Dhaka মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সমতায় ফিরলো নিউজিল্যান্ড

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ১৭৬ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। পরের ম্যাচেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় কিউইরা। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) হ্যামিল্টনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৬৮ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা আনে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।

হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে টসে জিতে নিউজিল্যান্ডকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও লাথামের উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু পায় স্বাগতিকরা। এই জুটি থেকে আসে ৪৮ রান। ডেভন কনওয়ের ব্যাট থেকে আসে ৪৯ বলে ৬০ রান। এছাড়া নিক কেলি ১২ বলে ২১ ও অধিনায়ক স্যান্টনার ১৪ বলে করেন ২০ রান। শেষদিকে ম্যাককঞ্জির অপরাজিত ১৮ ও জশ ক্লার্কসনের অপরাজিত ৯ বলে ২৬ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৫ রানের পুঁজি পায় নিউজিল্যান্ড।

১৭৬ রানের লক্ষ্যে নেমে সাবধানী শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলীয় ২৪ রানেই ভাঙতে পারত তাদের উদ্বোধনী জুটি। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে লকি ফার্গুসনকে সোজা ড্রাইভ করতে যান ভিয়ান মুলডার। তবে কট এন্ড বোল্ড করতে পারেননি ফার্গুসন।

শুরুতে ক্যাচ মিস নিউজিল্যান্ডের জন্য তেমন একটা বিপদ হয়ে আসেনি। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে কনর এস্টারহুইজেনকে (৮) ফেরান বেন সিয়ার্স। দলীয় ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে ভাঙনের শুরু। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা প্রোটিয়ারা ১৫.৩ ওভারে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায়। যার মধ্যে শেষ ৫ উইকেট তারা হারিয়েছে ১৮ রানে। সাত নম্বরে নামা জর্জ লিন্ডের ঝোড়ো ইনিংস বৃথা গেছে। ১২ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৩৩ রান করেন তিনি। তাঁর স্কোরই দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে সর্বোচ্চ।

নিউজিল্যান্ডের সিয়ার্স ও ফার্গুসন তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন। যাঁর মধ্যে সিয়ার্স ৩ ওভারে ১৪ রান খরচ করেছেন। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ৩ ওভারে ১৯ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন কোল ম্যাকনকি ও জেমস নিশাম।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন ডেভন কনওয়ে। তবে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি আরেক ওপেনার টম লাথাম। টিম রবিনসনও পারেননি তার সাথে জুটি বাঁধতে। দলীয় ৫৫ রানের মাথায় ফিরেছেন মাত্র ১ রান করে।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে নিক কেলিকে নিয়ে ৩৭ রানের জুটি গড়েন কনওয়ে। ১২ বলে ২১ রান করে মুল্ডারের বলে বোল্ড আউট হয়ে কেলি ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর অধিনায়ক স্যান্টনারকে নিয়ে ২৮ রানের জুটি গড়েন কনওয়ে। ফেরার আগে অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ১৪ বলে ২০ রান।

একপ্রান্ত আগলে রেখে একাই ঝড় তোলেন ডেভন কনওয়ে। ৫ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪৯ বলে ৬০ রান। দলীয় ১২৪ রানের মাথায় মুল্ডারের বলে কনর এস্টারহুইজেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কনওয়ে।

শেষদিকে ১২ বলে ১৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ম্যাককঞ্জি। আরেক ব্যাটার জশ ক্লার্কসন করেন ৯ বলে ২৬ রান, তিনিও থাকেন অপরাজিত। শেষ পর্যন্ত ১৭৫ রানের পুঁজি পায় নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে উইয়ান মুল্ডার নেন ২ উইকেট। এছাড়া কোয়েতজে, বার্টমান, কেশভ মহারাজ ও জর্জ লিন্ডে নেন ১টি করে উইকেট।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সমতায় ফিরলো নিউজিল্যান্ড

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সমতায় ফিরলো নিউজিল্যান্ড

প্রকাশের সময় : ০৭:২১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক : 

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। পরের ম্যাচেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় কিউইরা। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) হ্যামিল্টনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৬৮ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা আনে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।

হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে টসে জিতে নিউজিল্যান্ডকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও লাথামের উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু পায় স্বাগতিকরা। এই জুটি থেকে আসে ৪৮ রান। ডেভন কনওয়ের ব্যাট থেকে আসে ৪৯ বলে ৬০ রান। এছাড়া নিক কেলি ১২ বলে ২১ ও অধিনায়ক স্যান্টনার ১৪ বলে করেন ২০ রান। শেষদিকে ম্যাককঞ্জির অপরাজিত ১৮ ও জশ ক্লার্কসনের অপরাজিত ৯ বলে ২৬ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৫ রানের পুঁজি পায় নিউজিল্যান্ড।

১৭৬ রানের লক্ষ্যে নেমে সাবধানী শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলীয় ২৪ রানেই ভাঙতে পারত তাদের উদ্বোধনী জুটি। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে লকি ফার্গুসনকে সোজা ড্রাইভ করতে যান ভিয়ান মুলডার। তবে কট এন্ড বোল্ড করতে পারেননি ফার্গুসন।

শুরুতে ক্যাচ মিস নিউজিল্যান্ডের জন্য তেমন একটা বিপদ হয়ে আসেনি। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে কনর এস্টারহুইজেনকে (৮) ফেরান বেন সিয়ার্স। দলীয় ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে ভাঙনের শুরু। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা প্রোটিয়ারা ১৫.৩ ওভারে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায়। যার মধ্যে শেষ ৫ উইকেট তারা হারিয়েছে ১৮ রানে। সাত নম্বরে নামা জর্জ লিন্ডের ঝোড়ো ইনিংস বৃথা গেছে। ১২ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৩৩ রান করেন তিনি। তাঁর স্কোরই দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে সর্বোচ্চ।

নিউজিল্যান্ডের সিয়ার্স ও ফার্গুসন তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন। যাঁর মধ্যে সিয়ার্স ৩ ওভারে ১৪ রান খরচ করেছেন। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ৩ ওভারে ১৯ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন কোল ম্যাকনকি ও জেমস নিশাম।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন ডেভন কনওয়ে। তবে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি আরেক ওপেনার টম লাথাম। টিম রবিনসনও পারেননি তার সাথে জুটি বাঁধতে। দলীয় ৫৫ রানের মাথায় ফিরেছেন মাত্র ১ রান করে।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে নিক কেলিকে নিয়ে ৩৭ রানের জুটি গড়েন কনওয়ে। ১২ বলে ২১ রান করে মুল্ডারের বলে বোল্ড আউট হয়ে কেলি ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর অধিনায়ক স্যান্টনারকে নিয়ে ২৮ রানের জুটি গড়েন কনওয়ে। ফেরার আগে অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ১৪ বলে ২০ রান।

একপ্রান্ত আগলে রেখে একাই ঝড় তোলেন ডেভন কনওয়ে। ৫ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪৯ বলে ৬০ রান। দলীয় ১২৪ রানের মাথায় মুল্ডারের বলে কনর এস্টারহুইজেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কনওয়ে।

শেষদিকে ১২ বলে ১৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ম্যাককঞ্জি। আরেক ব্যাটার জশ ক্লার্কসন করেন ৯ বলে ২৬ রান, তিনিও থাকেন অপরাজিত। শেষ পর্যন্ত ১৭৫ রানের পুঁজি পায় নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে উইয়ান মুল্ডার নেন ২ উইকেট। এছাড়া কোয়েতজে, বার্টমান, কেশভ মহারাজ ও জর্জ লিন্ডে নেন ১টি করে উইকেট।