Dhaka বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢামেকে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি, সেবা বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার পর এ ঘটনার সূত্রপাত হয় বলে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে জরুরি বিভাগে নতুন করে রোগী নেওয়া হচ্ছে না। পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত রয়েছে। আপাতত জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা চলছে না।

এদিকে ঘটনার পর ঢাকা মেডিকেলের ভেতরে-বাইরে দুই পক্ষের উত্তেজনা বিরাজ করছে। গেটের বাইরে অবস্থান নিয়ে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাবির এক শিক্ষার্থীকে মারধরকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম সানিম (২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ, বোটানি বিভাগ)। তিনি অমর একুশে হলের আবাসিক ছাত্র, তাকে ঢামেকের কয়েকজন চিকিৎসক মিলে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সহপাঠীদের দাবি, সানিমের ওপর হামলার খবর পেয়ে অমর একুশে হল থেকে একদল শিক্ষার্থী হাসপাতালে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

ঢাবি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একটি রুমে নিয়ে পাঁচজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে মারপিট করেছে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

অন্যদিকে জরুরি বিভাগের কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে হাসপাতালের ভেতরে-বাইরে উভয় পক্ষের উত্তেজনা চলছে।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটার পর আমাদের কাছে সংবাদ আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কয়েকজন চিকিৎসকের কাটাকাটি হয়েছে। এই সংবাদ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশের টিম গেছে। পরিস্থিতির স্বাভাবিক রাখতে আমরা কাজ করছি।

আবহাওয়া

ঢামেকে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি, সেবা বন্ধ

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার পর এ ঘটনার সূত্রপাত হয় বলে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে জরুরি বিভাগে নতুন করে রোগী নেওয়া হচ্ছে না। পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত রয়েছে। আপাতত জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা চলছে না।

এদিকে ঘটনার পর ঢাকা মেডিকেলের ভেতরে-বাইরে দুই পক্ষের উত্তেজনা বিরাজ করছে। গেটের বাইরে অবস্থান নিয়ে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাবির এক শিক্ষার্থীকে মারধরকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম সানিম (২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ, বোটানি বিভাগ)। তিনি অমর একুশে হলের আবাসিক ছাত্র, তাকে ঢামেকের কয়েকজন চিকিৎসক মিলে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সহপাঠীদের দাবি, সানিমের ওপর হামলার খবর পেয়ে অমর একুশে হল থেকে একদল শিক্ষার্থী হাসপাতালে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

ঢাবি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একটি রুমে নিয়ে পাঁচজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে মারপিট করেছে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

অন্যদিকে জরুরি বিভাগের কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে হাসপাতালের ভেতরে-বাইরে উভয় পক্ষের উত্তেজনা চলছে।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটার পর আমাদের কাছে সংবাদ আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কয়েকজন চিকিৎসকের কাটাকাটি হয়েছে। এই সংবাদ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশের টিম গেছে। পরিস্থিতির স্বাভাবিক রাখতে আমরা কাজ করছি।