Dhaka শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিবি অফিসে আর কোনো ভাতের হোটেল থাকবে না : ডিবিপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, ডিবিতে থাকবে না আয়নাঘর। থাকবে না কোনো ভাতের হোটেল। সেলেব্রিটি নায়ক-নায়িকাদের বিচরণস্থল হবে না ডিবি। ডিবি হবে ভুক্তভোগীদের ভরসার স্থল।

শনিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত মিট দ্য প্রেসে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিবিপ্রধান বলেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। থাকবে না কোনো ভাতের হোটেল। ডিবিকে জনবান্ধন হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ডিবির কোনো সদস্য অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই কার্যালয়ে আর কোনো আয়নাঘর কিংবা ভাতের হোটেল থাকবে না। ডিবিকে মানুষের আস্থা আর ভালোবাসার স্থানে বসাতে চাই। তাই ডিবি পুলিশকে পুনর্গঠন করে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি।’

সাধারণ মানুষের সুবিচার নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, ‘ডিবি কাউকে আটক করলে তার আত্মীয়স্বজনকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়। গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তাদের কেউ অপেশাদার কাজে লিপ্ত হলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।’

মিট দ্য প্রেসে রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের অত্যন্ত সংকটকালে আমি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবিপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। এজন্য আমি অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপি এবং ডিএমপি কমিশনারের কাছে কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে উচ্চাভিলাসী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা সমগ্র পুলিশবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। এর ফলে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও বিগত সরকারের পতনকে ঘিরে সংঘর্ষ-সহিংসতায় পুলিশের মনোবল ভেঙে পড়ে। এই ধরনের ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পুলিশ বাহিনী কখনো পড়েনি। এমন পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে আইজিপি ও পুলিশর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কর্মতৎপরতায় ডিএমপির সব থানা ও ডিবির কার্যক্রম পুরোদমে সচল হয়েছে।

ডিবিপ্রধান বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা আফিসে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। ডিবির কলঙ্কিত অধ্যায় শেষ করে সেটিকে পবিত্র করা হবে, যেখানে মানুষ ন্যায়বিচার পাবে। সেখানে কোনো নায়ক-নায়িকা বা সেলিব্রেটিদের সময় কাটানোর জায়গা হবে না। থাকবে না কোনো ভাতের হোটেল। আসামি যেই হোক না কেন, সে বিচার পাবে। গ্রেপ্তার আসামিদেরও নির্যাতন করা হবে না। ডিবি অফিসের নাম শুনে আর যেন কেউ আতঙ্কিত না হয়, শুধু আসামিরাই যেন ভয় পায়।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, আমি যতদিন ডিবিপ্রধানের দায়িত্ব পালন করব, ততদিন ন্যায়-নীতি, পেশাদারিত্ব ও সত্যতার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব। যারা ভুক্তভোগী ও অসহায় তাদের কথা শুনব। তাদের কীভাবে আইনগত সহযোগিতা করা যায় সেটি দেখব। ডিবিকে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে ডিবি অফিস হবে ভুক্তভোগীদের ভরসাস্থল।

তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ডিবির কোনো সদস্য যদি কোনো ধরনের অনৈতিক ও অপেশাদার কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয় তাদেরও বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

রাজধানীবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ৮ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা উপলক্ষে সবাইকে শারদীয় অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারা দেশের মতো ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায়ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা শহরের প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ও পূজার উৎসবে পুলিশের পাশাপাশি ডিবির টিম সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবে। যাতে উৎসবে মেতে উঠতে পারে নগরবাসী। আপনাদের (নগরবাসী) প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, কোনো ধরনের অপরাধমূলক কাজে কেউ যেন অংশগ্রহণ না করেন। সবাই আইন ও বিধি মেনে চলবেন। ডিবি পুলিশ সব সময় আপনাদের পাশে আছে। আমাদের ওপর আস্থা রাখুন।

সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ ও যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ অনেক পুলিশ কর্মকর্তারা আসামি হয়েছেন। তারা এখনো পলাতক, এসব কর্মকর্তাদের আইনের আওতায় আনা হবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবিপ্রধান বলেন, অপরাধের সঙ্গে যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত তাদের আমরা আইনের আওতায় আনব। যারা পলাতক তাদের খুঁজে বের করা হবে।

ঢালাও মামলা ও ভুয়া মামলায় গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এজাহারভুক্ত যারা আসামি আমরা তদন্ত করে শুধু তাদেরই গ্রেপ্তার করছি।

এমপি আনার হত্যা মামলাসহ আলোচিত হত্যা মামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রেজাউল করিম মল্লিক জানান, আলোচিত সব মামলা তদন্ত শেষ করা হবে। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং না করে কিছু মিডিয়া নিয়ে ডিবির ভেতরে ব্রিফিং করতেন সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন। আপনার সময়ে এমন কর্মকাণ্ড হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডিবির আগের কর্মকাণ্ড পরিত্যাগ করে পেশাদার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ডিবি অফিসে কোনো ধরনের অন্যায় অবিচারকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ডিবি কার্যালয়ে চৌকস দক্ষ এ পেশাদার কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ডিবিকে পুনর্গঠন ও হারানো ভাবমূর্তি ফেরাতে ও উজ্জ্বল করতে যা যা করা দরকার তা করা হচ্ছে। যেসব কাজ যেভাবে ও আইনানুগ প্রক্রিয়া দরকার সেটাই করা হচ্ছে।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ডিবি অফিসে আর কোনো ভাতের হোটেল থাকবে না : ডিবিপ্রধান

