Dhaka বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ অনুমোদন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৭ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ কথা জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের জুলাই গণভুথানকারীদের প্রতি কমিটমেন্ট ছিল, নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে আমাদের যে প্রত্যয় ছিল, কমিটমেন্ট ছিল—জুলাই গণভুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গেজেট জারির মাধ্যমে এই অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হবে।

আসিফ নজরুল বলেন, এখানে আমরা মূলত যেটা করেছি সেটা হচ্ছে জুলাই গণভুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলী থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিরোধ বলতে আমরা বুঝিয়েছি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত সে সমস্ত কার্যাবলীর ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এটা হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই এবং আগস্টে সংগঠিত কার্যাবলী।

আইন উপদেষ্টা বলেন, যদি কোনো মামলা হয়ে থাকে জুলাই গণভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলীর কারণে যদি কোনো ফৌজদারি মামলা হয়ে থাকে তাহলে সেই মামলাগুলা প্রত্যাহার করার পদক্ষেপ সরকার নেবে এবং এখন থেকে নতুন কোনো মামলা করা যাবে না।

আসিফ নজরুল ব্যাখ্যা করে বলেন, এখন প্রশ্ন আসবে বা আসতে পারে—কোন হত্যাকাণ্ডটা আপনার রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় হয়েছে আর কোন হত্যাকাণ্ডটা ব্যক্তি এবং সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে বা এটার সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিরোধের সম্পর্ক নেই এটা নির্ধারণের দায়িত্ব আমরা দিয়েছি মানবাধিকার কমিশনকে। কোনো ভিকটিমের পরিবার যদি মনে করে, তার পিতা বা তার ভাই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে অন্য কারও ব্যক্তিগত সংকীর্ণ স্বার্থ থেকে, এটার সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের সম্পর্ক ছিল না, তাহলে তিনি মানবাধিকার কমিশনে যাবেন। মানবাধিকার কমিশন যদি দেখে, সত্যি এটা ব্যক্তিগত সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে তাহলে মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করবে। তদন্ত রিপোর্ট দেবে।

তিনি বলেন, আদালতে সেই তদন্ত রিপোর্টই পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের মত করে গণ্য করা হবে। যদি দেখেন যে—না, এটা রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলির ধারাবাহিকতায় হয়েছে। তাহলে অবশ্যই এই সংগঠিত কার্যক্রমের জন্য কোনো দায়-দায়িত্ব থাকবে না।

প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে আসিফ নজরুল জানান, রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কাজের কারণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে যেসব ফৌজদারি মামলা হয়েছে, সরকার সেগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেবে। এছাড়া এখন থেকে তাদের বিরুদ্ধে একই ধরনের কাজের জন্য আর নতুন কোনও মামলা করা যাবে না।

আইন উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “আপনারা কয়েকটা জিনিস লক্ষ্য করবেন, আমি বারবার রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে শব্দটা ব্যবহার করছি। জুলাই এবং আগস্ট মাসে রাজনৈতিক প্রতিরোধের নামে কেউ যদি ব্যক্তিগত এবং সংকীর্ণ স্বার্থে বা লোভের বশবর্তী হয়ে কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তবে সে এই দায়মুক্তির আওতায় আসবে না। ব্যক্তিগত প্রতিশোধ বা সংকীর্ণ স্বার্থে করা কোনো অপরাধের ফৌজদারি দায় থেকে অপরাধী রেহাই পাবে না। এই আইন শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে কালেক্টিভলি (সামষ্টিকভাবে) জড়িতদের জন্য।”

কোন অপরাধটি রাজনৈতিক প্রতিরোধ আর কোনটি ব্যক্তিগত স্বার্থে হয়েছে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে। আসিফ নজরুল বলেন, “কোনও ভিকটিম পরিবার যদি মনে করে তাদের স্বজন ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন, তবে তারা মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। কমিশন তদন্ত করে যদি দেখে এটি ব্যক্তিগত স্বার্থে হয়েছে, তবে সেই রিপোর্ট পুলিশের রিপোর্টের মতো গণ্য হবে এবং বিচার চলবে। আর যদি দেখা যায় এটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় ঘটেছে, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি দায়মুক্তি পাবেন।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের দায়মুক্তি বিষয়ে এ ধরনের অধ্যাদেশের নজির যেমন রয়েছে, তেমনি সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে এর সাংবিধানিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করা হয়েছে। যদিও সারা পৃথিবীতে এি ধরনের দৃষ্টান্ত বিদ্যমান, তবুও কেউ হয়তো অসৎ উদ্দেশ্যে বা আইনগতভাবে একে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। তবে আমাদের বিশ্বাস, এই চ্যালেঞ্জ শেষ পর্যন্ত টিকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছি।”

