Dhaka সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে দেশের মানুষের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নেতৃত্ব সুখী ও সম্মৃদ্ধ দেশ গঠন করবো।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমরা এখন নতুন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। আমাদের তরুণ নেতা, দলের চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা কাজ শুরু করেছি। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের মানুষের মনে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন।

বিএনপির সহাসচিব বলেন, আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তারেক রহমানের নেতৃত্বে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তার নেতৃত্বে নতুন যে সরকার গঠন করা হয়েছে সেই সরকার সফল হবে। বাংলাদেশকে তার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে এবং সত্যিকার অর্থে একটা সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে যা আমাদের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লক্ষ্য ছিল। আমরা আশা করব, পূর্বের মতো সবসময় বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দলকে সহায়তা করবে।

খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসে লেখা থাকবে– মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই অফিসটি আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এখান থেকেই গণতন্ত্র উত্তরণের সব আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তার সভাপতিত্বে এখানে আমরা বহু সভা করেছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ খুব কষ্টের সঙ্গে আমাদের মহান নেত্রীকে স্মরণ করতে হয়। তিনি বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। ৮৯’ এর গণআন্দোলন, ৯১’-এ সরকার গঠন এবং ৯৬’র পর প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমি বিশ্বাস করি, শুধু বাংলাদেশ নয়, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা। আগামীতে গণতন্ত্রের সংগ্রামের ইতিহাস লেখা হলে তার এই অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আমরা আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি তাকে যেন বেহেশত নসিব করা হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাচ্ছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বেশকিছু সরকারি নিয়মকানুন ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার বিষয় রয়েছে। সবগুলো হিসাব এক জায়গায় নিয়ে এসে সরকারের তরফ থেকে সঠিক সময়ে আমরা এই নির্বাচনগুলোর ব্যবস্থা করব। তবে নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে দলের পক্ষ থেকে তাদেরকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে, যাদের সঙ্গে জনগণ ও দলের সম্পৃক্ততা রয়েছে। একই পরিবার থেকে একাধিক সদস্য মনোনয়ন পাবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিস খোলা হচ্ছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সারাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয়ে সরকারের সায় নেই। যেহেতু আইনগতভাবে তাদের কার্যক্রম সাময়িক নিষিদ্ধ, তাই আমরা এটি চাইনি। আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখবে।

সবশেষে দেশবাসীকে জাতীয়তাবাদী দলের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে এবং একটি জরুরি মিটিংয়ের কারণ দেখিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করবেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর : তাজুল ইসলাম

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময় : ০১:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে দেশের মানুষের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নেতৃত্ব সুখী ও সম্মৃদ্ধ দেশ গঠন করবো।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমরা এখন নতুন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। আমাদের তরুণ নেতা, দলের চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা কাজ শুরু করেছি। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের মানুষের মনে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন।

বিএনপির সহাসচিব বলেন, আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তারেক রহমানের নেতৃত্বে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তার নেতৃত্বে নতুন যে সরকার গঠন করা হয়েছে সেই সরকার সফল হবে। বাংলাদেশকে তার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে এবং সত্যিকার অর্থে একটা সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে যা আমাদের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লক্ষ্য ছিল। আমরা আশা করব, পূর্বের মতো সবসময় বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দলকে সহায়তা করবে।

খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসে লেখা থাকবে– মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই অফিসটি আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এখান থেকেই গণতন্ত্র উত্তরণের সব আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তার সভাপতিত্বে এখানে আমরা বহু সভা করেছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ খুব কষ্টের সঙ্গে আমাদের মহান নেত্রীকে স্মরণ করতে হয়। তিনি বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। ৮৯’ এর গণআন্দোলন, ৯১’-এ সরকার গঠন এবং ৯৬’র পর প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমি বিশ্বাস করি, শুধু বাংলাদেশ নয়, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা। আগামীতে গণতন্ত্রের সংগ্রামের ইতিহাস লেখা হলে তার এই অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আমরা আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি তাকে যেন বেহেশত নসিব করা হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাচ্ছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বেশকিছু সরকারি নিয়মকানুন ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার বিষয় রয়েছে। সবগুলো হিসাব এক জায়গায় নিয়ে এসে সরকারের তরফ থেকে সঠিক সময়ে আমরা এই নির্বাচনগুলোর ব্যবস্থা করব। তবে নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে দলের পক্ষ থেকে তাদেরকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে, যাদের সঙ্গে জনগণ ও দলের সম্পৃক্ততা রয়েছে। একই পরিবার থেকে একাধিক সদস্য মনোনয়ন পাবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিস খোলা হচ্ছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সারাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয়ে সরকারের সায় নেই। যেহেতু আইনগতভাবে তাদের কার্যক্রম সাময়িক নিষিদ্ধ, তাই আমরা এটি চাইনি। আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখবে।

সবশেষে দেশবাসীকে জাতীয়তাবাদী দলের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে এবং একটি জরুরি মিটিংয়ের কারণ দেখিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।