Dhaka শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে হবে নিজ বাসা থেকে : ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে হবে নিজ নিজ বাসা থেকে। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া এ কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আদর্শ বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গণে মশক নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিশেষ প্রচারাভিযান উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ডেঙ্গু থেকে সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মশককর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন, তবে নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া এ কার্যক্রম সফল করা সম্ভব নয়।

প্রশাসক বলেন, সামনে আরও বড় পরিসরে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ডিএনসিসির কোথাও রাস্তাঘাট বা জলাবদ্ধতা সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে তা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমাদের জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বিশেষ প্রচারাভিযান আগামী ২১ মে পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন ডিএনসিসির ১০ জন এবং ব্র্যাক-এর ১০ জন মশককর্মী এ কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

কর্মসূচি উদ্বোধনের পর প্রশাসক আশেপাশের বিভিন্ন বাড়িতে ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিলি করেন ও স্থানীয় মানুষকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কর্পোরেশনের সাথে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী। তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এ বিষয়ে সকল নাগরিককে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত সচেতনতাই এ সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে পারে।

এ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতি শনিবার দিন করে মোট ২১টি বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই শুরু করতে হবে নিজ নিজ বাসা থেকে। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া এ কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।

আবহাওয়া

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে হবে নিজ বাসা থেকে : ডিএনসিসি প্রশাসক

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে হবে নিজ বাসা থেকে : ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রকাশের সময় : ০৯:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে হবে নিজ নিজ বাসা থেকে। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া এ কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আদর্শ বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গণে মশক নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিশেষ প্রচারাভিযান উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ডেঙ্গু থেকে সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মশককর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন, তবে নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া এ কার্যক্রম সফল করা সম্ভব নয়।

প্রশাসক বলেন, সামনে আরও বড় পরিসরে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ডিএনসিসির কোথাও রাস্তাঘাট বা জলাবদ্ধতা সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে তা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমাদের জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বিশেষ প্রচারাভিযান আগামী ২১ মে পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন ডিএনসিসির ১০ জন এবং ব্র্যাক-এর ১০ জন মশককর্মী এ কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

কর্মসূচি উদ্বোধনের পর প্রশাসক আশেপাশের বিভিন্ন বাড়িতে ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিলি করেন ও স্থানীয় মানুষকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কর্পোরেশনের সাথে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী। তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এ বিষয়ে সকল নাগরিককে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত সচেতনতাই এ সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে পারে।

এ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতি শনিবার দিন করে মোট ২১টি বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই শুরু করতে হবে নিজ নিজ বাসা থেকে। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া এ কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।