প্রকাশের সময় : ০৪:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, ডিবিতে থাকবে না আয়নাঘর। থাকবে না কোনো ভাতের হোটেল। সেলেব্রিটি নায়ক-নায়িকাদের বিচরণস্থল হবে না ডিবি। ডিবি হবে ভুক্তভোগীদের ভরসার স্থল।

শনিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত মিট দ্য প্রেসে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিবিপ্রধান বলেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। থাকবে না কোনো ভাতের হোটেল। ডিবিকে জনবান্ধন হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ডিবির কোনো সদস্য অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই কার্যালয়ে আর কোনো আয়নাঘর কিংবা ভাতের হোটেল থাকবে না। ডিবিকে মানুষের আস্থা আর ভালোবাসার স্থানে বসাতে চাই। তাই ডিবি পুলিশকে পুনর্গঠন করে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি।’

সাধারণ মানুষের সুবিচার নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, ‘ডিবি কাউকে আটক করলে তার আত্মীয়স্বজনকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়। গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তাদের কেউ অপেশাদার কাজে লিপ্ত হলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।’

মিট দ্য প্রেসে রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের অত্যন্ত সংকটকালে আমি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবিপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। এজন্য আমি অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপি এবং ডিএমপি কমিশনারের কাছে কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে উচ্চাভিলাসী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা সমগ্র পুলিশবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। এর ফলে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও বিগত সরকারের পতনকে ঘিরে সংঘর্ষ-সহিংসতায় পুলিশের মনোবল ভেঙে পড়ে। এই ধরনের ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পুলিশ বাহিনী কখনো পড়েনি। এমন পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে আইজিপি ও পুলিশর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কর্মতৎপরতায় ডিএমপির সব থানা ও ডিবির কার্যক্রম পুরোদমে সচল হয়েছে।

ডিবিপ্রধান বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা আফিসে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। ডিবির কলঙ্কিত অধ্যায় শেষ করে সেটিকে পবিত্র করা হবে, যেখানে মানুষ ন্যায়বিচার পাবে। সেখানে কোনো নায়ক-নায়িকা বা সেলিব্রেটিদের সময় কাটানোর জায়গা হবে না। থাকবে না কোনো ভাতের হোটেল। আসামি যেই হোক না কেন, সে বিচার পাবে। গ্রেপ্তার আসামিদেরও নির্যাতন করা হবে না। ডিবি অফিসের নাম শুনে আর যেন কেউ আতঙ্কিত না হয়, শুধু আসামিরাই যেন ভয় পায়।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, আমি যতদিন ডিবিপ্রধানের দায়িত্ব পালন করব, ততদিন ন্যায়-নীতি, পেশাদারিত্ব ও সত্যতার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব। যারা ভুক্তভোগী ও অসহায় তাদের কথা শুনব। তাদের কীভাবে আইনগত সহযোগিতা করা যায় সেটি দেখব। ডিবিকে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে ডিবি অফিস হবে ভুক্তভোগীদের ভরসাস্থল।

তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ডিবির কোনো সদস্য যদি কোনো ধরনের অনৈতিক ও অপেশাদার কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয় তাদেরও বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

রাজধানীবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ৮ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা উপলক্ষে সবাইকে শারদীয় অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারা দেশের মতো ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায়ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা শহরের প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ও পূজার উৎসবে পুলিশের পাশাপাশি ডিবির টিম সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবে। যাতে উৎসবে মেতে উঠতে পারে নগরবাসী। আপনাদের (নগরবাসী) প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, কোনো ধরনের অপরাধমূলক কাজে কেউ যেন অংশগ্রহণ না করেন। সবাই আইন ও বিধি মেনে চলবেন। ডিবি পুলিশ সব সময় আপনাদের পাশে আছে। আমাদের ওপর আস্থা রাখুন।

সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ ও যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ অনেক পুলিশ কর্মকর্তারা আসামি হয়েছেন। তারা এখনো পলাতক, এসব কর্মকর্তাদের আইনের আওতায় আনা হবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবিপ্রধান বলেন, অপরাধের সঙ্গে যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত তাদের আমরা আইনের আওতায় আনব। যারা পলাতক তাদের খুঁজে বের করা হবে।

ঢালাও মামলা ও ভুয়া মামলায় গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এজাহারভুক্ত যারা আসামি আমরা তদন্ত করে শুধু তাদেরই গ্রেপ্তার করছি।

এমপি আনার হত্যা মামলাসহ আলোচিত হত্যা মামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রেজাউল করিম মল্লিক জানান, আলোচিত সব মামলা তদন্ত শেষ করা হবে। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং না করে কিছু মিডিয়া নিয়ে ডিবির ভেতরে ব্রিফিং করতেন সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন। আপনার সময়ে এমন কর্মকাণ্ড হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডিবির আগের কর্মকাণ্ড পরিত্যাগ করে পেশাদার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ডিবি অফিসে কোনো ধরনের অন্যায় অবিচারকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ডিবি কার্যালয়ে চৌকস দক্ষ এ পেশাদার কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ডিবিকে পুনর্গঠন ও হারানো ভাবমূর্তি ফেরাতে ও উজ্জ্বল করতে যা যা করা দরকার তা করা হচ্ছে। যেসব কাজ যেভাবে ও আইনানুগ প্রক্রিয়া দরকার সেটাই করা হচ্ছে।