্রামে ডিজেল নিতে এসেছিলেন পাইলিংয়ের কাজ করা শ্রমিক মাহফুজ আলী। তিনি বলেন, বলতেছে ডিজেল নাই। প্রতিদিনের কাজে ৩০ লিটার লাগে। গত দেড় মাস ধরে এই পাম্প থেকেই তেল কিনছি। আজকে বলছে ডিজেল নাই। কাজ বন্ধ রেখে ডিজেল কিনতে এসেছিলাম।

ডিজেল বিক্রি বন্ধ রাখার বিষয়ে স্যাম অ্যাসোসিয়েটস পাম্পের ক্যাশিয়ার শরীফ আহমেদ বলেন, পাম্পে সাধারণত ২০ থেকে ২৭ হাজার লিটার জ্বালানি মজুত থাকে। সেটা এখন প্রায় ৫ হাজারে নেমে এসেছে। ডিজেল প্রায় শেষের দিকে। তাই খোলা বিক্রি বন্ধ রেখে শুধু যানবাহনে দিচ্ছি। কারণ যানবাহনটা এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সকাল পৌনে ১০টার দিকে কল্যাণপুরের খালেক পাম্পেও যানবাহনের ভিড় দেখা গেছে। পাম্পটিতে মোটরসাইকেলের চাইতে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেশি ছিল।

পাম্পের এক বিক্রয়কর্মী জানান, বুধবার (৪ মার্চ) রাতে ও আজ সকাল থেকে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের চাইতে দেড়-দুই গুণ বেশি ছিল। ওই পাম্পেও বেশির ভাগ ক্রেতা ট্যাঙ্ক ফুল করে জ্বালানি কিনছেন বলে জানান তিনিও।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আসাদগেটসংলগ্ন তালুকদার ফিলিং স্টেশনে গিয়ে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির ভিড় দেখা যায়। ব্যক্তিগত গাড়ির সারি মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় পাম্পকে কেন্দ্র করে সড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছিল। সেই যানজট নিরসনে কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে।

তবে এর প্রায় ৯ মিনিট পরেই ১০টা ৩৪ মিনিটের দিকে কর্মীরা পাম্পের ভেতরে ঢোকার অংশটি বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেন। সড়কে দাঁড়িয়ে অনবরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা হাত নেড়ে সংকেত দিতে থাকেন পাম্প বন্ধ। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে পাম্প থেকে বেরিয়ে যাওয়ার গেট দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন।

তালুকদার ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার ইমরান আহমেদ বলেন, এই পাম্পে দৈনিক প্রায় ৪০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল আসে এবং বিক্রি করা হয়। মজুত থাকে ২০ হাজার লিটারের কাছাকাছি। কিন্তু ডিপো থেকে গাড়ি আসছে না। মজুত কমে গেছে। পাম্পের রিজার্ভ ট্যাঙ্কে ন্যূনতম ৪০০ লিটার রাখা লাগে। এখন প্রায় এর কাছাকাছি চলে এসেছে। তাই বিক্রি বন্ধ রাখা ছাড়া গতি নেই।
পাম্পটির ব্যবস্থাপক তন্ময় বাড়ৈ বলেন, যদি বিকেলে বা সন্ধ্যায় ডিপো থেকে গাড়ি আসে, তখন আবার বিক্রি করা হবে। তবে বরাদ্দ মাত্র ৪০ শতাংশ দেবে বলেও শুনতে পাচ্ছেন তারা।

বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিজয় সরণির ট্রাস্ট রিফুয়েলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ব্যক্তিগত যানবাহনের সারি পাম্পের নির্ধারিত সীমানা ছাড়িয়ে সড়কে অনেক দূর চলে গেছে। সারিতে অপেক্ষমাণ গাড়ির শেষ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, সারির সর্বশেষ প্রান্তের গাড়ি দাঁড়ানো রয়েছে, নাখালপাড়া অংশে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৪ নম্বর ফটকের বিপরীত পাশে। পাম্প থেকে প্রায় ৩৫০ মিটার দূরের ওই জায়গা পর্যন্ত ৯৭টি গাড়ি অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কালশীর সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সব ধরনের জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধ রেখেছে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ।

বিক্রয়কর্মীরা জানান, গতকাল রাতেই বেশির ভাগ জ্বালানির মজুত শেষ হয়েছে। তাই আজ বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।