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ অনুমোদন

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ কথা জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের জুলাই গণভুথানকারীদের প্রতি কমিটমেন্ট ছিল, নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে আমাদের যে প্রত্যয় ছিল, কমিটমেন্ট ছিল—জুলাই গণভুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গেজেট জারির মাধ্যমে এই অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হবে।

আসিফ নজরুল বলেন, এখানে আমরা মূলত যেটা করেছি সেটা হচ্ছে জুলাই গণভুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলী থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিরোধ বলতে আমরা বুঝিয়েছি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত সে সমস্ত কার্যাবলীর ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এটা হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই এবং আগস্টে সংগঠিত কার্যাবলী।

আইন উপদেষ্টা বলেন, যদি কোনো মামলা হয়ে থাকে জুলাই গণভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলীর কারণে যদি কোনো ফৌজদারি মামলা হয়ে থাকে তাহলে সেই মামলাগুলা প্রত্যাহার করার পদক্ষেপ সরকার নেবে এবং এখন থেকে নতুন কোনো মামলা করা যাবে না।

আসিফ নজরুল ব্যাখ্যা করে বলেন, এখন প্রশ্ন আসবে বা আসতে পারে—কোন হত্যাকাণ্ডটা আপনার রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় হয়েছে আর কোন হত্যাকাণ্ডটা ব্যক্তি এবং সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে বা এটার সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিরোধের সম্পর্ক নেই এটা নির্ধারণের দায়িত্ব আমরা দিয়েছি মানবাধিকার কমিশনকে। কোনো ভিকটিমের পরিবার যদি মনে করে, তার পিতা বা তার ভাই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে অন্য কারও ব্যক্তিগত সংকীর্ণ স্বার্থ থেকে, এটার সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের সম্পর্ক ছিল না, তাহলে তিনি মানবাধিকার কমিশনে যাবেন। মানবাধিকার কমিশন যদি দেখে, সত্যি এটা ব্যক্তিগত সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে তাহলে মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করবে। তদন্ত রিপোর্ট দেবে।

তিনি বলেন, আদালতে সেই তদন্ত রিপোর্টই পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের মত করে গণ্য করা হবে। যদি দেখেন যে—না, এটা রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলির ধারাবাহিকতায় হয়েছে। তাহলে অবশ্যই এই সংগঠিত কার্যক্রমের জন্য কোনো দায়-দায়িত্ব থাকবে না।

প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে আসিফ নজরুল জানান, রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কাজের কারণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে যেসব ফৌজদারি মামলা হয়েছে, সরকার সেগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেবে। এছাড়া এখন থেকে তাদের বিরুদ্ধে একই ধরনের কাজের জন্য আর নতুন কোনও মামলা করা যাবে না।

আইন উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “আপনারা কয়েকটা জিনিস লক্ষ্য করবেন, আমি বারবার রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে শব্দটা ব্যবহার করছি। জুলাই এবং আগস্ট মাসে রাজনৈতিক প্রতিরোধের নামে কেউ যদি ব্যক্তিগত এবং সংকীর্ণ স্বার্থে বা লোভের বশবর্তী হয়ে কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তবে সে এই দায়মুক্তির আওতায় আসবে না। ব্যক্তিগত প্রতিশোধ বা সংকীর্ণ স্বার্থে করা কোনো অপরাধের ফৌজদারি দায় থেকে অপরাধী রেহাই পাবে না। এই আইন শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে কালেক্টিভলি (সামষ্টিকভাবে) জড়িতদের জন্য।”

কোন অপরাধটি রাজনৈতিক প্রতিরোধ আর কোনটি ব্যক্তিগত স্বার্থে হয়েছে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে। আসিফ নজরুল বলেন, “কোনও ভিকটিম পরিবার যদি মনে করে তাদের স্বজন ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন, তবে তারা মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। কমিশন তদন্ত করে যদি দেখে এটি ব্যক্তিগত স্বার্থে হয়েছে, তবে সেই রিপোর্ট পুলিশের রিপোর্টের মতো গণ্য হবে এবং বিচার চলবে। আর যদি দেখা যায় এটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় ঘটেছে, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি দায়মুক্তি পাবেন।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের দায়মুক্তি বিষয়ে এ ধরনের অধ্যাদেশের নজির যেমন রয়েছে, তেমনি সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে এর সাংবিধানিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করা হয়েছে। যদিও সারা পৃথিবীতে এি ধরনের দৃষ্টান্ত বিদ্যমান, তবুও কেউ হয়তো অসৎ উদ্দেশ্যে বা আইনগতভাবে একে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। তবে আমাদের বিশ্বাস, এই চ্যালেঞ্জ শেষ পর্যন্ত টিকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছি।”